স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বাইপাসের ওই অংশে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটে, কারণ রাস্তার পাশে যথাযথ আলোর ব্যবস্থা নেই এবং ভারী যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনও স্পিড ব্রেকারও নেই। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “আমরা বারবার প্রশাসনকে বলেছি লাইট বসানোর জন্য, কিন্তু কেউ শোনেনি।”ঘটনার পরে ট্রাকচালক পালিয়ে যায়, পুলিশ ট্রাকটি আটক করলেও চালকের খোঁজে তল্লাশি চলছে। জলপাইগুড়ি ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে এবং আগামী দিনে বাইপাস এলাকায় রাতের সময় নজরদারি বাড়ানো হবে।
📍নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, জলপাইগুড়ি, ২ নভেম্বর ২০২৫
আজ রবিবার ভোরবেলায় জলপাইগুড়ি বাইপাসের কাছে ঘটে যায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, ভোর প্রায় সাড়ে পাঁচটা নাগাদ দ্রুতগতিতে আসা এক মোটরবাইক সামনে থাকা ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খায়। ধাক্কার জেরে বাইকের আরোহী প্রায় ১৫ ফুট দূরে ছিটকে পড়ে মারাত্মকভাবে জখম হন। স্থানীয়রা ছুটে এসে আহত যুবককে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, দুর্ঘটনাগ্রস্ত যুবকের নাম সম্ভবত সঞ্জয় রায় (বয়স প্রায় ২৮), তিনি খাগড়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট না থাকায় দৃশ্যমানতা কম ছিল। তার উপর কুয়াশা থাকায় ট্রাকের ব্রেক লাইট ঠিকমতো দেখা যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বাইপাসের ওই অংশে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটে, কারণ রাস্তার পাশে যথাযথ আলোর ব্যবস্থা নেই এবং ভারী যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনও স্পিড ব্রেকারও নেই। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “আমরা বারবার প্রশাসনকে বলেছি লাইট বসানোর জন্য, কিন্তু কেউ শোনেনি।”
ঘটনার পরে ট্রাকচালক পালিয়ে যায়, পুলিশ ট্রাকটি আটক করলেও চালকের খোঁজে তল্লাশি চলছে। জলপাইগুড়ি ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে এবং আগামী দিনে বাইপাস এলাকায় রাতের সময় নজরদারি বাড়ানো হবে।
স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে দাবি তুলেছেন, ওই রাস্তায় পর্যাপ্ত আলো, ক্যামেরা ও সাইনবোর্ড বসানো হোক।
সব মিলিয়ে, আবারও প্রশ্ন উঠেছে — জলপাইগুড়ির রাস্তা কতটা নিরাপদ?
