২৫০ পুকুরে মাছ উধাও

 

  নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃধূপগুড়ি:;২৪শে অক্টোবর,২০২৫ :-

ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করে জেলা আধিকারিকদেরও রিপোর্ট পাঠানো হবে। গত ৫ অক্টোবর জলঢাকা নদীর বাঁধ ভেঙে গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে যায়। স্থানীয়রা এখনও অনেকে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়ে রয়েছেন।ধূপগুড়ির মহকুমা শাসক পুষ্পা দোলমা লেপচা বলেন, ‘ফিশারি দপ্তরের আধিকারিকরা হিসেবনিকেশ করছেন। ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে।’

 লক্ষ্মীপুজোর আগের রাতের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এলাকায় মৎস্যজীবীদের লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। কুল্লাপাড়া, বগরিবাড়ি, হোগলাপাতা এলাকা মিলিয়ে প্রায় ২৫০-এর বেশি পুকুরের মাছ ভেসে গিয়েছে। মৎস্যজীবীদের পাশাপাশি মাথায় হাত মৎস্য দপ্তরেরও। জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি মৎস্য দপ্তরের আধিকারিক দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য বলেন, ‘জলের তোড়ে পুকুর থেকে মাছ ভেসে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করে জেলা আধিকারিকদেরও রিপোর্ট পাঠানো হবে। গত ৫ অক্টোবর জলঢাকা নদীর বাঁধ ভেঙে গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে যায়। স্থানীয়রা এখনও অনেকে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়ে রয়েছেন।ধূপগুড়ির মহকুমা শাসক পুষ্পা দোলমা লেপচা বলেন, ‘ফিশারি দপ্তরের আধিকারিকরা হিসেবনিকেশ করছেন। ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে।’

তবে বাড়িঘরের খোঁজ নিতে তাঁদের বসতভিটেতে ঢুঁ মারতেই নতুন করে ক্ষয়ক্ষতির ছবি ক্রমশই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। বগরিবাড়ির বাসিন্দা কৃষ্ণ রায়ের কথায়, ‘দুই বিঘা জমিতে পুকুর ছিল। জল ঢুকে পুকুরের মাছ ভেসে চলে গিয়েছে। জাল ফেলে মাছ দেখতে গিয়ে দেখছি হাতেগোনা কয়েকটি মাছ ছাড়া কিছুই নেই। একই অবস্থা আশপাশের এলাকাতেও।’ মিন্টু রায়ের কথায়, ‘মাছ চাষ করেই সংসার চলত। বন্যায় বাড়িঘরের সঙ্গে আয়ের একমাত্র অবলম্বনও শেষ।’

এদিকে, ২৫০-এর বেশি পুকুরের গড় হিসেব ৫০ হাজার টাকা করে ধরলেও কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। যা নিয়ে এখনও হিসেব না কষায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান ধর্মনারায়ণ রায়। তিনি বলেন, ‘গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত মানুষের ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করে ব্লক ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো। কিন্তু তারা তা করছে না। রাজ্য সরকারের ত্রাণ দেওয়া দেখেই দিন কাটিয়ে দিচ্ছে।’
বিজেপি পরিচালিত গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিজয় রায় জানান, ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই হয়েছে। সেই পরিমাপ করতে একটু সময় লেগে যাবে।