রাজ্যের ২৯১টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস

১৭ই  মার্চ,২০২৬ :-নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্ক,:-রাজ্যের ২৯১টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস৷ এ দিন কালীঘাটে নিজের বাসভবন থেকেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন দলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ প্রত্যাশিত ভাবেই তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রয়েছে একাধিক বড় নাম৷
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দার্জিলিংয়ের তিনটি আসনে তৃণমূল লড়ছে না৷ ওই তিনটি আসনে লড়বে অনীত থাপার দল৷ তাদের সঙ্গে জোট করেছে তৃণমূল৷ ওই তিনটি আসন বাদ দিয়ে ২৯১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে শাসক দল৷
উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে টিকিট পাননি বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী৷ বারাসত থেকে প্রার্থী করা হয়েছে সব্যসাচী দত্ত৷ প্রত্যাশিত ভাবেই বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে টিকিট পাননি পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ টিকিট পাননি বেলেঘাটার বিধায়ক পরেশ পাল৷
তবে দুর্নীতিতে নাম জড়ালেও টিকিট পেয়েছেন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকরা৷ কয়েকদিন আগেই আইন দফতর থেকে সরানো হলেও ফের টিকিট পেয়েছেন মন্ত্রী মলয় ঘটক৷ বীরভূমে টিকিট পেয়েছেন অনুব্রতর বিরোধী গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ৷বেশ কয়েকজন বিধায়কের কেন্দ্রও বদল করা হয়েছে৷ পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের বদল নদিয়ার করিমপুর থেকে প্রার্থী করা হয়েছে অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীকে৷ খড়দহের বদলে বালিগঞ্জ থেকে প্রার্থী করা হয়েছে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে৷ এন্টালি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বর্তমান বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহাকে৷
 ভবানীপুরে প্রার্থী হচ্ছেন মমতা৷  বেলেঘাটা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন কুণাল ঘোষ৷ পুরনো কেন্দ্র থেকেই টিকিট পাচ্ছেন মন্ত্রী জাভেদ আলি খান, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বেচারাম মান্না, ইন্দ্রনীল সেন, অরূপ বিশ্বাস, ব্রাত্য বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের মতো মন্ত্রীরা৷

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে গোল্ডেন গার্ল! উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে মাস্টারস্ট্রোক তৃণমূলের। সমস্ত জল্পনা সত্যি করে রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে শাসক শিবিরের প্রার্থী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন। মঙ্গলবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় স্বপ্নার নাম, ফলে স্বাভাবিকভাবেই জলপাইগুড়ি জেলাজুড়ে খুশির হাওয়া।
স্বপ্না বর্মন রাজনীতির উঠোনে পা রাখছেন, এই নিয়েই গত কয়েকদিন ধরে জল্পনা তুঙ্গে ছিল। জানুয়ারি মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিলিগুড়ি সফরে গিয়ে ‘মহাকাল মহাতীর্থ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। ওই অনুষ্ঠানেই স্বপ্নাকে সংবর্ধনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। মঞ্চেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা বলতে দেখা যায় স্বপ্নাকে। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়ছিল তখন থেকেই।
২৭ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল ভবনে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন তারকা অ্যাথলিট। দলে যোগ দেওয়ার মাত্র ১৩ দিনের মাথায় তিনি রাজনৈতিক মঞ্চে বক্তব্য রাখার সুযোগ পান। এর পরই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া প্রসঙ্গে স্বপ্না বলেন, “বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষা করার জন্যই আমি এগিয়ে এসেছি। নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্র সরকার চক্রান্ত করে বাংলার মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে কাটছে। বাংলার মানুষ এটা কিছুতেই মেনে নেবে না।”

জল্পনাকে সত্যি করেই তৃণমূল কংগ্রেসেই যোগ দিয়েছিলেন প্রতীক উর রহমান৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকেই জল্পনা ছড়িয়েছিল, তাহলে কি তৃণমূলের হয়ে এবার প্রার্থী হবেন প্রতীক উর? কিন্তু সেই জল্পনা মিলল না। বিধানসভায় টিকিট পেলেন না প্রতীক উর।
কয়েকদিন আগেই সিপিএমের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন প্রতীক উর রহমান৷ দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে উদ্দেশ্য করে লেখা প্রতীক উরের ইস্তফাপত্রও প্রকাশ্যে চলে আসে৷ এর পর থেকেই প্রতীক উরের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা ছড়ায়৷ তিনি যে শাসক দলের পথেই পা বাড়িয়ে রয়েছেন, এমন জল্পনাও ছড়িয়েছিল৷ যদিও শাসক দলে যোগদান নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি এসএফআই-এর প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি৷মঙ্গলবারে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস৷ প্রতিবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় বিনোদন জগতের মানুষের উজ্জ্বল উপস্থিতি নজর কাড়ে৷ তবে এবার সেভাবে নতুন কোনও টলিউড ফেস উঠে এল না তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায়৷ এবার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এ বিনোদন জগতের যাঁরা যাঁরা টিকিট পেলেন তাঁরা হলেন-

বাঁকুড়া ওপুরুলিয়ার তৃণমূল প্রার্থী

 বান্দোয়ান রাজীবলোচন সোরেন, বলরামপুরে শান্তিরাম মাহাতো, বাঘমুন্ডি সুশান্ত মাহাতো, জয়পুরের প্রার্থী অর্জুন মাহাতো, পুরুলিয়ায় সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, মানবাজারে সন্ধ্যারানি টুডু, কাশীপুরে সৌমেন বেলথারিয়া, পারায় মৈনাক বাউড়ি, রঘুনাথপুরে হাজারি বাউড়ি, বাঁকুড়ার শালতোড়ায় উত্তম বাউড়ি, ছাতনায় স্বপনকুমার মণ্ডল, রানিবাঁধে তনুশ্রী হাঁসদা, রায়পুরে ঠাকুরমণি সোরেন, তালড্যাংরা ফাল্গুনী সিংহবাবু, বাঁকুড়ায় অনুপ মণ্ডল। বড়জোড়ায় প্রার্থী গৌতম মিশ্র, ওন্দায় সুব্রত দত্ত, বিষ্ণুপুরে তন্ময় ঘোষ, কোতুলপুরে হরকালী প্রতিহার, ইন্দাসে শ্যামলী রায় বাগদি, সোনামুখীতে কল্লোল সাহা।

পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে তৃণমূল প্রার্থীরা

দাঁতনে মানিক মাইতি, কেশিয়াড়িতে রামজীবন মান্ডি, খড়্গপুর (সদর) প্রদীপ সরকার, নারায়ণগড়ে প্রতিভারানি মাইতি, সবংয়ে মানস ভুঁইয়া, পিংলায় অজিত মাইতি, খড়্গপুরে দীনেন রায়, ডেবরায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, দাসপুরে আশিস হুদাইত, ঘাটালে শ্যামলী সর্দার, চন্দ্রকোনায় সূর্যকান্ত দোলুই, গড়বেতায় উত্তরা সিংহ (হাজরা), শালবনিতে শ্রীকান্ত মাহাতো, কেশপুর শিউলি সাহা, মেদিনীপুরে সুজয় হাজরা, নয়াগ্রামে দুলাল মুর্মু, গোপীবল্লভপুরে অজিত মাহাতো, ঝাড়গ্রাম মঙ্গল সোরেন, বিনপুরে বিরবাহা হাঁসদা।

পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূলের প্রার্থী 

তমলুকে দীপেন্দ্র নারায়ণ রায়, পাঁশকুড়া (পূর্ব) অসীমকুমার মাজি, পাঁশকুড়া (পশ্চিম) সিরাজ খান, ময়নায় চন্দন মণ্ডল, নন্দকুমারে সুকুমার দে, মহিষাদলে তিলককুমার চক্রবর্তী, হলদিয়ায় তাপসী মণ্ডল, নন্দীগ্রামে পবিত্র কর, চণ্ডীপুরে উত্তম বারিক, পটাশপুরে পীযূষকান্তি পণ্ডা, কাঁথি (উত্তর) দেবাশিস ভুঁইয়া, ভগবানপুরে মানবকুমার পড়ুয়া, খেজুরিতে রবীনচন্দ্র মণ্ডল, কাঁথি (দক্ষিণ) তরুণকুমার জানা, রামনগরে অখিল গিরি, এগরায় তরুণ মাইতিকে টিকিট দিয়েছেন মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বীরভূমে তৃণমূলের টিকিট 

 দুবরাজপুরে চন্দ্রনরেশ বাউড়ি, সিউড়িতে উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়, বোলপুরে চন্দ্রনাথ সিংহ, নানুরে বিধানচন্দ্র মাজি, লাভপুরে অভিজিৎ সিংহ, সাঁইথিয়ায় লীলাবতী সাহা, ময়ূরেশ্বরে অভিজিৎ রায়, রামপুরহাটে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, হাসনে ফয়জুল হক (কাজল শেখ), নলহাটি রাজেন্দ্রপ্রসাদ সিংহ, মুরারইয়ে মুশারফ হোসেন।   

বর্ধমানের তৃণমূল প্রার্থী তালিকা

খণ্ডঘোষে নবীনচন্দ্র বাগ, বর্ধমান দক্ষিণে খোকন দাস, রায়নাতে মন্দিরা দোলুই, জামালপুরে ভূতনাথ মল্লিক, মন্তেশ্বরে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, কালনায় দেবপ্রসাদ বাগ, মেমারিতে রাসবিহারী হালদার, বর্ধমান (উত্তর) নিশীথকুমার মালিক, ভাতারে শান্তনু কোনার, পূর্বস্থলি (দক্ষিণ) স্বপন দেবনাথ, পূর্বস্থলি (উত্তর) বসুন্ধরা গোস্বামী, কাটায়োয় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কেতুগ্রামে শেখ শাহনওয়াজ়, মঙ্গলকোটে অপূর্ব চৌধুরী (অচল), আউশগ্রামে শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, গলসিতে অলোককুমার মাজি, পাণ্ডবেশ্বরে নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, দুর্গাপুরে (পূর্ব) প্রদীপ মজুমদার, দুর্গাপুরে (পশ্চিম) কবি দত্ত, রানিগঞ্জে কালোবরণ মণ্ডল, জামুড়িয়ায় হরেরাম সিংহ, আসানসোলে (দক্ষিণ) তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, আসানসোলে (উত্তর) মলয় ঘটক, কুলটিতে অভিজিৎ ঘটক, বারাবনি-তে বিধান উপাধ্যায়।

হুগলিতে তৃণমূল প্রার্থী

উত্তরপাড়ায় শীর্ষান্ন বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীরামপুরে তন্ময় ঘোষ, চাঁপদানিতে অরিন্দম গুইন, সিঙ্গুরে বেচারাম মান্না, চন্দননগরে ইন্দ্রনীল সেন, চুঁচুড়ায় দেবাংশু ভট্টাচার্য, বলাগড়ে রঞ্জন ধাড়া, পান্ডুয়ায় সমীর চক্রবর্তী (বুয়া), সপ্তগ্রাম বিদেশ বসু, চণ্ডীতলায় স্বাতী খন্দকার, জাঙ্গিপাড়ায় স্নেহাশিস চক্রবর্তী, হরিপালে করবী মান্না, ধনিয়াখালিতে অসীমা পাত্র, তারকেশ্বরে রামেন্দু সিংহরায়, পুরশুরায় পার্থ হাজারি, আরামবাগে মিতা বাগ, গোঘাটে নির্মল মাজি এবং খানাকুলে পলাশ রায়।

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৃণমূল প্রার্থীরা

ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূল প্রার্থী পান্নালাল হালদার। ফলতায় জাহাঙ্গির খান, সাতগাছিয়ায় সোমাশ্রী বেতাল, বিষ্ণুপুরে দিলীপ মণ্ডল, সোনারপুর (দক্ষিণ) অরুন্ধতী মৈত্র (লাভলি), ভাঙড়ে শওকত মোল্লা, কসবায় জাভেদ আহমেদ খান। যাদবপুরে দেবব্রত মজুমদার, সোনারপুর (উত্তর) ফিরদৌসি বেগম, টালিগঞ্জে অরূপ বিশ্বাস, বেহালা (পূর্ব) শুভাশিস চক্রবর্তী, বেহালা (পশ্চিম) রত্না চট্টোপাধ্যায়, মহেশতলায় শুভাশিস দাস, বজবজে অশোককুমার দেব, মেটিয়াবুরুজে আব্দুল খালেক মোল্লা।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার তৃণমূল প্রার্থীরা

