আচমকা মেজাজ হারালেন

তমলুকের তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য যেমন বলেছেন, ‘উনি নির্বাচনে লড়তে আসার পর থেকেই খারাপ ভাষার ফোয়ারা ছোটাচ্ছেন। যদিও আমি লড়তে আসার পর থেকে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এসেছি।’ দেবাংশু সোশ্যাল হ্যান্ডেলে লেখেছেন, ‘এই অহংকার, এই ঔদ্ধত্য বেশিদিন টিকবে না… গোটা পৃথিবী অশিক্ষিত।

নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক :-একটা প্রশ্ন তৈরি করুন। একটা প্রশ্ন তৈরি করতেও শিক্ষা লাগে।’ বিরক্তির সুরে তিনি বলেন, ‘সারাক্ষণ কী বলবেন মানে? আমি কিচ্ছু বলব না।’নন্দকুমারের ভীম মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন তমলুকের বিজেপি প্রার্থী তথা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানেই মন্দির থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আচমকা মেজাজ হারালেন তিনি। মন্দিরে পুজো দিতে এসে তাঁর অনুভূতির কথা জানতে চেয়েছিল সেখানে উপস্থিত কোনও এক সাংবাদিক। তবে সাংবাদিক কী প্রশ্ন করছেন, তা বোঝার ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হয় বিজেপি প্রার্থীর। তাতেই কিছুটা বিরক্ত হয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘আপনারা কি ভাল করে প্রশ্নও করতে পারেন না?’ এরপর তাঁর আরও সংযোজন, ‘একটি নির্দিষ্ট বিষয় তুলুন, তার উপর প্রশ্ন করুন, তাহলে বুঝতে পারব।’নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য বামেদের অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েও এদিন প্রশ্ন করা হয়েছিল তাঁকে। সেই নিয়েও বিজেপি প্রার্থীর থেকে কোনও উত্তর মেলেনি।

সাংবাদিককে ভর্ৎসনা করে তিনি বলেন, ‘একটা প্রশ্ন তৈরি করুন। একটা প্রশ্ন তৈরি করতেও শিক্ষা লাগে।’ বিরক্তির সুরে তিনি বলেন, ‘সারাক্ষণ কী বলবেন মানে? আমি কিচ্ছু বলব না।’উল্লেখ্য, তৃণমূলের অন্যতম মহিলা নেত্রী তথা কৃষ্ণনগরের প্রার্থী মহুয়া মৈত্রও এককালে সংবাদ মাধ্যমের উদ্দেশ্য বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। মহুয়ার ‘দু পয়সার সাংবাদিক’ মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল সেই সময়ে। তবে এবার মহুয়ার দলও ভোটের মুখে এমন একটি ইস্যুকে হাতিয়ার করতে ছাড়ছে না। তমলুকের তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য যেমন বলেছেন, ‘উনি নির্বাচনে লড়তে আসার পর থেকেই খারাপ ভাষার ফোয়ারা ছোটাচ্ছেন। যদিও আমি লড়তে আসার পর থেকে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এসেছি।’ দেবাংশু সোশ্যাল হ্যান্ডেলে লেখেছেন, ‘এই অহংকার, এই ঔদ্ধত্য বেশিদিন টিকবে না… গোটা পৃথিবী অশিক্ষিত। একমাত্র শিক্ষিত ব্যক্তি হচ্ছেন উনি..!’তৃণমূল যখন বিষয়টি হাতিয়ার করার চেষ্টা করছে, তখন এই মন্তব্যকে কীভাবে ব্যাখ্যা করছে বিজেপি শিবির? বিজেপির জেলা সভাপতি তাপসী মণ্ডল অবশ্য এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। জেলা সভাপতির বক্তব্য, ‘উনি কীসের ভিত্তিতে, কী বলছেন, সেটা উনিই বলতে পারবেন।’তবে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের ব্যাখ্যা, ‘যিনি উত্তর দেবেন তাঁরও অধিকার রয়েছে প্রশ্নকর্তা কী প্রশ্ন করছেন সেটা বুঝে নেওয়ার। এর সঙ্গে ঔদ্ধত্য বা অহংকারের কোনও সম্পর্ক নেই।

আমি যে উত্তর দেব, সেই প্রশ্নটাই যদি না বুঝি, তাহলে উত্তর কেমন করে দেব! তাঁর সঙ্গে যতবার কথা বলেছি, ততবারই আমার মনে হয়েছে অভিজিৎবাবু অত্যন্ত বিনয়ী, সজ্জ্বন একজন ভদ্রলোক। তিনি মানুষের সঙ্গে খুব ভাল করেই কথা বলেন।’ রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের ব্যাখ্যা, ‘যিনি উত্তর দেবেন তাঁরও অধিকার রয়েছে প্রশ্নকর্তা কী প্রশ্ন করছেন সেটা বুঝে নেওয়ার। এর সঙ্গে ঔদ্ধত্য বা অহংকারের কোনও সম্পর্ক নেই। আমি যে উত্তর দেব, সেই প্রশ্নটাই যদি না বুঝি, তাহলে উত্তর কেমন করে দেব!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *