বাংলার উষা উত্থুমপকেও পদ্মভূষণ দেওয়া হয়েছে।মিঠুন চক্রবর্তী ছাড়াও বাংলা থেকে এবছর পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন আরও চার বাঙালি৷ তাঁরা হলেন পুরুলিয়ার আদিবাসী পরিবেশকর্মী দুখু মাজি এবং ছৌ নাচের মুখোশ শিল্পী নেপালচন্দ্র সূত্রধর। যদিও নেপাল ২০২৩ সালে প্রয়াত হয়েছেন। তিনি মরণোত্তর সম্মান পাবেন।এ ছাড়াও, বাংলার পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় নাম রয়েছে কলকাতার মৃৎশিল্পী সনাতন রুদ্র পাল এবং বীরভূমের ভাদু শিল্পী রতন কাহারের।আদিবাসী পরিবেশকর্মী দুখু পুরুলিয়ার সিন্দ্রি গ্রামের বাসিন্দা৷
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ এবছরে পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় জ্বলজ্বল করছে বাংলার অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর নাম৷ পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী৷ বাংলার উষা উত্থুমপকেও পদ্মভূষণ দেওয়া হয়েছে।মিঠুন চক্রবর্তী ছাড়াও বাংলা থেকে এবছর পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন আরও চার বাঙালি৷ তাঁরা হলেন পুরুলিয়ার আদিবাসী পরিবেশকর্মী দুখু মাজি এবং ছৌ নাচের মুখোশ শিল্পী নেপালচন্দ্র সূত্রধর। যদিও নেপাল ২০২৩ সালে প্রয়াত হয়েছেন। তিনি মরণোত্তর সম্মান পাবেন।এ ছাড়াও, বাংলার পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় নাম রয়েছে কলকাতার মৃৎশিল্পী সনাতন রুদ্র পাল এবং বীরভূমের ভাদু শিল্পী রতন কাহারের।আদিবাসী পরিবেশকর্মী দুখু পুরুলিয়ার সিন্দ্রি গ্রামের বাসিন্দা৷
সাইকেল টেনে গ্রামে গ্রামে ঘুরে গাছ লাগিয়ে বেড়ান দুখু৷ এলাকায় তাঁর পরিচয় ‘গাছ দাদু’ হিসাবে৷এ বছর মোট ৩৪ জন কেন্দ্রীয় সরকারের পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই আদিবাসী কিংবা সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে পদ্মবিভূষণ সম্মান দেওয়া হচ্ছে রাজনীতিক বেঙ্কাইয়া নায়ডুকে৷ পদ্মবিভূষণ পাচ্ছেন দক্ষিণী অভিনেতা চিরঞ্জীবীও৷পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় রয়েছেন দেশের প্রথম মহিলা মাহুত অসমের পার্বতী বড়ুয়া। ছত্তিশগঢ়ের জশপুরের আদিবাসী উন্নয়নকর্মী জগেশ্বর যাদবকে দেওয়া হবে পদ্মশ্রী সম্মান। আদিবাসী পরিবেশবিদ এবং নারী উন্নয়নকর্মী ঝাড়খণ্ডের চামি মুর্মুও ভূষিত হচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মানে।পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় রয়েছেন হরিয়াণার সমাজকর্মী গুরবিন্দ্র সিংহ, কেরলের কাসরগোড়ের কৃষক সত্যনারায়ণ বেলেরি, মিজ়োরামের আইজ়লের সমাজকর্মী সংথানকিমা।
ছত্তিশগঢ়ের নারায়ণপুরের প্রাচীন ওষধি চিকিৎসক হেমচাঁদ মাঞ্জি।পদ্মশ্রী প্রাপকের তালিকায় আছেন দক্ষিণ আন্দামানের জৈব কৃষক কে চেল্লাম্মাল, অরুণাচল প্রদেশের ভেষজ ওষুধ বিশেষজ্ঞ ইয়ানুং জামো লেগো, মাইসুরুর আদিবাসী উন্নয়নকর্মী সোমান্না, অসমের আদিবাসী কৃষক সর্বেশ্বর বসুমাতারি, বিশিষ্ট শল্য চিকিৎসক প্রেমা ধনরাজ, ক্রীড়াবিদ উদয় বিশ্বনাথ দেশপান্ডে, মাইক্রোবায়োলজিস্ট ইয়াজ়দি মানেক্সা ইটালিয়া।