কিশনগঞ্জে ট্রেন থেকে দুই নাবালিকাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফেরাল আরপিএফ
নিকিতা ও রেমিকা বাড়ি থেকে পালিয়ে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশ্যে গুয়াহাটিতে চলে আসে। সেখানে তাঁরা দিল্লির ট্রেন ভেবে গুয়াহাটি-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেসে উঠে পড়ে। দুই নাবালিকার কোনও খোঁজ না পেয়ে পরিবারের লোকেরা শিলং সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, ১৯ই অক্টোবর :-কিশনগঞ্জ: কিশনগঞ্জ স্টেশনে গুয়াহাটি-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস ট্রেনে তল্লাশি চালিয়ে দুই নাবালিকাকে উদ্ধার করেছে আরপিএফ। মেঘালয়ের শিলং পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার কিশনগঞ্জ আরপিএফের কর্মীরা তল্লাশি চালায় বেঙ্গালুরুগামী ট্রেনটিতে। সেই ট্রেনের একটি সংরক্ষিত কামরা থেকে উদ্ধার হয় নিকিতা দাস(১৭) ও রেমিকা লিংগদেহ(১৫) নামে দুই নাবালিকা। এরা দুজনেই মেঘালয়ের পূর্ব খাসি হিলস জেলার বাসিন্দা।
জানা গিয়েছে, নিকিতা ও রেমিকা বাড়ি থেকে পালিয়ে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশ্যে গুয়াহাটিতে চলে আসে। সেখানে তাঁরা দিল্লির ট্রেন ভেবে গুয়াহাটি-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেসে উঠে পড়ে। দুই নাবালিকার কোনও খোঁজ না পেয়ে পরিবারের লোকেরা শিলং সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। দুই ছাত্রীর মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে পুলিশ জানতে পারে কিশনগঞ্জ স্টেশনের কাছাকাছি জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। এরপরেই তাঁরা বিষয়টি জানায় কিশনগঞ্জ আরপিএফকে। সেই খবর মোতাবেক কিশনগঞ্জ স্টেশনে ট্রেন ঢুকতেই প্রতিটি কোচে তল্লাশি শুরু করে আরপিএফ। সেই সময়ই উদ্ধার হয় দুই নাবালিকা।
দুই নাবালিকা উদ্ধার হওয়ার পরেই খবর শিলং থানা মারফৎ খবর দেওয়া হয় পরিবারকে। শনিবার উদ্ধার হওয়া দুই নাবালিকার পরিবারের লোকেরা কিশনগঞ্জ থানায় চলে আসেন। সেখানে পরিবারের লোকেদের হাতে দুই নাবালিকাকে তুলে দেন কিশনগঞ্জ স্টেশন আরপিএফ পোস্টের ভারপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর হৃদয়কান্ত শর্মা।
দুর্গতদের বাঁচানোর জন্য ‘পুরস্কার’ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী,
স্বাস্থ্যখাতে উন্নতির জন্য সবটা বিলিয়ে দিলেন চিকিৎসক
এদিন ব্লক স্বাস্থ্যদপ্তরের মাসিক সভায় ওই স্বাস্থ্যকর্তা পুরস্কারের টাকা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির উন্নয়নের জন্য দান করে ডা: হোসেন বলেন, ‘মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো আমাদের প্রত্যেকেরই কর্তব্য। অন্য সমস্ত ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা মিলিতভাবে সেই কাজটিই করেছে। ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাবে। এই পুরস্কার শুধু আমার একার নয়। এতে সবার কৃতিত্ব রয়েছে।’
নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, ১৯ই অক্টোবর :-নাগরাকাটা: বন্যা দুর্গতদের জন্য প্রশংসনীয় কাজ করায় রাজ্য সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্বাস্থ্য খাতেই খরচ করার সিদ্ধান্ত নিলেন নাগরাকাটার ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা: মোল্লা ইরফান হোসেন। গত শুক্রবার জলপাইগুড়ি জেলা শাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়ালি তাঁকে পুরস্কার হিসেবে অর্থ মূল্য প্রদান করেন। এদিন ব্লক স্বাস্থ্যদপ্তরের মাসিক সভায় ওই স্বাস্থ্যকর্তা পুরস্কারের টাকা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির উন্নয়নের জন্য দান করে ডা: হোসেন বলেন, ‘মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো আমাদের প্রত্যেকেরই কর্তব্য। অন্য সমস্ত ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা মিলিতভাবে সেই কাজটিই করেছে। ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাবে। এই পুরস্কার শুধু আমার একার নয়। এতে সবার কৃতিত্ব রয়েছে।’
গত ৫ অক্টোবর বামনডাঙ্গা চা বাগানে যেদিন বন্যা হয়, সেখানে ঢোকার একমাত্র রাস্তায় গাঠিয়া নদীর ওপর টানাটানি সেতুর এপ্রোচ রোড সহ লাগোয়া একটি কালভার্ট জলের তোড়ে উড়ে যায়। এদিকে বাগানের মডেল ভিলেজ সহ আরও কয়েকটি শ্রমিক মহল্লা থেকে লাগাতার ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের খবর কানে আসছিল প্রশাসনের কাছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে সেখানে ঢোকার কোন উপায়ও ছিল না। তখন এনডিআরএফ-এর তৈরি করা জিপ লাইনে ঝুলে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ তাঁর টিম বামনডাঙায় ঢোকে। সেই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে বামনডাঙা সহ লাগোয়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন আরেকটি এলাকা খেরকাটা গ্রাম থেকে বেশ কয়েকজন গর্ভবতীদের উদ্ধার করে সুলকাপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের নেতৃত্বে অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা।
