সবজির পাশাপাশি শস্যজাতীয় খাবার, বিনস ও ফল বেশি করে খাওয়া জরুরি। সবুজের ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে।রঙবেরঙের ফল: নানা রঙের ফল নিয়মিত ডায়েটে রাখতে পারেন। ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। অন্যদিকে এর ফাইবার শরীরের জন্য বিশেষভাবে জরুরি।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ কেমন ধরনের খাওয়াদাওয়া ক্যানসারের আশঙ্কা কমাতে পারে? এই বিষয়টিই আইএএনএস-কে বিশদে জানালেন অ্যাকশন ক্যানসার হসপিটালের চিকিৎসক প্রবীণতথ্যসূত্র: আইএএনএস। তাঁর কথায়, ক্যানসার পুরোপুরি আটকাতে পারে, এমন কোনও নির্দিষ্ট ডায়েট নেই। তবে কিছু নির্দিষ্ট খাবার আমাদের মারণরোগের আশঙ্কা কমায়। সহজে ক্যানসারের থাবা বসতে দেয় না। এই ধরনের খাবারের সপক্ষে একাধিক গবেষণায় প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড: ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মধ্যে ক্যানসার প্রতিরোধী গুণ রয়েছে।
সালমন, সার্ডিন মাছ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের সমৃ ফেদ্ধ উৎস। পাশাপাশি কাঠবাদাম, ফ্লাক্সসিডসেও রয়েছে এটি। উদ্ভিজ্জ খাবার বেশি করে খাওয়া জরুরি। এই ধরনের ডায়েটে বেশি করে পাতাযুক্ত শাকসবজি রাখতে পারেন। সবজির পাশাপাশি শস্যজাতীয় খাবার, বিনস ও ফল বেশি করে খাওয়া জরুরি। সবুজের ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে।রঙবেরঙের ফল: নানা রঙের ফল নিয়মিত ডায়েটে রাখতে পারেন। ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়।
অন্যদিকে এর ফাইবার শরীরের জন্য বিশেষভাবে জরুরি। হলুদ, লাল, কমলা রঙের কিছু ফলের মধ্যে বিটাক্যারোটিন থাকে। এটিও ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে।রেড মিট কম খান: স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মাংসকে রেড মিট বলা হয়। এটি শরীরের জন্য এমনিও উপকারী ধয়। এর মধ্যে ফাইবার থাকে না। বরং দেখা গিয়েছে, রেড মিট খাওয়া কমালে ক্যানসারের আশঙ্কা অনেকটাই কমেছে। এই ধরনের মাংসের বেশিরভাগটাই স্যাচুরেটেড ফ্যাট। যা ক্যানসারের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। মদ্যপানের ফলে শরীরে দ্রুত ডিহাইড্রেশন হয়। এতে কোশ দ্রুত ভাঙতে থাকে।
যা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। একাধিক গবেষণায় মদ খাওয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগ পাওয়া গিয়েছে ক্যানসারের। একটি নয়, বরং বেশ কয়েকটি রোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিতে পারে অ্যালকোহল। এর মধ্যে কলোরেক্টাল, ব্রেস্ট, লিভার, প্যাঙ্ক্রিয়াস ক্যানসারও রয়েছে।ক্যানসারের বড় কারণ জাঙ্ক ফুড খাওয়া, ধূমপান ও মদ্যপানের মতো অভ্যাস। এছাড়াও আমাদের রোজকার খাবারে এমন কিছু উপাদান থাকে যা আদতে কারসিনোজেন (যে পদার্থ থেকে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে)। এই ধরনের কারসিনোজেন যত আমাদের শরীরে প্রবেশ করে, ততই মারণরোগের আশঙ্কা বাড়তে থাকে। খাবারের মধ্যে এই ধরনের উপাদান থাকলে সেই বিপদ আরও বেড়ে যায়।
তথ্যসূত্র: আইএএনএস
বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই NEWS UAP পেজ এর ওয়েবসাইটে।
