খুব শীঘ্রই তা দেওয়া হবে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে ডেঙ্গি সংক্রমণ নিয়ে সঠিক ও যথাযথ ডেটা এন্ট্রি করতে হবে। ডেঙ্গি নিয়ে বিভিন্ন জেলাগুলির সঙ্গে বৈঠকে পাঁচ দফা নির্দেশ নবান্নের।চলতি সপ্তাহেই ডেঙ্গি সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নবান্ন।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ বিদেশ সফর থেকে ফিরে আসার পরই মুখ্যসচিবকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবারই রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক, স্বাস্থ্য ভবনের কর্তা ও আধিকারিকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। ডেঙ্গি আটকাতে কড়া বার্তা নবান্নের বিভিন্ন জেলাগুলিকে।
বৈঠকের পর মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর নির্দেশ, যে সমস্ত মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়ছে সেই সব জেলার জেলাশাসকদের, মিউনিসিপ্যালিটি এলাকার কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকেও যুক্ত করতে হবে ডেঙ্গি সংক্রমণ আটকানোর জন্য।
কমিশনার অফ পুলিশ এবং পুলিশ সুপারদের জমা জল বের করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে।গ্রামাঞ্চলের পঞ্চায়েতগুলির জন্য মাইক্রোপ্ল্যান তৈরি করবে ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য। রোগীদের কীভাবে চিকিৎসা হবে তার জন্য এসওপি তৈরি করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই তা দেওয়া হবে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে ডেঙ্গি সংক্রমণ নিয়ে সঠিক ও যথাযথ ডেটা এন্ট্রি করতে হবে। ডেঙ্গি নিয়ে বিভিন্ন জেলাগুলির সঙ্গে বৈঠকে পাঁচ দফা নির্দেশ নবান্নের।চলতি সপ্তাহেই ডেঙ্গি সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নবান্ন। মিউনিসিপ্যালিটি এলাকার পর এবার গ্রামাঞ্চলেও ডেঙ্গি ছড়িয়ে পড়তে পারে তেমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ এই দিনের বৈঠকে মুখ্য সচিবের। তাই গ্রাম-গঞ্জের বাজার, হাটগুলি পরিষ্কার করার প্রতি বিশেষ জোর দেওয়ার নির্দেশ নবান্নের। তিনি বলেছেন, ‘আপনারা কাজ করুন,বাজারে বাজারে ঘুরুন জমা জল দেখলেই প্রয়োজন হলে আইন মাফিক পদক্ষেপ করতে হবে।’
পড়ুয়াদের ইংরেজির ক্লাস নেওয়ার পাশাপাশি অঙ্কের প্রতিও তাঁর সমান টান রয়েছে। মাঝে মধ্যে পড়ুয়াদের অঙ্কও করান তিনি। এছাড়া প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্যও পড়ুয়াদের প্রস্তুত করতে বিভিন্ন টিপস দিয়ে থাকেন রামনগর হাই মাদ্রাসার ওই শিক্ষক। জানাচ্ছেন, তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনায় ইংরেজির পাশাপাশি অর্থনীতি নিয়েও পড়াশোনা করেছেন। বিএড, এমএড-এও অঙ্ক ছিল। স্কুলের সময় থেকেই অঙ্কের প্রতি আলাদা টান রয়েছে তাঁর। অঙ্কের অনেক শর্টকাট ট্রিক রপ্ত করেছেন নিজে। এবার সেই সব ট্রিকগুলিকে নিয়েই লিখে ফেলেছেন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির আস্ত একটা বই। তিন বছর ধরে এই বইটি লিখেছেন তিনি। নিজে যে অঙ্কের শর্টকাটগুলি রপ্ত করেছেন, সেগুলি এবার সব পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছে দিতে চান জিল্লার রহমান।বইটি প্রকাশিত হওয়ার পর শুরুর দিকে তিনি এই ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডের জন্য আবেদন করেননি অবশ্য।
বিষয়টি সেই সময় তাঁর মাথায় আসেনি। মাস্টারমশাইয়ের এক আত্মীয়ই তাঁকে জানান ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডের কথা। বলেন, এই বইটির জন্য ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে আবেদন করতে। সেই মতো তিনি আবেদন করেন। এরপর সম্প্রতি গত ১২ সেপ্টেম্বর তাঁর নাম জায়গা পায় ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে। পেয়েছেন একটি মেডেল ও শংসাপত্রও।ইংরেজির শিক্ষক। তবে অঙ্কেও সমান দক্ষ। আর এবার অঙ্কের বই লিখে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে নাম তুলে ফেলেছেন সেই ইংরেজির শিক্ষক। কথা হচ্ছে মুর্শিদাবাদের ডোমকলের আমিনাবাদ এলাকার বাসিন্দা জিল্লার রহমানকে নিয়ে। তিনি এখন রানিনগরের রামনগর হাই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। ইংরেজির সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। স্কুলে যাওয়া-আসা, ক্লাস নেওয়ার ফাঁকে অঙ্কের একটা বই লিখে ফেলেছেন তিনি। ইউনিভার্সাল কম্পিটিটিভ ম্যাথ। ৭১০ পাতার বই। সেই বই-এর জন্যই এবার ২০২৩ সালের ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে নাম তুলে ফেললেন রামনগর হাই মাদ্রাসার ইংরেজির শিক্ষক জিল্লার রহমান।
