আজও নজর থাকবে সন্দেশখালির পরিস্থিতির উপর।ষষ্ঠ দফার ভোট প্রচারে আবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ এবং আগামিকাল বাংলায় মোট ছ’টি সভা করবেন তিনি। দু’দিনে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, তমলুক, ঘাটাল, ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থীদের জন্য প্রচার করবেন মোদী।
সেখানে আন্দোলনকারী মহিলাদের পাশে থাকবেন বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ দেখে ছাড়বেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন মাম্পি।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ ভোট ঘোষণার পর থেকে একাধিক বার বাংলায় এসেছেন। প্রতি দফাতেই অন্তত এক বার করে ঘুরে গিয়েছেন ভোটের আগের বিভিন্ন কেন্দ্র। দিনে তিন থেকে চারটি করে সভা করছেন। ষষ্ঠ দফায় আগামী ২৫ মে রাজ্যের মোট আটটি কেন্দ্রে ভোট রয়েছে। এর মধ্যে সাতটি কেন্দ্রেই রবি এবং সোমে প্রচার করবেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি থাকছে কেবল কাঁথি। সেখানে বিজেপি এ বার প্রার্থী করেছে শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে।
তাঁর সমর্থনে প্রচারের জন্য মোদী পরে আবার রাজ্যে আসবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।রাজ্য বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ পুরুলিয়া, মেদিনীপুর এবং বিষ্ণুপুর— একই দিনে তিনটি সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই কেন্দ্রগুলিতে বিজেপি প্রার্থী করেছে যথাক্রমে প্রণত টুডু, অগ্নিমিত্রা পাল এবং সৌমিত্র খাঁকে। উল্লেখ্য, শনিবার বিষ্ণুপুরে সভা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডলের সমর্থনে প্রচার করেছেন তিনি। আজ সেই কেন্দ্রে ভোট প্রচারে মোদীও।পঞ্চম দফা ভোটের আগে আজ শেষ রবিবার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ দু’টি জনসবা করবেন।
প্রথমটি ঘাটালে এবং পরের জনসভাটি তিনি করবেন ঝাড়গ্রামে। ঘাটালে তৃতীয় বারের জন্য তৃণমূল প্রার্থী করেছে দেবকে। অন্য এক অভিনেতাকে এখানে প্রার্থী করেছে বিজেপি। তিনি খড়্গপুর সদরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। ঘাটালের পর অভিষেকের গন্তব্য ঝাড়গ্রাম। এখানে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কালীপদ সোরেনকে। তাঁর সমর্থনেই সভা করবেন অভিষেক। ২০১৯ সালে এই আসনটি জিতেছিল বিজেপি। এই আসনে এ বার তারা প্রার্থী বদল করেছে। বিদায়ী সাংসদ কুনার হেমব্রমের পরিবর্তে প্রার্থী করা হয়েছে প্রণত টুডুকে। ষষ্ঠ দফায় আগামী ২৫ মে এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ।
আজ বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা কর্মসূচি রয়েছে। তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তীর সমর্থনে বাঁকুড়ার কলেজ মোড় থেকে লালবাজার পর্যন্ত পদযাত্রায় অংশ নেবেন তিনি। মমতার এই কর্মসূচি উপলক্ষে বাঁকুড়া শহরকে সাজিয়ে তুলেছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। দলীয় পতাকা, ফ্লেক্স, ফেস্টুনে শহরের রাস্তা সাজানো হয়েছে। জেলা নেতৃত্বের দাবি, তাঁরা রেকর্ড জমায়েতের ‘টার্গেট’ নিয়েছেন। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বাঁকুড়া আসনটি জিতেছিল বিজেপি। এ বার বিদায়ী সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই তৃণমূলের অরূপের।
এর পরেই মমতা যাবেন পুরুলিয়ায়। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতোর হয়ে আরও একটি পদযাত্রা করবেন তিনি। এই কেন্দ্রে শান্তিরামের লড়াই বিজেপির বিদায়ী সাংসদ জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতোর সঙ্গে।হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে শনিবারই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী পিয়ালি ওরফে মাম্পি দাস। জেল থেকে বেরিয়েই মাম্পি দাবি করেন, সন্দেশখালির নারী নির্যাতনের ঘটনা মিথ্যা নয়। সেখানে আন্দোলনকারী মহিলাদের পাশে থাকবেন বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ দেখে ছাড়বেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন মাম্পি।
অন্য দিকে, শুক্রবার থেকেই সন্দেশখালিতে অস্থায়ী শিবির খুলেছে সিবিআই। সাধারণ মানুষের কোনও অভিযোগ থাকলে সেই শিবিরে গিয়ে জমা করা যাবে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই পদক্ষেপ করছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। কথা বলেছেন অভিযোগকারীদের সঙ্গে। আজও নজর থাকবে সন্দেশখালির পরিস্থিতির উপর।ষষ্ঠ দফার ভোট প্রচারে আবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ এবং আগামিকাল বাংলায় মোট ছ’টি সভা করবেন তিনি। দু’দিনে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, তমলুক, ঘাটাল, ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থীদের জন্য প্রচার করবেন মোদী।
