police পুলিশের জালে অভিযুক্তের পরিবার

চোপড়ায় বিজেপি কর্মীর বাড়ি থেকে ২৩টি তাজা বোমা উদ্ধার, 

নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্ক, ২৪ শে মে ২০২৬ঃ-চোপড়া: চোপড়ার ভোজপুরানিগছ এলাকায় পদ্মকর্মী শ্রীবাস মণ্ডলের বাড়ি থেকে ২৩টি তাজা বোমা ও প্রচুর বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্তের স্ত্রী ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত শ্রীবাস মণ্ডল বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। রবিবার ধৃতকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ কুকুর ও বিশেষ তল্লাশি দল ওই বাড়িতে আবারও তল্লাশি চালায়।

গত ৬ মে কালাগছ এলাকায় এক বিজেপি নেতার ওপর বোমা ও লাঠি নিয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার দিনই স্থানীয় বাসিন্দারা শ্রীবাস মণ্ডলকে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ঘটনার পরদিন পুলিশ তার ভোজপুরানিগছ এলাকার বাড়িতে প্রথমবার তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে। এরপরই বাড়িটি সিল করে দেওয়া হয় এবং পুলিশি নজরদারিতে রাখা হয়। আশপাশের বাসিন্দাদেরও সম্ভাব্য বিপদের কথা জানিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

রবিবার পুলিশ অভিযুক্ত শ্রীবাস মণ্ডলকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কোনো গোপন ডেরা বা আরও বিস্ফোরক মজুত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ কুকুর ব্যবহার করা হয়। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না এবং এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক কেন মজুত করা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। অভিযুক্তের পরিবার এবং স্বয়ং তার জড়িত থাকার বিষয়টি সামনে আসায় এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক শোরগোল পড়েছে।
পুরো এলাকাটি বর্তমানে পুলিশি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

            তৃণমূলের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন!

রাজ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
বাগডোগরা: উত্তরবঙ্গ সফরে এসে বাগডোগরা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তৃণমূল কংগ্রেসের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতির মোড় পুরোপুরি ঘুরে যেতে পারে, যেখানে তৃণমূলের প্রভাব ও অস্তিত্ব নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হতে পারে।

সুকান্ত মজুমদার এদিন শাসকদলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।” তবে প্রধান বিরোধী শক্তি কে হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাংলার মানুষের ওপর ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে বিজেপির দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়ে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিভিন্ন মন্তব্য নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি সুকান্ত মজুমদার। তিনি দাবি করেন, রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে রাজনৈতিক মহলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, এমনকি অনেক সময় তাঁর দলের কর্মীরাও তাঁর অবস্থান নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকেন। অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক বিতর্কিত মন্তব্য প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আইন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতি সকলের শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। কেউ আইনের তোয়াক্কা না করলে প্রশাসন অবশ্যই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।”

সুকান্ত মজুমদারের এই মন্তব্য রাজ্যের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর সফর ঘিরে উত্তরবঙ্গে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে।