নিশিগঞ্জে আলু বোঝাই ট্রলি আটকে ‘জরিমানা
যদিও হয়রানির অভিযোগ অস্বীকার করেছে মাথাভাঙ্গা আঞ্চলিক পরিবহন দপ্তর। আধিকারিক দেবীপ্রসাদ শর্মা জানান, এটি কোনো বিশেষ অভিযান নয়। পথ নিরাপত্তার খাতিরে নিয়ম মেনে যানবাহনের রুটিন চেকিং করা হচ্ছে। ট্রলি চালকদের কাছে বৈধ কাগজপত্র থাকলে ভয়ের কিছু নেই।
১১ই মার্চ,২০২৬ :-নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্ক,নিশিগঞ্জ: – বিক্ষোভে সামিল ট্রাক্টর-ট্রলি চালকদের দাবি, বর্তমানে আলুর মরশুমে দিনরাত এক করে চাষিরা হিমঘরে আলু মজুত করছেন। এই সময় পরিবহন দপ্তর (RTO Fine) হঠাৎ করে রাস্তায় আলুর ট্রলি আটকে নথিপত্র পরীক্ষার নামে হাজার হাজার টাকা জরিমানা করছে। চালকদের একাংশের অভিযোগ, হয়রান করার উদ্দেশ্যেই এই কড়াকড়ি করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদে এদিন দুপুরে তাঁরা হিমঘরের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং কাজ বন্ধ করে দেন।আলুর মরশুমে পরিবহন দপ্তরের কড়াকড়িতে উত্তপ্ত কোচবিহারের নিশিগঞ্জ (Nishiganj)।
বৃহস্পতিবার নিশিগঞ্জের একটি হিমঘরের সামনে আলু পরিবহনকারী ট্রলি আটকে বিপুল টাকা জরিমানার অভিযোগে বিক্ষোভ দেখালেন কৃষক ও ট্রাক্টর চালকরা (Potato Farmer Protest)। এই ঘটনার প্রতিবাদে কয়েকশো আলুবোঝাই ট্রলি থেকে মাল খালি করা বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার ফলে মাথাভাঙ্গা-কোচবিহার রাজ্য সড়কে দীর্ঘক্ষণ যানজট তৈরি হয়।
যদিও হয়রানির অভিযোগ অস্বীকার করেছে মাথাভাঙ্গা আঞ্চলিক পরিবহন দপ্তর। আধিকারিক দেবীপ্রসাদ শর্মা জানান, এটি কোনো বিশেষ অভিযান নয়। পথ নিরাপত্তার খাতিরে নিয়ম মেনে যানবাহনের রুটিন চেকিং করা হচ্ছে। ট্রলি চালকদের কাছে বৈধ কাগজপত্র থাকলে ভয়ের কিছু নেই।
আলুবোঝাই ট্রাক্টরের লাইন রাজ্য সড়কের ওপর দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় সাধারণ যাত্রীরা চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নিশিগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ। পুলিশ আধিকারিকরা কৃষক ও বিক্ষোভকারী চালকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশের আশ্বাসে দীর্ঘ সময় পর পুনরায় হিমঘরে আলু নামানোর কাজ শুরু হলে যানজটমুক্ত হয় রাজ্য সড়ক।