গোসাবায় সুব্রত মণ্ডল, বাসন্তীতে নীলিমা বিশাল মিস্ত্রি, কুলতলিতে গণেশচন্দ্র মণ্ডল, পাথরপ্রতিমায় সমীরকুমার জানা, কাকদ্বীপে মন্টুরাম পাখিরা, সাগরে বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, কুলপিতে বর্ণালী ধাড়া, রায়দিঘিতে তাপস মণ্ডল, মন্দিরবাজারে জয়দেব হালদার। জয়নগরে প্রার্থী হয়েছেন বিশ্বনাথ দাস, বারুইপুর (পূর্ব) বিভাস সর্দার, ক্যানিং (পশ্চিম) পরেশরাম দাস, ক্যানিং (পূর্ব) বাহারুল ইসলাম, বারুইপুর (পশ্চিম) বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, মগরাহাট পূর্বে শর্মিষ্ঠা পুরকাইত এবং মগরাহাট পশ্চিমে শামিম আহমেদ।

উত্তর ২৪ পরগনার বাকি প্রার্থীরা

রাজারহাট-নিউটাউনে তাপস চট্টোপাধ্যায়, বিধাননগরে সুজিত বসু, রাজারহাট-গোপালপুর অদিতি মুন্সি, মধ্যমগ্রামে রথীন ঘোষ, বারাসতে সব্যসাচী দত্ত, দেগঙ্গায় আনিসুর রহমান (বিদেশ), হাড়োয়ায় মহম্মদ মুফতি আব্দুল মতিন (মতিন সাহেব), মিনাখাঁয় উষারানি মণ্ডল, সন্দেশখালিতে ঝর্না সর্দার, বসিরহাট দক্ষিণে সুরজিৎ মিত্র (বাদল), বসিরহাট (উত্তর) মহম্মদ তৌসিফ রহমান, হিঙ্গলগঞ্জে আনন্দ সরকারকে প্রার্থী করা হয়েছে।

উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল প্রার্থীরা

বাগদায় মধুপর্ণা ঠাকুর, বনগাঁ (উত্তর) বিশ্বজিৎ দাস, বনগাঁ (দক্ষিণ) ঋতুপর্ণা আঢ্য, গাইঘাটায় নরোত্তম বিশ্বাস, স্বরূপনগরে বীণা মণ্ডল, বাদুড়িয়ায় বুরহানুল মোকাদ্দিন (লিটন), হাবড়ায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু), অশোকনগরে নারায়ণ গোস্বামী, আমডাঙায় পীরজাদা কাশেম সিদ্দিকি, বীজপুরে সুবোধ অধিকারী, নৈহাটিতে সনৎ দে, ভাটপাড়ায় অমিত গুপ্ত, জগদ্দলে সোমনাথ শ্যাম, নোয়াপাড়ায় তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, ব্যারাকপুরে রাজু চক্রবর্তী (রাজ, চিত্রপরিচালক), খড়দহে দেবদীপ পুরোহিত, দমদম উত্তরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পানিহাটিতে তীর্থঙ্কর ঘোষ, কামারহাটিতে মদন মিত্র, বরাহনগরে সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, দমদমে ব্রাত্য বসুকে প্রার্থী করা হয়েছে।   

হাওড়ায় তৃণমূল প্রার্থী

বালিতে কৈলাস মিশ্র, হাওড়া (উত্তর) গৌতম চৌধুরী, হাওড়া (মধ্য) অরূপ রায়, শিবপুর রানা চট্টোপাধ্যায়, হাওড়া (দক্ষিণ) নন্দিতা চৌধুরী, সাঁকরাইল প্রিয়া পাল, পাঁচলা গুলশন মল্লিক, উলুবেড়িয়া (পূর্ব) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, উলুবেড়িয়া (উত্তর) বিমলকুমার দাস, উলুবেড়িয়া (দক্ষিণ) পুলক রায়, শ্যামপুর নাদেবাসি জানা, বাগনান অরুণাভ সেন, আমতায় সুকান্ত পাল, উদয়নারায়ণপুরে সমীরকুমার পাঁজা, জগৎবল্লভপুরে সুবীর চট্টোপাধ্যায় এবং ডোমজুড়ে তাপস মাইতি।

