Matigara!মাটিগাড়ায় পুলিশের বড় সাফল্য!

 ৪০১ গ্রাম ব্রাউন সুগার সহ গ্রেফতার মহিলা সহ ২ মাদক কারবারি
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্ক |  ২৭ শে এপ্রিল ২০২৬ঃ-শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের মাটিগাড়া থানার অন্তর্গত পরিবহননগর পার্কিং এলাকায় রবিবার দুপুরে বড়সড় মাদক বিরোধী অভিযান চালাল পুলিশ। মাটিগাড়া থানা ও স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের (SOG) যৌথ অভিযানে উদ্ধার হলো কয়েক লক্ষ টাকার ব্রাউন সুগার। এই ঘটনায় এক মহিলা সহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে রবিবার দুপুরে পরিবহননগর পার্কিং এলাকায় হানা দেয় পুলিশের যৌথ দল। সেখানে সন্দেহভাজন এক পুরুষ ও এক মহিলাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৪০১ গ্রাম ব্রাউন সুগার উদ্ধার হয়। যার আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা বলে অনুমান করা হচ্ছে। মাদক ছাড়াও ধৃতদের কাছ থেকে তিনটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং নগদ ১০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম বানো বেগম (৩০) ও মো. ইদ্রিজ আলি ওরফে মানিক ওরফে সাহিল (৩৬)। বানো বেগম নকশালবাড়ি থানার তোতারামজোটের বাসিন্দা এবং ইদ্রিজ আলি মাটিগাড়া থানার বিশ্বাস কলোনি এলাকার বাসিন্দা। উদ্ধার হওয়া সমস্ত সামগ্রী এনডিপিএস অ্যাক্ট -এর নিয়ম মেনে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধৃতরা এলাকায় একটি বড় মাদক সরবরাহ চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এই চক্রের মূল শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং আর কারা এর সাথে জড়িত, তা জানতে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনের প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। সোমবার মাটিগাড়া থানার পক্ষ থেকে ধৃতদের শিলিগুড়ি আদালতে পেশ করা হয়।

 

ঝড়ের রাতে হাতির হানা! ফালাকাটা ও আলিপুরদুয়ারে ভাঙল ঘর, তছনছ বিঘার পর বিঘা ফসল

ফালাকাটা: কালবৈশাখীর বৃষ্টির রাতে যখন বিদ্যুৎহীন অবস্থায় অন্ধকারে ডুবে ছিল গ্রাম, ঠিক তখনই হানা দিল হাতির দল। রবিবার রাতে ফালাকাটা এবং আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের একাধিক এলাকায় দাঁতালদের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কোথাও ভেঙেছে রান্নাঘরের বেড়া, আবার কোথাও সাবাড় হয়েছে মজুত করা ধান ও খেতের ফসল।

ফালাকাটার রাইচেঙ্গা গ্রামে ৫-৬টি হাতির একটি দল ঢুকে পড়ে তণ্ডব চালায়। গ্রামের চাষি মধুসূদন চন্দের ভুট্টা, মিষ্টিকুমড়ো ও কলা বাগান পুরোপুরি নষ্ট করে দেয় হাতিগুলি। গোপাল চন্দের পাট খেত মাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পুকুর পাড়ের কলা গাছও ভেঙে ফেলে তারা। এরপর হাতিগুলি নিত্য মণ্ডলের রান্নাঘরের বেড়া ভেঙে লাউ সাবাড় করে। সবশেষে গ্রামের বৃদ্ধা গীতারানি সরকারের বাড়িতে হানা দেয় হাতিগুলি। চোখে কম দেখা ওই বৃদ্ধা শব্দ শুনে বাইরে বেরিয়ে আসতেই দেখেন, তাঁর রান্নাঘরের পাটশলার বেড়া ভেঙে এক বস্তা ধান সাবাড় করছে দাঁতাল। বনকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাতিগুলিকে জঙ্গলে তাড়িয়ে দেন।

একই রাতে আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের যোগেন্দ্রনগর গ্রামে দুটি পৃথক বুনো হাতি হানা দেয়। সেখানে বিশেশ্বর বর্মনের রান্নাঘরের টিনের বেড়া ভেঙে দুই বস্তা ধান খেয়ে ফেলে তারা। পাশাপাশি এই ব্লকের সুরিপাড়া গ্রামেও অন্য একটি হাতির দল ভুট্টা খেত ও কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষতি করেছে।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, রাতে বৃষ্টির সাথে বিদ্যুৎ না থাকায় হাতির হানা টের পেতে দেরি হয়েছে। অন্ধকার থাকার সুযোগেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। জলদাপাড়া বন দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বনকর্মীরা এলাকায় নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যথাযথ ক্ষতিপূরণ পাবেন।