ভাইরাস সংক্রমণ আটাকানোর জন্য একমাত্র উপলব্ধ ‘অ্যান্টিভাইরাল’ চিকিত্সা এবং এটি একটি কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। জর্জ বলেছেন, “পরবর্তী পদক্ষেপগুলি বিশেষজ্ঞ কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।”মস্তিষ্কের ক্ষতিকারক ভাইরাস সংক্রমণের কারণে কোঝিকোড় জেলায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর ৩ জন সংক্রমিত হয়েছে। বুধবার রাজ্যে ২৪ বছর বয়সী এক স্বাস্থ্যকর্মী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ নিপাহ ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে কেরল সরকার কোঝিকোড়ে স্কুল ও কলেজের ছুটি ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। দু’দিন আগে কেরলে প্রাণঘাতী ভাইরাসের কারণে দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল। নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে, কোঝিকোড় জেলার অঙ্গনওয়াড়ি, মাদ্রাসা, টিউশন সেন্টার এবং প্রফেশানাল কলেজ সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।কেরল সরকার জানিয়েছে যে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ‘মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি’ রাজ্যে পৌঁছেছে।
কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ বলেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান সচিব এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মধ্যে একটি বৈঠক হয়েছিল এবং এই পর্যন্ত কিছু পরিমাণ অ্যান্টিবডি এসে পৌঁছেছে৷তবে এতে কী হবে এখনও তা জানা সম্ভব নয়৷ তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন যে কার্যকারিতা এখনও ক্লিনিক্যালি প্রমাণিত হয়নি, তবে এটি নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ আটাকানোর জন্য একমাত্র উপলব্ধ ‘অ্যান্টিভাইরাল’ চিকিত্সা এবং এটি একটি কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। জর্জ বলেছেন, “পরবর্তী পদক্ষেপগুলি বিশেষজ্ঞ কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।”মস্তিষ্কের ক্ষতিকারক ভাইরাস সংক্রমণের কারণে কোঝিকোড় জেলায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর ৩ জন সংক্রমিত হয়েছে। বুধবার রাজ্যে ২৪ বছর বয়সী এক স্বাস্থ্যকর্মী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এটি কেরলে সংক্রমণের পঞ্চম ঘটনা। তিনজন আক্রান্ত ব্যক্তি চিকিৎসাধীন রয়েছে, যার মধ্যে নয় বছরের এক শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।এদিকে একদিন আগে মন্ত্রী কেরল বিধানসভায় আশ্বস্ত করে বলেছিলেন যে কোঝিকোড় জেলায় নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের জন্য লোকেদের আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই, তবে তাদের দৈনন্দিন রুটিনে সতর্ক হওয়া উচিত।
বিধানসভায় এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। “একসঙ্গে আমরা এই সমস্যাটি সমাধানে মোকাবিলা করতে পারি।”কেরল সরকার জানিয়েছে যে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ‘মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি’ রাজ্যে পৌঁছেছে।কেরল সরকার জানিয়েছে যে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ‘মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি’ রাজ্যে পৌঁছেছে। কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ বলেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান সচিব এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মধ্যে একটি বৈঠক হয়েছিল এবং এই পর্যন্ত কিছু পরিমাণ অ্যান্টিবডি এসে পৌঁছেছে৷নিতবে এতে কী হবে এখনও তা জানা সম্ভব নয়৷
তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন যে কার্যকারিতা এখনও ক্লিনিক্যালি প্রমাণিত হয়নি, তবে এটি নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ আটাকানোর জন্য একমাত্র উপলব্ধ ‘অ্যান্টিভাইরাল’ চিকিত্সা এবং এটি একটি কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ কমিটির সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। জর্জ বলেছেন, “পরবর্তী পদক্ষেপগুলি বিশেষজ্ঞ কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।”পাহ ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে কেরল সরকার কোঝিকোড়ে স্কুল ও কলেজের ছুটি 16 সেপ্টেম্বর অব্দি।কেরালায় নিপা ভাইরাসে আরও একজনের আক্রান্তের খোঁজ মিললএর ফলে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল বৃদ্ধি পেয়েছে আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা মানুষের সংখ্যাও কেরালায় নিপা ভাইরাসে আরও একজনের আক্রান্তের খোঁজ মিলল।
এর ফলে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫। বৃদ্ধি পেয়েছে আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা মানুষের সংখ্যাও। সংস্পর্শে আসা ৭০৬ জনের নিপা ভাইরাসে আক্রান্তের সম্ভাবনায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। কেরালায় নতুন করে নিপা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর নিশ্চিত করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ। ২৪ বছরের ওই স্বাস্থ্যকর্মী বর্তমানে কোঝিকোড়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানিয়েছেন তিনি।
১৩ জনের বেশি রোগী জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। তাদের মাথাব্যথার মতো লক্ষণ রয়েছে। তাদের রাখা হয়েছে কড়া পর্যবেক্ষণে।প্রসঙ্গত, এর আগে কোঝিকোড়ে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রর। তিন শিশু সহ চারজন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি বলে জানানো হয়। নতুন করে আরও একজনের শরীরে নিপা ভাইরাস মেলায়, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫।আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছে, এমন ৭০৬ জনকে চিহ্নিত করা গেছে বলে জানিয়েছেন কেরালা স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এর মধ্যে ৭৭ জন উচ্চ-ঝুঁকি বিভাগের। এদের নিপাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি বলে জানান তিনি। তাদরে বাড়িতে থাকার জন্য দেওয়া হয়েছে পরামর্শ। তালিকায় রয়েছেন ১৫৩ জন স্বাস্থ্যকর্মী-ও। তবে, সন্দেহভাজনদের কারোর নিপা উপসর্গ নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ।
নিপা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে কেরালা সরকার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৯টি কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে। যে সমস্ত এলাকায় নিপা সংক্রমণ ধরা পড়েছে, সেখানে সমস্ত ধরনের জমায়েতের উপর জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এখনও পর্যন্ত কোঝিকোড়ের ৫০টির বেশি ওয়ার্ডকে ঘোষণা করা হয়েছে কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে। এই ওয়ার্ডগুলির মানুষজনকে অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্য ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার জন্য সরকারের তরফে করা হয়েছে আবদেন।
আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তিদের সাহায্য করার জন্য সরকারি তরফে নেওয়া হয়েছে ব্যবস্থাও কন্টেনমেন্ট জোন এলাকায় সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পিনারাই বিজয়ন সরকার। পরিবর্তে অনলাইন ক্লাসের উপর জোর দিয়েছেন কেরালার শিক্ষামন্ত্রী ভি শিভানকুট্টি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে দেওয়া হয়েছে বলে জানান। উল্লেখ্য, নিপা ভাইরাস বাদুড়ের থেকে এটি ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় শূকর থেকেও এই ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে। এই ভাইরাসে আক্রান্তদের জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথার লক্ষণ দেখা যায়। সেই সঙ্গে থাকে সর্দি-কাশি এবং বমিবমি ভাবও। অনেক সময় তীব্র জ্বরের জন্য খিঁচুনির মতো উপসর্গ দেখা যায়। এর ফলে আক্রান্ত অনেক সময় কোমায় চলে যেতে পারেন।
