২০২৪ সাল থেকেই এ সংক্রান্ত বদল কার্যকর হবে জানিয়ে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ওই সময় থেকেই চালু হবে নতুন পাঠ্যপুস্তক।কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে, বছরে দু’বার পরীক্ষা হলে পড়ুয়াদের প্রস্তুতি ভাল হবে বলেই এনসিএফের খসড়়া সুপারিশে বলা হয়েছিল।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ শিক্ষা মন্ত্রকের নয়া নির্দেশিকা জানাচ্ছে, পরীক্ষার্থীদের সিবিএসই এবং আইসিএসই বোর্ডের পরীক্ষা বছরে দু’বার দিতে হবে। কোনও পরীক্ষার্থী যে পরীক্ষাটিতে বেশি নম্বর পাবে, সেটি অনুযায়ী তাকে শংসাপত্র দেওয়া হবে।
একাদশ-দ্বাদশের পড়ুয়াদের এ বার থেকে বাধ্যতামূলক ভাবে অন্তত একটি ভারতীয় ভাষা-সহ দু’টি ভাষা পড়তে হবে বলেও শিক্ষা মন্ত্রকের নয়া নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। ২০২৪ সাল থেকেই এ সংক্রান্ত বদল কার্যকর হবে জানিয়ে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ওই সময় থেকেই চালু হবে নতুন পাঠ্যপুস্তক।কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে, বছরে দু’বার পরীক্ষা হলে পড়ুয়াদের প্রস্তুতি ভাল হবে বলেই এনসিএফের খসড়়া সুপারিশে বলা হয়েছিল।
২০২২ সালে জাতীয় এবং রাজ্যস্তরে একাদশ-দ্বাদশের পাঠক্রম সংক্রান্ত সমীক্ষা হয়েছিল। সেই সমীক্ষার ফল পর্যালোচনা করেই এনসিএফের খসড়়ায় বদলের বিভিন্ন সুপারিশ ছিল। তার মূল উদ্দেশ্য হল, মুখস্থ-নির্ভরতার পরিবর্তে পরীক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের উপলব্ধি এবং দক্ষতা অর্জনকে প্রাধান্য দেওয়া। এই লক্ষ্যেই কলা এবং বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়াদের ইচ্ছা মতো বিষয় বেছে নেওয়ার স্বাধীনতাও দেওয়া হয়েছে নয়া নির্দেশিকা।একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির কেন্দ্রীয় বোর্ডের পাঠক্রমে বেশ কিছু বদল আনল নরেন্দ্র মোদী সরকার।
কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের নয়া নির্দেশিকা জানাচ্ছে, সিবিএসই এবং আইসিএসই বোর্ডের পরীক্ষা এ বার থেকে বছরে দু’বার হবে। বদল করা হয়েছে একাদশ-দ্বাদশের আরও কিছু নিয়ম। ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির অনুসরণ করে তৈরি জাতীয় পাঠক্রম পরিকাঠামো (ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক বা এনসিএফ) অনুযায়ী এই পদক্ষেপ বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছেন।
