গরু পাচার মামলায় তিহাড় জেলবন্দি বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গত এক বছর চার দেওয়ালের মধ্যেই দিন কাটছে বীরভূমের দাপুটে নেতার।এর আগে একাধিকবার অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ১১কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানায় দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডি। আর এ বার জানা যাচ্ছে সেই বাজেয়াপ্ত করা ১১ কোটির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রথমে এ রাজ্যে থাকলেও বর্তমানে বাংলা ছাড়িয়ে কেষ্ট মণ্ডলের ঠিকানা হয়েছে দিল্লির তিহাড় জেল। একই জেলে বন্দি রয়েছেন মেয়ে সুকন্যাও। এবার অনুব্রত ও তাঁর পরিবারের থেকে বাজেয়াপ্ত টাকার বিপুল অঙ্ক প্রকাশ্যে আনল দুই গোয়েন্দা সংস্থা। গরু পাচার মামলায় তিহাড় জেলবন্দি বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গত এক বছর চার দেওয়ালের মধ্যেই দিন কাটছে বীরভূমের দাপুটে নেতার।এর আগে একাধিকবার অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ১১কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানায় দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডি। আর এ বার জানা যাচ্ছে সেই বাজেয়াপ্ত করা ১১ কোটির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউয়ে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তুলে ধরেছে তদন্তকারী সংস্থাদুটি।সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) যৌথভাবে কোটি কোটি টাকার গরু পাচার মামলায় জেলবন্দি তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন ১১ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার হিসাব পেশ করেছে আদালতে।সূত্রের খবর, দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সি রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তাদের নিজ নিজ হিসাব জমা দিয়েছে। তবে একইসঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, যে ১১ কোটি টাকার সম্পত্তির হিসাব আদালতে জমা পড়েছে যদি তার বাজারদর ধরা যায় তবে ওই বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মূল্য হতে পারে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি টাকা।
এদিন আদালতে বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির হিসাবের পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সেহগাল হোসেন এবং কেষ্ট ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীর বয়ানের প্রতিলিপিও আদালতে জমা করা হয়েছে।দুর্গাপুজোর মরশুমে জেলেই কাটাতে হবে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে। এই পরিস্থিতিতে এবার পুজোতে তিহাড়েই থাকতে হবে সুকন্যাকে।গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডল গত কয়েকমাস যাবৎ তিহাড় জেলে বন্দি। বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে বার বার জামিনের আবেদন জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। একের পর এক তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। এদিকে একই জেলে বন্দি আছেন অনুব্রত কন্যা সুকন্যাও।
পুজোর মুখে সুকন্যার জন্য এবার খারাপ খবর। এক দুই মাস নয়, টানা চারমাস পিছিয়ে গেল শুনানি। সূত্রের খবর, ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। যার ফলে কার্যত দুর্গাপুজোর মরশুমে জেলেই কাটাতে হবে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে। এই পরিস্থিতিতে এবার পুজোতে তিহাড়েই থাকতে হবে সুকন্যাকে।দিল্লি হাইকোর্টে সুকন্যার জামিনের আবেদন আপাতত পিছিয়ে গিয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ এবছর আর জামিনের আবেদন না হওয়ার সম্ভাবনা। সামনের বছর জামিনের আবেদন হতে সেক্ষেত্রে বীরভূমে ফিরে পুজো দেখার আশায় কার্যত জল পড়ে গেল।
প্রসঙ্গত পুজো কাটাতে হবে তিহাড়েই।এই আদালতেই জামিনের জন্য আবেদন করেছেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু তিনি কি পুজোর সময় বের হতে পারবেন? এনিয়ে এখনও কোনও নিশ্চয়তা মেলেনি। সেপ্টেম্বরের শেষদিকে সেই মামলার শুনানি হবে। তারপরই বোঝা যাবে তিনি আদৌ পুজোর সময় জেল থেকে বের হতে পারবেন কি না। প্রসঙ্গত দিল্লি হাইকোর্টে সুকন্যার জামিনের আবেদন আপাতত পিছিয়ে গিয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ এবছর আর জামিনের আবেদন না হওয়ার সম্ভাবনা। সামনের বছর জামিনের আবেদন হতে পারে। সেক্ষেত্রে বীরভূমে ফিরে পুজো দেখার আশায় কার্যত জল পড়ে গেল। পুজো কাটাতে হবে তিহাড়েই।
