জরুরি নির্দেশ জারি করল সিবিএসই

৯ এপ্রিল ২০২৬,নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্ক:- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সিবিএসই বোর্ডের আওতাভুক্ত সমস্ত স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা বা আর৩ (R3) মডেলের পঠনপাঠন চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বোর্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, এই নির্দেশ ‘জরুরি ও বাধ্যতামূলক’ এবং সার্কুলার জারির তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে তা কার্যকর করতে হবে।
বই না থাকলেও শুরু করতে হবে পাঠদান
সিবিএসই জানিয়েছে, তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক এখনও সব স্কুলে পৌঁছায়নি। তবুও স্কুলগুলিকে অবিলম্বে এই পাঠদান শুরু করতে হবে। সরকারি বই প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে উপলব্ধ বই বা শিক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করে পড়ানো চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্কুলগুলিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাষা জানাতে হবে
বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি স্কুলকে তাদের নির্বাচিত তৃতীয় ভাষা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে হবে এবং তা OASIS পোর্টালে আপলোড করতে হবে। এই পুরো প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কার্যালয়গুলির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
নবম-দশম শ্রেণিতেও প্রভাব ফেলবে এই সিদ্ধান্ত
সিবিএসই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে যে তৃতীয় ভাষা চালু করা হবে, ভবিষ্যতে নবম ও দশম শ্রেণিতে সেই ভাষাগুলিই শুধুমাত্র ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে পাওয়া যাবে।
জাতীয় শিক্ষানীতির সুপারিশের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত
এই নির্দেশিকা ২০২৩ সালের জাতীয় স্কুল শিক্ষা পাঠ্যক্রম কাঠামোর সুপারিশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। আর১, আর২ এবং আর৩ মডেলের মাধ্যমে বহুভাষিক শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আর১: স্থানীয় বা মাতৃভাষা
আর২: যেকোনও ভারতীয় ভাষা বা ইংরেজি
আর৩: অন্য একটি ভারতীয় ভাষা
লক্ষ্য কী বলছে সিবিএসই
সিবিএসই-এর মতে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া উন্নত করা এবং জাতীয় সংহতি জোরদার করা।
নতুন শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য তৃতীয় ভাষার শিক্ষা (R3) বাধ্যতামূলক করেছে Central Board of Secondary Education (CBSE). সেই নিয়ে এবার স্কুলগুলিকে বড় নির্দেশ দেওয়া হল। বলা হয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যেই তৃতীয় ভাষার শিক্ষা চালু করতে হবে। পাঠ্যবই না পাওয়া গেলেও, হাতের কাছে যা পাওয়া যায়, তা দিয়েই পঠনপাঠন শুরু করে দিতে হবে বাধ্য়তামূলক ভাবে। ( CBSE Third Language)
CBSE-র তরফে এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘বহু স্কুল ইতিমধ্যেই তৃতীয় ভাষার শিক্ষা কার্যকর করতে শুরু করে দিয়েছে। যারা এখনও করেনি, সেই সব স্কুলকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যে, এই নোটিস জারি হওয়ার পর আগামী সাত দিনের মধ্যে নিয়ম কার্যকর করতে হবে’। (CBSE Compulsory Third Language)
এই মুহূর্ত থেকে তৃতীয় ভাষার শিক্ষা চালু করতে নির্দেশ দিয়েছে CBSE. হাতের কাছে যা পাওয়া যায়, তা দিয়েই পঠনপাঠন শুরু করতে বলা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, ‘তৃতীয় ভাষার পাঠ্য়বই শীঘ্রই নাগালে চলে আসবে। তবে স্কুলগুলিকে বলা হচ্ছে, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে এখনই তৃতীয় ভাষার পঠনপাঠন শুরু করে দিতে হবে। হাতের কাছে যা বই বা অন্য কিছু পাওয়া যায়, আপাতত তা-ই ব্যবহার করা হোক’।
CBSE আরও জানিয়েছে, তৃতীয় ভাষা হিসেবে কী বেছে নেওয়া হচ্ছে, তা আনুষ্ঠানিক ভাবে জানাতে হবে স্কুলগুলিকে। OASIS পোর্টালে আপটেড করে দিতে হবে পছন্দের তৃতীয় ভাষা। তাদের কাজকর্মের উপর নজর থাকবে CBSE-র আঞ্চলিক বিভাগের।
তবে তৃতীয় ভাষা হিসেবে ‘অপশন’ সীমিত বলেই জানা যাচ্ছে। CBSE জানিয়েছে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা হিসেবে যা বেছে নেওয়া হবে, পরবর্তীতে সেগুলিই পড়ানো হবে। তৃতীয় ভাষার শিক্ষার যে কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে, তা হল-