এ ছাড়াও আছেন শিল্পী দম্পতি শান্তিদেবী পাসওয়ান, শিবান পাসওয়ান, পট শিল্পী অশোক কুমার বিশ্বাস, নৃত্যশিল্পী বালকৃষ্ণান সদানম পুথিয়া ভিটিল, সংস্কৃত আবৃত্তি শিল্পী উমা মহেশ্বরী ডি, ওড়িশার কৃষ্ণলীলা গায়ক গোপীনাথ সোয়াইন।ত্রিপুরার শাল তাঁতি স্মৃতিরেখা চাকমা, ওমপ্রকাশ শর্মা, কুন্নুরের লোকশিল্পী নারায়ণ ইপি, ওড়িশার লোকশিল্পী ভগবত প্রধান, কোয়েমবত্তূরের লোকশিল্পী বদ্রপ্পান এম, বাঁশ শিল্পী জর্ডন লেপচা, মণিপুরের মচিহান সাসা, তেলঙ্গানার গড্ডাম সাম্মাইয়া, রাজস্থানের বহুরূপী শিল্পী জানকীলাল, তেলঙ্গানার দসরি কোন্ডাপ্পা এবং বাবুরাম যাদবও পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।এ বছর মোট ৩৪ জন কেন্দ্রীয় সরকারের পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছেন।
তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই আদিবাসী কিংবা সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে পদ্মবিভূষণ সম্মান দেওয়া হচ্ছে রাজনীতিক বেঙ্কাইয়া নায়ডুকে৷ পদ্মবিভূষণ পাচ্ছেন দক্ষিণী অভিনেতা চিরঞ্জীবীও৷তবে মিঠুন চক্রবর্তী পদ্মভূষণ পেতেই কটাক্ষ করেছে কুনাল।অবিশ্বাস্য অভিনেতা, অধুনা তিনি বিজেপি নেতাও। এবার পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ৩৪ জনকে পদ্মশ্রী সম্মান দেওয়া হয়েছে। সেখানে চার জন বাঙালিও রয়েছেন। পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন বেঙ্কাইয়া নাইডু এবং দক্ষিণী অভিনেতা চিরঞ্জীবী। একই সঙ্গে শিল্প বিভাগে পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী এবং উষা উত্থুপ। আর মরণোত্তর পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়।মিঠুন চক্রবর্তী পদ্মভূষণ পেতেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। শাসক দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ”অভিনয়ের স্বীকৃতিতে পদ্মভূষণ নয়। তাহলে ২০১৪-র পর যেকোন সময় পেতেন। এখন এটা তৃণমূলের সঙ্গে বেইমানি করা আর কুৎসা করার পারিশ্রমিক।
দলবদল করে, কৃতজ্ঞতার মোড়ক খুলে, ভাড়া করা নোটাঙ্কির পুরস্কার।” যদিও ট্যুইটে মিঠুন চক্রবর্তীর নাম নেননি কুণালকে।২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি-তে যোগ দিয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন। গা গরম করা ছবির সংলাপ আউড়ে উত্তেজিত করেছিলেন বিজেপি-কে। কিন্তু ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি হেরে যাওয়ার পর বঙ্গ রাজনীতি থেকে কার্যত গায়েব হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। পরে মাঝেমধ্যেই অবশ্য রাজ্যে এসে দলের হয়ে কিছু কর্মসূচি পালন করেছেন। একইসঙ্গে বাংলা ছবিতেও কাজ করে চলেছেন। লোকসভা ভোটের আগে যে ফের পুরোদমে মাঠে নেমে পড়বেন তিনি, তা প্রায় নিশ্চিত।মাঝে তিনি বলেছেন, বিজেপি-র সাধারণ কর্মী হিসেবেই কাজ করবেন। দল যে নির্দেশ দেবে, যে দায়িত্ব দেবে পালন করবেন নিষ্ঠা ভরে। তাঁকে কী দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা যদিও খোলসা করেননি মিঠুন। তবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে যে তাঁকে ব্যবহার করা হবে আগামী দিনে, সেই ইঙ্গিত মিলেছে বঙ্গ বিজেপি সূত্রেই।
বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই NEWS UAP পেজ এর ওয়েবসাইটে।