মুর্শিদাবাদের তৃণমূল প্রার্থীরা

ফরাক্কায় আমিরুল ইসলাম, শমসেরগঞ্জে নূর আলম, সুতিতে ইমানি বিশ্বাস, জঙ্গিপুরে জাকির হোসেনকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। রঘুনাথগঞ্জে জনাব আখরোজ্জমান, সাগরদিঘিতে বাইরন বিশ্বাস, লালগোলা আব্দুল আজ়িজ, ভগবানগোলায় রেয়াত হোসেন সরকার। রানিনগরে সৌমিক হোসেন, মুর্শিদাবাদে শাওনি সিংহ রায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে। নবগ্রামে প্রণবচন্দ্র দাস, খড়গ্রামে আশিস মারজিত, বড়ঞা প্রতিমা রজক, কান্দিতে অপূর্ব সরকার (ডেভিড)। ভরতপুরে মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন), রেজিনগরে আতাউর রহমান, বেলডাঙায় রবিউল আলম চৌধুরী, বহরমপুরে নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়, হরিহরপাড়ায় নিয়ামত শেখ, নওদায় শাহিনা মুমতাজ, ডোমকলে হুমায়ুন কবীর (প্রাক্তন আইপিএস), জলঙ্গিতে বাবর আলি।

মালদহের তৃণমূল প্রার্থীরা

মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে মহম্মদ মাতেবুর রহমান, মালতিপুর আব্দুর রহিম বক্সি, রতুয়ায় সমর মুখোপাধ্যায়, মানিকচকে কবিতা মণ্ডলকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল। মালদহে প্রার্থী হয়েছেন লিপিকা বর্মণ ঘোষ। ইংরেজবাজারে আশিস কুন্ডু, মোথাবাড়িতে মহম্মদ নজরুল ইসলাম, সুজাপুরে সাবিনা ইয়াসমিন, বৈষ্ণবনগরে চন্দনা সরকার প্রার্থী হয়েছেন।

বালুরঘাটে ফের অর্পিতা, আর কে কোথায়

কুমারগঞ্জে তৃণমূল টিকিট দিয়েছে তোরাফ হোসেন মণ্ডলকে। বালুরঘাটে অর্পিতা ঘোষ, তপনে চিন্তামণি বিহা, গঙ্গারামপুরে গৌতম দাস, হরিরামপুরে বিপ্লব মৈত্র, হবিবপুরে (মালদহ) অমল কিস্কু, গাজলে প্রসেনজিৎ দাস, চাঁচলে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হয়েছেন।

উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের প্রার্থীরা

মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি থেকে প্রার্থী শঙ্কর মালাকার। শিলিগুড়িতে প্রার্থী হলেন গৌতম দেব। ফাঁসিদেওয়ায় রিনা টোপ্পো এক্কা, চোপড়ায় হামিদুল রহমান, ইসলামপুরে কানাইলাল আগরওয়াল, গোয়ালপোখরে মহম্মদ গোলাম রব্বানি, চাকুলিয়ায় মিনাজুল আরফিন আজ়াদ, করণদিঘিতে গৌতম পাল, হেমতাবাদে সত্যজিৎ বর্মণ, কালিয়াগঞ্জে নিতাই বৈশ্য, রায়গঞ্জে কৃষ্ণ কল্যাণী, ইটাহারে মুশারফ হোসেন, কুশমন্ডিতে রেখা রায়কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল।কালচিনিতে প্রার্থী বীরেন্দ্র বরা, আলিপুরদুয়ারে সুমন কাঞ্জিলাল, ফালাকাটায় সুভাষচন্দ্র রায়, মাদারিহাটে জয়প্রকাশ টোপ্পো, ধূপগুড়িতে নির্মল রায়, ময়নাগুড়িতে রামমোহন রায়, জলপাইগুড়িতে কৃষ্ণ দাস, রাজগঞ্জে স্বপ্না বর্মণ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি রঞ্জন শীল শর্মা, মালে বুলুচিক বরাইক, নাগরাকাটায় সঞ্জয় কুজুর প্রার্থী হয়েছেন।   মেখলিগঞ্জে প্রার্থী হয়েছেন পরেশচন্দ্র অধিকারী, মাথাভাঙা সাবলু বর্মণ, কোচবিহার উত্তরে পার্থ রায়, কোচবিহার দক্ষিণে অভিজিৎ দে ভৌমিক, শীতলকুচিতে হরিহর দাস, সিতাই সঙ্গীতা রায় বাসুনিয়া, দিনহাটায় প্রার্থী হলেন উদয়ন গুহ। এ ছাড়া নাটাবাড়িতে শৈলেন বর্মা, তুফানগঞ্জে শিবশঙ্কর পাল, কুমারগঞ্জে রাজীব তিরকেকে টিকিট দিল তৃণমূল।  

 

নদিয়ার তৃণমূল প্রার্থীরা

করিমপুরে সোহম চক্রবর্তী (অভিনেতা), তেহট্টে দিলীপ পোদ্দার, পলাশিপাড়ায় রুকবানুর রহমান, কালীগঞ্জে আলিফা আহমেদ, নাকাশিপাড়ায় কল্লোল খাঁ, চাপড়ায় জাবের শেখ, কৃষ্ণনগর (উত্তর) অভিনব ভট্টাচার্য, নবদ্বীপে পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা, কৃষ্ণনগর (দক্ষিণ) উজ্জ্বল বিশ্বাস, শান্তিপুরে ব্রজকিশোর গোস্বামী, রানাঘাট (উত্তর-পশ্চিম) তাপস ঘোষ, কৃষ্ণগঞ্জে সমীরকুমার পোদ্দার, রানাঘাট (উত্তর-পূর্ব) বর্ণালী দে রায়, রানাঘাট দক্ষিণে সৌগতকুমার বর্মণ, চাকদহে শুভঙ্কর সিংহ (যিশু), কল্যাণীতে অতীন্দ্রনাথ মণ্ডল, হরিণঘাটায় রাজীব বিশ্বাস।

ভবনীপুরে মমতা, কলকাতায় কে কোথায় প্রার্থী?

কলকাতা বন্দরের প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম এবং ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ছাড়াও, রাসবিহারীতে প্রার্থী দেবাশিস কুমার, বালিগঞ্জে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চৌরঙ্গিতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, এন্টালিতে সন্দীপন সাহা, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, জোড়াসাঁকোয় বিজয় উপাধ্যায়, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা, মানিকতলায় শ্রেয়া পাণ্ডে এবং কাশিপুর-বেলগাছিয়ায় অতীন ঘোষ।

এই তালিকায় নতুন শ্রেয়া পাণ্ডে৷ বাকি সকলেই পূর্ব বিধায়ক৷ অর্থাৎ ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী ছিলেন৷
রাজ্যের ২৯১টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস৷ এ দিন কালীঘাটে নিজের বাসভবন থেকেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন দলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ প্রত্যাশিত ভাবেই তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রয়েছে একাধিক বড় নাম৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দার্জিলিংয়ের তিনটি আসনে তৃণমূল লড়ছে না৷ ওই তিনটি আসনে লড়বে অনীত থাপার দল৷ তাদের সঙ্গে জোট করেছে তৃণমূল৷ ওই তিনটি আসন বাদ দিয়ে ২৯১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে শাসক দল৷২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ২৯১টি বিধানসভা আসনে প্রার্থী দিল তৃণমূল। বাকি তিনটি আসন তারা ছেড়ে দিয়েছে অনীত থাপার দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা (বিজিপিএম)-কে। ‘মমতাপন্থী’ বলে পরিচিত অনীতের দল পাহাড়ে দার্জিলিং, কালিম্পং ও কার্শিয়াং থেকে একক ভাবেই লড়াই করছে। তাদের সমর্থন করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। মঙ্গলবার ২৯১টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল তৃণমূল। 
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যে বিধায়করা টিকিট পাননি, তাঁদের অন্য ভাবে কাজে লাগাবে দল৷