আগামী তিন মাসে ২৫ হাজার চারা লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় স্কুল, কলেজ, ও এনজিও-র সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন। পুরনিগম জানিয়েছে—নগরীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও বায়ু দূষণ কমাতেই এই পরিকল্পনা। মেয়র বলেন, “পরিবেশ বাঁচাতে সকল নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।
নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, ১২ নভেম্বর ২০২৫,শিলিগুড়ি: মেয়র গৌতম দেব আজ শহরে ‘সবুজ নগরী অভিযান’ উদ্বোধন করেন। বাগডোগরা থেকে সেবক রোড পর্যন্ত প্রথম দিনে প্রায় ৫০০০ চারা রোপণ করা হয়; তিন মাসে ২৫ হাজার চারা লাগানোর লক্ষ্য রাখা হয়েছে। স্কুল, কলেজ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো অংশ নেয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও জনসচেতনতা তৈরি করতে বৃক্ষরোপণ কর্মশালা পরিচালনা করা হচ্ছে। পুরনিগম সূত্রে জানা গেছে—নগরীর নিরাপদ পানি, ছায়া ও বায়ুদূষণ কমানোর লক্ষ্যেই দীর্ঘমেয়াদি গাছরোপণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। স্থানীয় পরিবেশকর্মীরা বলছেন, পরিকল্পিত রোডসাইড গাছরোপণ এবং কমিউনিটি গার্ডেন শহরের উত্তাপ কমাতে সহায়ক হবে।
শিলিগুড়ি পুরনিগমের উদ্যোগে আজ থেকে শুরু হলো “সবুজ নগরী অভিযান”। মেয়র গৌতম দেব বাগডোগরা থেকে সেবক রোড পর্যন্ত ৫০০০ চারা গাছ রোপণ করে এই প্রকল্পের সূচনা করেন। আগামী তিন মাসে ২৫ হাজার চারা লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় স্কুল, কলেজ, ও এনজিও-র সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন। পুরনিগম জানিয়েছে—নগরীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও বায়ু দূষণ কমাতেই এই পরিকল্পনা। মেয়র বলেন, “পরিবেশ বাঁচাতে সকল নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।
জলপাইগুড়িতে হাতি করিডোর প্রকল্প ঘোষণা
জলপাইগুড়ি, ১২ নভেম্বর: রাজ্য বন দফতর ও রেলওয়ের সহযোগিতায় ডুয়ার্স এলাকায় ১২ কিমি দীর্ঘ ‘হাতি করিডোর’ গঠনের ঘোষণা দিল প্রশাসন। সম্প্রতি বেড়ে থাকা ট্রেন-হাতি সংঘর্ষ রোধ করতেই করিডোর ও সেন্সরযুক্ত সিগন্যাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। করিডোরে কৃত্রিম বিচ্ছিন্নতা কমিয়ে হাতির চলাচলের সুরক্ষা নিশ্চিত করার তোড়জোড় থাকবে। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে করিডোর চিহ্নিতকরণ, স্থানীয় জমি ব্যবস্থাপনা ও স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষণ দল গঠন করা হবে। বন বিভাগ জানান—স্থানীয় কমিউনিটির সহযোগিতা ও সচেতনতা ছাড়া প্রকল্প সফল হবে না, তাই সচেতনতামূলক কর্মসূচিও থাকবে।
ডুয়ার্সে হাতি রক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য বন দফতর। গরুমারা ও চ্যাংলাবান্ধা রেললাইন ঘেঁষে তৈরি হচ্ছে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘হাতি করিডোর’। এই করিডোরে সেন্সর যুক্ত সিগন্যাল থাকবে, যা হাতির চলাচল বুঝে ট্রেনের গতি কমাবে। সাম্প্রতিক হাতি মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ ছড়ায় প্রশাসনে, তাই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ৫ কিমি এলাকা নির্ধারণ করে কাজ শুরু হবে। বন দফতর জানিয়েছে, “হাতি-মানব সংঘাত রোধে স্থানীয় মানুষকেও যুক্ত করা হবে।”
