ছোটখাটো ব্যর্থতার জন্য হতাশ না হয়ে তাদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করেন জলপাইগুড়ির এসপি।টুয়েলভথ ফেল’ ছেলেটি পড়াশোনার পাট চুকিয়ে বাবার সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন। গ্রাম থেকে প্রতিদিন দুধ নিয়ে বিক্রি করতে যেতেন নাসিক বাজারে। সিনেমার গল্পের নায়ক মনোজ কুমারও আটা মিলে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু নিজের ইচ্ছের জোরে নিজেই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন তিনি।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার উমেশ গণপত খণ্ড বহালের উদ্যমী লড়াই হেরে গিয়েও ফিরে আসার বার্তা দেয়। মহারাষ্ট্রের একটি ছোট্ট গ্রামের বাসিন্দা উমেশ গণপত খণ্ড বহালে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ইংরেজিতে ২১ পেয়েছিলেন। সেই কারণে তিনি উত্তীর্ণ হতে পারেননি।‘টুয়েলভথ ফেল’ ছেলেটি পড়াশোনার পাট চুকিয়ে বাবার সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন। গ্রাম থেকে প্রতিদিন দুধ নিয়ে বিক্রি করতে যেতেন নাসিক বাজারে। সিনেমার গল্পের নায়ক মনোজ কুমারও আটা মিলে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু নিজের ইচ্ছের জোরে নিজেই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন তিনি। দু’বছরের মাথায় দুধ বিক্রি, চাষাবাদ ছেড়ে ঘুরে দাঁড়ান উমেশ গণপত। মহারাষ্ট্র মুক্ত বিদ্যালয় থেকে ধাপে ধাপে দ্বাদশ শ্রেণি, কলেজ পেরিয়ে সোজা সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন।
আর তাতে উত্তীর্ণ হয়ে আইপিএস হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি আজ জলপাইগুড়ি পুলিশের এসপি-র দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।‘টুয়েলভথ ফেল’ ছেলেটি পড়াশোনার পাট চুকিয়ে বাবার সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন। গ্রাম থেকে প্রতিদিন দুধ নিয়ে বিক্রি করতে যেতেন নাসিক বাজারে। সিনেমার গল্পের নায়ক মনোজ কুমারও আটা মিলে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু নিজের ইচ্ছের জোরে নিজেই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন তিনি। দু’বছরের মাথায় দুধ বিক্রি, চাষাবাদ ছেড়ে ঘুরে দাঁড়ান উমেশ গণপত। মহারাষ্ট্র মুক্ত বিদ্যালয় থেকে ধাপে ধাপে দ্বাদশ শ্রেণি, কলেজ পেরিয়ে সোজা সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। আর তাতে উত্তীর্ণ হয়ে আইপিএস হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি আজ জলপাইগুড়ি পুলিশের এসপি-র দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।প্রশাসনিক কাজ সামলে সময় পেলেই চলে যান ছাত্রছাত্রীদের কাছে।
নিজের জীবনের ব্যর্থতা থেকে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছনোর কথা শোনান। ছোটখাটো ব্যর্থতার জন্য হতাশ না হয়ে তাদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করেন জলপাইগুড়ির এসপি।টুয়েলভথ ফেল’ ছেলেটি পড়াশোনার পাট চুকিয়ে বাবার সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন। গ্রাম থেকে প্রতিদিন দুধ নিয়ে বিক্রি করতে যেতেন নাসিক বাজারে। সিনেমার গল্পের নায়ক মনোজ কুমারও আটা মিলে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু নিজের ইচ্ছের জোরে নিজেই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন তিনি। দু’বছরের মাথায় দুধ বিক্রি, চাষাবাদ ছেড়ে ঘুরে দাঁড়ান উমেশ গণপত। মহারাষ্ট্র মুক্ত বিদ্যালয় থেকে ধাপে ধাপে দ্বাদশ শ্রেণি, কলেজ পেরিয়ে সোজা সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। আর তাতে উত্তীর্ণ হয়ে আইপিএস হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি আজ জলপাইগুড়ি পুলিশের এসপি-র দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই NEWS UAP পেজ এর ওয়েবসাইটে।
