শিক্ষক, সাংবাদিক, অভিনেতা ও সমাজসেবক | এক অনন্য প্রতিভার গল্প
একাধারে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক, সাংবাদিক, উপস্থাপক, টিভি ও রেডিও ভাষ্যকার, শিক্ষা প্রশিক্ষক, প্রেরণাদায়ক বক্তা, চলচ্চিত্র অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সমাজকর্মী। তাঁর প্রতিটি কাজের মধ্যে ঝলমল করে মানবিকতার আলোকরেখা।
নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, শিলিগুড়ি, ২৮শে অক্টোবর ২০২৫:
উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের অমর উক্তি— “কেউ কেউ মহান হয়ে জন্মায়, কেউ কেউ মহানতা অর্জন করে, আর কারও উপর মহানতা চাপিয়ে দেওয়া হয়।”
এই উক্তিটি যেন বাস্তবে প্রতিফলিত হয়েছে শিলিগুড়ির বহুমুখী ও বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব পরাগ বিশ্বাসের জীবনে।
গত দুই দশকে তাঁর প্রতিভা, কর্মনিষ্ঠা ও সমাজসেবার মাধ্যমে তিনি শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, সমগ্র ভারতের এক উজ্জ্বল নাম হয়ে উঠেছেন।

পরাগ বিশ্বাস একাধারে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক, সাংবাদিক, উপস্থাপক, টিভি ও রেডিও ভাষ্যকার, শিক্ষা প্রশিক্ষক, প্রেরণাদায়ক বক্তা, চলচ্চিত্র অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সমাজকর্মী। তাঁর প্রতিটি কাজের মধ্যে ঝলমল করে মানবিকতার আলোকরেখা।
ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার এক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ পরিবারে জন্ম তাঁর। মা প্রয়াত কল্পনা বিশ্বাস, ছিলেন সাহেবগঞ্জ কলেজ ও সাহেবগঞ্জ মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক। পরিবারে অধিকাংশ সদস্যই শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন, তাই ছোটবেলা থেকেই শিক্ষা ও সংস্কৃতির আবহে বড় হয়েছেন পরাগ।
১৯৮৩ সালে সাহেবগঞ্জ সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে আইসিএসই পাশ করেন তিনি। পরবর্তীতে ১৯৮৯ ও ১৯৯২ সালে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক কলেজ থেকে ইংরেজিতে এইচ.এস. ও বি.এ. অনার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২০০৪ সালে শিলিগুড়ি বি.এড কলেজ থেকে ডিস্টিংশনসহ বি.এড পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্রিয় রয়েছেন পরাগ বিশ্বাস। তাঁর অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে ৩০০টিরও বেশি পুরস্কার ও সম্মাননা — যা নিজেই তাঁর নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের প্রমাণ।
পরাগ বিশ্বাসের মতে, “জীবনে সাফল্যের মূলমন্ত্র হলো সঠিক দিকনির্দেশনা ও অভিভাবকত্ব। যদি জীবনে একজন ভালো শিক্ষক বা বাবা-মা থাকে, তাহলে আলাদা করে কোনও প্রেরণাদায়ক গুরুর প্রয়োজন নেই। তারাই তোমার প্রকৃত পথপ্রদর্শক।”
আজ তিনি কেবল একজন শিক্ষক নন, এক প্রেরণা— যিনি দেখিয়েছেন, মহানতা আসে কর্মে, নিষ্ঠায় ও মানবিকতায়।
