মিলছে না শিক্ষক নিয়োগের ‘ফাইল’

পরবর্তী সময় সিবিআই জানতে পারে ওই ফাইলগুলো শিক্ষা দফতর থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে। তা নিয়ে পুলিশেও অভিযোগ দায়ের করেছিল শিক্ষা দফতর। তদন্তের স্বার্থে শিক্ষা দফতর থেকে বিভিন্ন সময় নথি, ফাইল চাওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। শিক্ষা দফতরের তরফে সেগুলো দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে।সিবিআই সূত্রে দাবি, শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেই সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ ফাইলগুলো

নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই। তদন্তে কি পেয়েছে সিবিআই, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য কতখানি মিলেছে? চিঠি দিয়ে নথি চেয়েছে ইডি।ইতিমধ্যে কিছু নথি পাঠানো হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। বাকি কিছু নথি পাঠানো হবে। সেই নথি থেকেই মানি লন্ডারিং বা আর্থিক লেনদেনের অংশ যাচাই করেই তদন্ত এগোবে ইডি।এসএসসির শিক্ষক ও গ্রুপ সি-ডি এর নিয়োগে যে দুর্নীতি হয়েছে, তদন্ত করতে গিয়ে যাদের গ্রেফতার করেছে সিবিআই, তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছিল ইডির তরফে।

তাদের আর্থিক লেনদেন, এজেন্টদের মাধ্যমে যে লেনদেন হয়েছে, তা নিয়েই তদন্ত এগোতে চাইছে ইডি।এবার এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে গতি বাড়াতে তৎপর ইডি। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের মাঝেই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই-কে চিঠির ইডির। চিঠি দিয়ে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত নথি সিবিআইয়ের কাছে চেয়ে পাঠানো হয়েছে ইডির তরফেবার বার চেয়েও মিলছে না শিক্ষক নিয়োগের ‘ফাইল’! সিবিআইয়ের বিস্ফোরক অভিযোগ, এবার কি আদালতে?এই রিপোর্টের আগে ওই ফাইল গুরুত্বপূর্ণ। তাই চেয়ে পাঠানো হয় ফাইল। কিন্তু এখনও সেই ফাইল পাঠানো হয়নি শিক্ষা দফতরের তরফে বলে দাবি করছে সিবিআই। যদি এই ফাইল হাতে না আসে, তাহলে প্রয়োজনে আদালতে জানানো হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর।শিক্ষক নিয়োগের ‘সিদ্ধান্ত’ সম্পর্কিত ফাইল এখনও অধরা।

গুরুত্বপূর্ণ ফাইল চেয়েও পাচ্ছে না সিবিআই। সূত্রের দাবি, শিক্ষা দফতরের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল চেয়ে চিঠি দিয়েছে সিবিআই। সেই ফাইল এখনও হাতে আসেনি বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গত ১৫ দিন আগেও বেশ কয়েকটি ফাইল চেয়ে পাঠানো হয় শিক্ষা দফতর ও এসএসসির কাছে।সিবিআই সূত্রে খবর, ওই কয়েকটি ফাইলে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত নথি রয়েছে। যে ফাইলগুলো এসএসসি, শিক্ষা দফতরের একাধিক কর্তার টেবিলে গিয়েছিল। ওই ফাইল গিয়েছিল খোদ শিক্ষামন্ত্রীর টেবিলেও।

এই রিপোর্টের আগে ওই ফাইল গুরুত্বপূর্ণ। তাই চেয়ে পাঠানো হয় ফাইল। কিন্তু এখনও সেই ফাইল পাঠানো হয়নি শিক্ষা দফতরের তরফে বলে দাবি করছে সিবিআই। যদি এই ফাইল হাতে না আসে, তাহলে প্রয়োজনে আদালতে জানানো হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর।প্রসঙ্গত, এর আগেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল চেয়ে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তী সময় সিবিআই জানতে পারে ওই ফাইলগুলো শিক্ষা দফতর থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে। তা নিয়ে পুলিশেও অভিযোগ দায়ের করেছিল শিক্ষা দফতর। তদন্তের স্বার্থে শিক্ষা দফতর থেকে বিভিন্ন সময় নথি, ফাইল চাওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। শিক্ষা দফতরের তরফে সেগুলো দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে।সিবিআই সূত্রে দাবি, শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেই সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ ফাইলগুলো তদন্তের স্বার্থে এখন প্রয়োজন তদন্তকারীদের। তদন্ত নিয়ে আগামী ৯ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টে কম্প্রিহেন্সিভ রিপোর্ট জমা দেবে সিবিআই।

বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই   NEWS UAP  পেজ এর ওয়েবসাইটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *