ইরানে আজকেই হবে সবচেয়ে বড় হামলা!
প্রতিরক্ষা সচিবের এই কড়া বার্তার পর পরিষ্কার যে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কোণঠাসা করতে আমেরিকা আরও বড় সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বৃহস্পতিবারের প্রস্তাবিত হামলাটি গত কয়েক দিনের তুলনায় আরও বিধ্বংসী হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন পেন্টাগনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
১৯শে মার্চ,২০২৬ :-নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্ক,:-বুধবার যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ হারানো মার্কিন সেনার দেহ দেশে ফেরার সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। সেই আবেগঘন মুহূর্তের কথা স্মরণ করে হেগসেথ জানান, নিহত জওয়ানদের পরিবারগুলি প্রশাসনকে অনুরোধ করেছে যাতে কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমেরিকা পিছু না হটে। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “অবশ্যই আমরা এই মিশন শেষ করব। তাঁদের বলিদানকে আমরা বৃথা যেতে দেব না।”
প্রতিরক্ষা সচিবের এই কড়া বার্তার পর পরিষ্কার যে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কোণঠাসা করতে আমেরিকা আরও বড় সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বৃহস্পতিবারের প্রস্তাবিত হামলাটি গত কয়েক দিনের তুলনায় আরও বিধ্বংসী হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন পেন্টাগনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
ইরান-আমেরিকা পারস্য উপসাগরীয় যুদ্ধ তবে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে? মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের সাম্প্রতিক বক্তব্যে সেই জল্পনাই আরও উসকে গেল। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান খুব শীঘ্রই আমেরিকার পক্ষ থেকে ‘বৃহত্তম স্ট্রাইক প্যাকেজ’ বা ভয়াবহ বিমান হামলার সম্মুখীন হতে চলেছে। হেগসেথের দাবি, এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে আমেরিকার শর্তেই।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ইরানে ৭,০০০-এরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন ফৌজ। হেগসেথ বলেন, “আমাদের সক্ষমতা ক্রমাগত বাড়ছে, আর ইরানের শক্তি ক্ষয় হচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত ‘ফ্ল্যাটেন’ বা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খাগ আইল্যান্ডে ইরানের সামরিক পরিকাঠামোয় হামলার ফলে ওই দেশটির ভাগ্য এখন ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
