বিধানসভা নির্বাচন ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে। অথচ তৃণমূল এখনও আটকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে। রবিবার জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদ হলঘরে তৃণমূলের জয় হিন্দ বাহিনীর এসআইআর সংক্রান্ত প্রতিবাদ সভায় যা নতুন করে উসকে দেন সৈকত। সভায় সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতি দেখে মহুয়া বলেন, ‘দলের ঊর্ধ্বে কেউ নন। সকলকেই দলের একনিষ্ঠ সৈনিক হয়ে নির্বাচনি লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। দলে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বরদাস্ত করা হবে না।’ দলের প্রতিটি শাখা সংগঠনের জেলা, ব্লক ও অঞ্চল কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নতুনদের পাশাপাশি পুরোনোদের জায়গা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, জলপাইগুড়ি:২৩শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ :জলপাইগুড়ি: বিধানসভা ভোটের মুখে নতুন করে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেআব্রু করে দিলেন জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। এসআইআর নিয়ে দলীয় সংগঠনের ডাকা প্রতিবাদ সভায় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘নির্বাচনের লড়াই মহুয়া গোপ বা দলের অন্য গোষ্ঠীর সঙ্গে হচ্ছে না। একথা মাথায় রেখেই দলের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।’ সৈকতের মন্তব্য অস্বীকার না করলেও, সভামঞ্চে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করলেন দলের জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ।
বিধানসভা নির্বাচন ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে। অথচ তৃণমূল এখনও আটকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে। রবিবার জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদ হলঘরে তৃণমূলের জয় হিন্দ বাহিনীর এসআইআর সংক্রান্ত প্রতিবাদ সভায় যা নতুন করে উসকে দেন সৈকত। সভায় সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতি দেখে মহুয়া বলেন, ‘দলের ঊর্ধ্বে কেউ নন। সকলকেই দলের একনিষ্ঠ সৈনিক হয়ে নির্বাচনি লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। দলে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বরদাস্ত করা হবে না।’ দলের প্রতিটি শাখা সংগঠনের জেলা, ব্লক ও অঞ্চল কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নতুনদের পাশাপাশি পুরোনোদের জায়গা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
জয় হিন্দ বাহিনীর রাজ্য সভাপতি কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে তৃণমূল ভাবছে না। এসআইআর করেও তৃণমূলকে হারাতে পারবে না বিজেপি।’ লোকসভা নির্বাচনে শহরাঞ্চলে তৃণমূল কম ভোট পেলেও বিধানসভা নির্বাচনে শহর এলাকায় দল খুব ভালো ফলাফল করবে বলে আশাবাদী তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি চন্দন ভৌমিক। ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায় বলেন, ‘মেকি হিন্দুত্বের নামে বিজেপি বেশি ভোট পাচ্ছে। তৃণমূল সরকার যে বিপুল উন্নয়ন করছে তা আমাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝাতে হবে।’ তৃণমূল ফের রাজ্যের ক্ষমতায় আসবে বলে দাবি করেন রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়। এদিন তৃণমূলের সমস্ত শাখা সংগঠনের নেতৃত্বকেই প্রতিবাদ সভায় ডাকা হয়েছিল। নির্বাচনি লড়াই সকলে মিলে করার কথা জানান জয় হিন্দ বাহিনীর জেলা সভাপতি বাবন পাল। সভায় জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন, সহকারী সভাধিপতি সীমা চৌধুরী, জেলা তৃণমূল যুবর সভাপতি রামমোহন রায়, প্রাক্তন সাংসদ বিজয় বর্মন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
