নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ সোশাল মিডিয়ায় শুভেন্দু-কুণালের বাক যুদ্ধ চলছেই। তবে বিষয়টিকে অনেকে ডিজিটাল যুদ্ধও বলছেন। পঞ্চায়েত ভোটের সাফল্য নিয়েই জোর লড়াই দু’পক্ষের। শনিবার সকালে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ট্যুইট করেন, ‘এমনিতেই আগস্ট মাস বিপ্লবের মাস। তার ওপর যখন মেদিনীপুরের নাম আসে তাহলে তো সোনায় সোহাগা’।বিজেপি নেতা শুভেন্দুর মতে, ‘পূর্ব মেদিনীপুর হল ‘পরিবর্তনে’র পীঠস্থান। ১৯৪২ সালের ১৭ ডিসেম্বর তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার থেকে ২০২১ সালে নন্দীগ্রাম বিধানসভার ফলাফল, সবেতেই মেদিনীপুর পথ দেখিয়েছে।
পূর্ব মেদিনীপুরের জনগণ যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির উন্নয়ন ও সুশাসনের রথে চেপেছে। এই রথ সঠিক পথেই এগোবে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ৬৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতে সরাসরি ভারতীয় জনতা পার্টির প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচিত হয়েছে। বাকি ১৪টি পঞ্চায়েতে আমাদের সম মনোভাবাপন্ন মেম্বারদের সমর্থনে বোর্ড গঠিত হয়েছে। সকল পূর্ব মেদিনীপুরের জনগণের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতে নবনির্বাচিত সকল সদস্য, সদস্যা, ভারতীয় জনতা পার্টির সকল কর্মী, সমর্থক, কার্যকর্তা ও নেতৃত্বদের গৈরিক অভিনন্দন জানাই। নতুন ভোরের সূচনা হয়েছে’ আর প্রাক্তন সতীর্থের এহেন পোস্টের উত্তর দিতে গিয়ে সে-ই ট্যুইটারের ওয়ালকেই বেছে নিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।
তিনি পাল্টা পোস্ট করে লিখেছেন, ‘ওওওওও শুভেন্দু, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ তৃণমূল বিপুলভাবে জিতেছে। নন্দীগ্রামে ভোটের হিসেবে 10,457 ভোটে এগিয়ে। স্থানীয়ভাবে বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস হাত মিলিয়ে কিছু বিচ্ছিন্ন আসন পেয়েছে। কোথাও আমাদের কিছু ভুলও ছিল। তাতে জেলায় তোমার ব্যর্থতা ঢাকা পড়ছে না। এত লিখতে হচ্ছে, কারণ নন্দীগ্রাম বিধানসভায় 10,457 ভোটে বিজেপির থেকে এগিয়ে আছে। তাই নিজের মুখরক্ষায় কথার জাগলারি চলছে শুভেন্দুর’।সব মিলিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর বিশেষ করে নন্দীগ্রাম নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লড়াই জারি দুই যুযুধানের।পূর্ব মেদিনীপুর বিশেষ করে নন্দীগ্রাম নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লড়াই জারি দুই শুভেন্দু অধিকারী এবং কুণাল ঘোষের
