কালিম্পং জেলার প্রথম পাখি গ্রাম হিসেবে পরিচিত কোলাখামকে পর্যটকের কাছে তুলে ধরতে এখানকার পাখিদের একটি তালিকা করা হবে বলে জানিয়েেছন কালিম্পংয়ের জেলা শাসক কুহুক ভূষণ। কোলাখামে অ্যাডভেঞ্চার হাবের সঙ্গে জড়িত ইয়ান রাই বলেন, ‘এখানে দেড়শোর বেশি প্রজাতির পাখি রয়েছে। এছাড়াও দুশোর উপরে পরিযায়ী পাখি এখানে আসে। পাখিপ্রেমীদের কাছে এই জায়গাকে আদর্শ করে তোলার জন্য যাতে কেউ পাখি না শিকার করে সেদিকে লক্ষ রাখা হয়।’
নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, কোচবিহার, ৬ই নভেম্বর ২০২৫ শিলিগুড়ি : লাভা থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে নেওড়াভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের মধ্যে ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম কোলাখাম। স্যাটির ট্রাগোপান, রেড-হেডেড ট্রোগন, রুফাস নেকড হর্নবিল, ক্রেস্টেড সার্পেন্ট ইগল, ব্ল্যাক বুলবুল, স্কারলেট মিনিভেট, স্ট্রেইটেড বুলবুল, ভার্ডিটার ফ্লাইক্যাচার, মাউন্টেন হক ইগল সহ আরও নানা প্রজাতির পাখির আস্তানা এই গ্রামে দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক আসেন বহুদিন ধরে। পাখিপ্রেমীদের কােছ স্বর্গরাজ্য এই গ্রামকে ‘পাখি পর্যবেক্ষণ এলাকা’ বলে ঘোষণা করেছে কালিম্পং জেলা প্রশাসন।
অতুল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের খনি কোলাখামকে ‘বার্ডস প্যারাডাইস’ বলে থাকেন পাখিপ্রেমীরা। তবে, এতদিন এই গ্রামের জন্য সরকারি তরফে সেভাবে কোনও প্রচার ছিল না। মঙ্গল ও বুধবার দু’দিন ধরে গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)-এর সহযোগিতায় হওয়া ‘কোলাখাম ফেস্টিভাল’-এ কালিম্পং জেলা প্রশাসনের তরফে এই গ্রামকে পাখি পর্যবেক্ষণের জন্য আদর্শ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। জিটিএ পর্যটন বিভাগের ফিল্ড অফিসার দাওয়া গ্যালপো শেরপা বলেন, ‘কোলাখামে বিভিন্ন রকমের পাখির আবাসস্থল রয়েছে। প্রচুর বিরল প্রজাতির পাখিও এখানে দেখা পাওয়া যায়। দেশ-বিদেশ থেকে পাখিপ্রেমী, পাখি বিশেষজ্ঞরা পাখি দেখার জন্য এখানে আসেন। অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা এই ‘পাখি গ্রাম’-এ যাতে আরও বেশি পর্যটক আসেন সেই চেষ্টা আমরা করছি। সরকারি স্বীকৃতির ফলে স্থানীয়দের কর্মস্থানও বাড়বে।’
কালিম্পং জেলার প্রথম পাখি গ্রাম হিসেবে পরিচিত কোলাখামকে পর্যটকের কাছে তুলে ধরতে এখানকার পাখিদের একটি তালিকা করা হবে বলে জানিয়েেছন কালিম্পংয়ের জেলা শাসক কুহুক ভূষণ। কোলাখামে অ্যাডভেঞ্চার হাবের সঙ্গে জড়িত ইয়ান রাই বলেন, ‘এখানে দেড়শোর বেশি প্রজাতির পাখি রয়েছে। এছাড়াও দুশোর উপরে পরিযায়ী পাখি এখানে আসে। পাখিপ্রেমীদের কাছে এই জায়গাকে আদর্শ করে তোলার জন্য যাতে কেউ পাখি না শিকার করে সেদিকে লক্ষ রাখা হয়।’
সরকারি তরফে এই স্বীকৃতির জন্য স্থানীয়রা খুশি। মার্চ ও এপ্রিল মাস পাখি পর্যবেক্ষণের আদর্শ সময় বলে স্থানীয়দের তরফে জানানো হয়েছে।
