সরকারি কর্মীর ঘাটতি, চিকিৎসকদের ভোটের ডিউটিতে টানল নির্বাচন কমিশন

এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্য মহলে। চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, ভোটের কাজে যোগ দিতে হলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এমনিতেই সরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি, তার ওপর চিকিৎসক কমে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দুর্নীতি মামলার জেরে বহু সরকারি শিক্ষক চাকরি হারিয়েছেন।

২৬শে  মার্চ,২০২৬ :-নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক,:-
রাজ্যে সরকারি কর্মীর ঘাটতির জেরে এবার ভোটের কাজে চিকিৎসকদের নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আরামবাগের প্রফুল্ল চন্দ্র সেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ৪৯ জন চিকিৎসককে ভোটের দায়িত্ব পালনের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্য মহলে। চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, ভোটের কাজে যোগ দিতে হলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এমনিতেই সরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি, তার ওপর চিকিৎসক কমে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দুর্নীতি মামলার জেরে বহু সরকারি শিক্ষক চাকরি হারিয়েছেন। ফলে রাজ্যে সরকারি কর্মীর সংখ্যা কমে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই নির্বাচন কমিশন বিকল্প হিসেবে চিকিৎসকদের ভোটের কাজে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সূত্রের খবর।
এদিকে অভিযোগ উঠেছে, কিছু চাকরিহারা শিক্ষকদেরও ভোটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, পুরনো তালিকা অনুযায়ী নাম থাকা ব্যক্তিদেরই ডাকা হয়ে থাকতে পারে।
নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনিক স্তরে একাধিক বড় রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে নতুন করে নিয়োগ করা হয়েছে, যাঁদের অধিকাংশই মহকুমাশাসক বা এসডিও পদমর্যাদার আধিকারিক।
পাশাপাশি, রাজ্যের একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদেরও বদলি করা হয়েছে। ডিজিপি, কলকাতা পুলিশের কমিশনার-সহ বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার এবং ডিআইজি পর্যায়ের আধিকারিকদেরও স্থানান্তর করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল ও নতুন সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে।