সায়নী কি ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলেদিলেন মমতা ওঅভিষেকের ছবি?

  • নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রতিবেশী দের বিস্ফোরক অভিযোগ, দুর্নীতিতে নাম জড়াতেই মমতা-অভিষেকের ছবি ছুঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেন সায়নী! একের পর এক অপবাদ জুড়ছে সায়নির  নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে রাজ্য সরকারের নামে।  তবে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার মোড় ক্রমশ আরও জটিল হচ্ছে। এই মামলাতে শুধুই যে রাজনৈতিক মহলের তাবড় তাবড় নেতা-মন্ত্রীদের নাম জড়াচ্ছে তাই নয়, টলিউডের -র নামীদামী তারকাকেও তদন্তের স্বার্থে তলব করা হচ্ছে। সম্প্রতি যেমন ইডি  -র ১১ ঘণ্টার ম্যারাথন জেরার সম্মুখীন হতে হয় সায়নী ঘোষ –কে ইতিমদ্ধেই।

টলিউডের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ । সেই সঙ্গে তিনি রাজ্য শাসক দলেও গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। তিনি হলেন তৃণমূল কংগ্রেস  -র যুব নেত্রী। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে তার কোনও আর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক ছিল কিনা তা জানতে চায় ইডি। রাজনৈতিক ময়দানে বেশ সক্রিয় সায়নী। কিন্তু এক মাস আগেই  অন্য রূপে ধরা দেন সায়নী ঘোষ ।

প্রতিবেশি পবন শর্মা সম্প্রতি সায়নী ঘোষের প্রতিবেশি পবন শর্মা বিস্ফোরক দাবী করেছেন অভিনেত্রী সম্পর্কে। তার দাবি এই বছরের জুন মাসের প্রথম দিকে সায়নী নাকি তার বাড়ি থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার বাঁধানো ছবি ডাস্টবিনে ফেলে দেন। তিনি শুধু এই কথাটি মুখেই বলেননি, এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ছবিও প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ।সংবাদ মাধ্যমের কাছে পবনবাবুর দাবি, “জুন মাসের ২ থেকে ৪ তারিখ নাগাদ আমি দেখি সায়নীর বাড়ির পরিচারক তার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁধানো ছবি ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলছেন। আমি তখন তাকে আটকাতে গেলে পরিচারক জানান, সায়নী নিজেই নাকি তাকে এই কাজ করতে বলেছেন।” ওই প্রতিবেশীর বিষয়টি  ভারী অদ্ভুত লেগেছিল সায়নীর এই আচরণ। এরপরই সায়নী ইডির তরফ থেকে হাজিরা দেওয়ার জন্য তলব পান।

সায়নীর প্রতিবেশীর অনুমান, ইডি তলব করতে পারে জানতে পেরেই সায়নী সেদিন এই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। নতুবা তিনি যে দলের কাজ করেন সেই দলের সর্বোচ্চ নেত্রীর ছবি তিনি কেন ডাস্টবিনে ফেলতে যাবেন? হয়ত তিনি আগে থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন যে তাকে যেকোনও সময় তদন্তের স্বার্থে ডাকা হতে পারে। ইডি-সিবিআই তল্লাশির মুখে পড়তে হতে পারে জেনেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন সায়নী।পবন বাবু আরও জানিয়েছেন ২০২০ সাল থেকে সায়নীর সম্পত্তি বিপুল হারে বাড়তে শুরু করে। এমনকি বিক্রমগড়ে কোটি টাকার একটি ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন তিনি। তখন নাকি সায়নীর সঙ্গে ছিলেন কুন্তল ঘোষ। এমনটাই দাবি করেছেন পবন বাবু। তাই সায়নী যে দাবী করেছেন তিনি তৃণমূলে যোগদান করার পর থেকে কুন্তলকে চেনেন তা একদম মিথ্যা, প্রতিবেশীরএমনটাই দাবি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *