বাম-কংগ্রেস জোট বাজিমাত করতে পারে কি?

নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ গত ৮ অগস্ট জাতীয় নির্বাচন কমিশন বিধানসভার উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে। জাতীয় তৃণমূলের সঙ্গে জোট হলেও রাজ্যে তার কোনও প্রভাব পড়বে না৷ ইন্ডিয়া জোট গঠনের পর এমনই দাবি করেছিলেন রাজ্যের সিপিএম এবং কংগ্রেস নেতারা৷ সেই দাবিতে অনড় থেকেই এবার ধুপগুড়ির উপনির্বাচনেও জোট বেঁধে লড়ার সিদ্ধান্ত নিল বাম-কংগ্রেস৷বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপদরায়ের মৃত্যুরকারণে ধূপগুড়ি আসনটি খালি হয়েছিল। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ।প্রথম দল হিসাবে ধূপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল সিপিএম।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, ভাওয়াইয়া সঙ্গীত শিল্পী তথা সামাজিক ন্যায় বিচার মঞ্চের নেতা ঈশ্বরচন্দ্র রায়কে প্রার্থী ঘোষণা করল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। গত ৮ অগস্ট জাতীয় নির্বাচন কমিশন দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভার উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে। তার মধ্যে রয়েছে এ রাজ্যের ধূপগুড়িও। বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপদ রায়ের মৃত্যুর কারণে ধূপগুড়ি আসনটি খালি হয়েছিল। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ। ফল ঘোষণা ৮ সেপ্টেম্বর।আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ধুপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন৷ এ দিনই সিপিএমের পক্ষ থেকে এই উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করে দেওয়া হল৷ সূত্রের খবর, বাম প্রার্থীকে সমর্থন করে ধুপগুড়িতে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস৷

এ বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে বামফ্রন্ট সভাপতি বিমান বসুর আলোচনাও হয়েছে বলে খবর৷এ দিন সিপিএমের জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধুপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তাদের প্রার্থী হবেন ঈশ্বরচন্দ্র রায়৷ পেশায় শিক্ষক ঈশ্বরচন্দ্র রায় প্রায় বিয়াল্লিশ বছর ধরে দলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন৷ শিক্ষকতার পাশাপাশি ভাওয়াইয়া শিল্পী হিসেবে পরিচিতি রয়েছে তাঁর। অতীতে দু বার পঞ্চায়েত ভোটেও লড়েছেন তিনি। সিপিএম প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেও এখনও ওই কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি তৃণমূল এবং বিজেপি।

এর আগে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জোট বেঁধে লড়েছিল কংগ্রেস এবং বামেরা। সাগরদিঘিতে প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস, সমর্থন করেছিল বামফ্রন্ট। এবার ধুপগুড়িতে তার উল্টো ছবি। সাগরদিঘির মতোই ধুপগুড়িতেও বাম-কংগ্রেস জোট বাজিমাত করতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার।এ দিন সিপিএমের জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধুপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তাদের প্রার্থী হবেন ঈশ্বরচন্দ্র রায়৷ পেশায় শিক্ষক ঈশ্বরচন্দ্র রায় প্রায় বিয়াল্লিশ বছর ধরে দলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন৷ শিক্ষকতার পাশাপাশি ভাওয়াইয়া শিল্পী হিসেবে পরিচিতি রয়েছে তাঁর। অতীতে দু বার পঞ্চায়েত ভোটেও লড়েছেন তিনি। সিপিএম প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেও এখনও ওই কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি তৃণমূল এবং বিজেপি।
এর আগে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জোট বেঁধে লড়েছিল কংগ্রেস এবং বামেরা।

সাগরদিঘিতে প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস, সমর্থন করেছিল বামফ্রন্ট। এবার ধুপগুড়িতে তার উল্টো ছবি। ধূপগুড়িতে রাজবংশী ভোট বড় ফ্যাক্টর। সিপিএম প্রার্থী ঈশ্বরও রাজবংশী সম্প্রদায়ভুক্ত। কিন্তু সিপিএম-কংগ্রেস কতটা অভিঘাত তৈরি করতে পারবে, তা নিয়ে সন্ধিহান জেলার রাজনৈতিক মহল। ২০১৬ সালের ভোটেও বাম-কংগ্রেস জোট করে লড়েছিল। সে বার সিপিএমের মমতা রায় ৩৪.২৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। প্রায় ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছিলেন তৃণমূলের মিতালি রায়। কিন্তু ২০১৯-এর লোকসভা থেকেই উত্তরবঙ্গের ছবিটা পাল্টে যেতে থাকে। মালদহ দক্ষিণ বাদে মাথা তুলে সব জায়গাতেই এক নম্বর দল হয়ে ওঠে বিজেপি। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে ৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে ধূপগুড়ি জেতে গেরুয়া শিবির। ৪৩.৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন তৃণমূলের মিতালি। বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী প্রদীপকুমার রায়ের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে গিয়েছিল। তিনি পেয়েছিলেন পাঁচ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট।সাগরদিঘির মতোই ধুপগুড়িতেও বাম-কংগ্রেস জোট বাজিমাত করতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *