লক্ষ্য ১০ আসন, মাঠে অধীর–মৌসম–ভিক্টর–শুভঙ্কররা
অধীরের মতো শক্তিশালী মুখ বিধানসভায় থাকলে বিরোধী রাজনীতি একমুখী থাকবে না বিজেপি একা প্রচারের আলো কাড়তে পারবে না রাজনৈতিক বৈচিত্র ফিরবে ‘রাজনৈতিক হিসাব: লাভ না ক্ষতি? দলের ভেতরেই রয়েছে মতভেদ।
৯ইএপ্রিল,২০২৬ :- নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্ক:- পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আবার প্রাসঙ্গিক হতে বড়সড় কৌশল নিয়েছে কংগ্রেস। একা লড়াইয়ের ঘোষণা করার পরই দল ঠিক করেছে—শুধু ভোট শতাংশ নয়, এবার লক্ষ্য আসন জয়। আর সেই লক্ষ্য ধরেই রাজ্যের নির্দিষ্ট কিছু জেলায় ফোকাস করে নামছে হাত শিবির।
মূল লক্ষ্য: ১০–১২ আসন
দলীয় সমীক্ষা অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং বীরভূম—এই জেলাগুলিকে টার্গেট করা হয়েছে।
দাবি করা হচ্ছে, ১০–১২টি আসনে ভালো লড়াই সম্ভব,
অন্তত ৩–৪টি আসনে নিশ্চিত জয়ের সম্ভাবনা দেখছে কংগ্রেস।
হেভিওয়েটদের মাঠে নামানোর পরিকল্পনা
দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে—সব শক্তিশালী ও পরিচিত মুখদের ভোটে নামানো হবে।
গুরুত্বপূর্ণ মুখ:
অধীর রঞ্জন চৌধুরী
মৌসম নুর
নেপাল মাহাতো
মনোজ চক্রবর্তী
আলি ইমরান রামজ (ভিক্টর)
শুভঙ্কর সরকার
এছাড়াও একাধিক প্রাক্তন বিধায়ক ও সাংসদদের নামানো হবে, যারা আগে ভালো লড়াই করেছেন।
বিধানসভায় ‘বৈচিত্র’ আনাই লক্ষ্য
গত পাঁচ বছরে বিরোধী দলনেতা হিসেবে
শুভেন্দু অধিকারী
প্রচারমাধ্যমে প্রাধান্য পেয়েছেন।
কংগ্রেসের কৌশল:
অধীরের মতো শক্তিশালী মুখ বিধানসভায় থাকলে
বিরোধী রাজনীতি একমুখী থাকবে না
বিজেপি একা প্রচারের আলো কাড়তে পারবে না
রাজনৈতিক বৈচিত্র ফিরবে
রাজনৈতিক হিসাব: লাভ না ক্ষতি?
দলের ভেতরেই রয়েছে মতভেদ।
একাংশের মত:
১০–১২ আসন পাওয়া সম্ভব
কংগ্রেস আবার রাজ্যে শক্তি ফিরে পাবে
অন্য অংশের আশঙ্কা:
বাস্তবে ৫টির বেশি আসন কঠিন
সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হলে
লাভ হতে পারে বিজেপির,
তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কেও প্রভাব পড়তে পারে
মূল প্রশ্ন
কংগ্রেসের এই ‘একলা লড়াই’ কতটা সফল হবে?
রাজ্যে বিরোধী রাজনীতিতে কি সত্যিই নতুন বৈচিত্র আসবে?
সময়ের অপেক্ষা—এই কৌশল কি কংগ্রেসকে আবার বাংলার রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক করে তুলতে পারে?
