লক্ষ লক্ষ টাকার মোবাইলের ডিসপ্লে সহ সীমান্তে আটক বাংলাদেশি ট্রাক চালক
নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, ১৫ই অক্টোবর :- চ্যাংরাবান্ধাঃ অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে মোবাইলের ডিসপ্লে পাচারের চেষ্টা। চ্যাংরাবান্ধা আন্তর্জাতিক স্থলবন্দরে বিএসএফের হাতে ধরা পড়লেন এক বাংলাদেশি ট্রাক চালক। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পণ্য নিয়ে বাংলাদেশের একটি ট্রাক ভারতে এসেছিল। বুধবার পণ্য নামিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পথে প্রচুর সংখ্যক মোবাইলের ডিসপ্লে ট্রাকের গোপন চেম্বারে লুকিয়ে পাচারের চেষ্টা করেন বাংলাদেশের ট্রাক চালক। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে বিএসএফ জওয়ানরা চ্যাংরাবান্ধা আন্তর্জাতিক স্থলবন্দরে ট্রাকটিকে আটক করে তল্লাশি চালায়। সেই সময়ই ট্রাক থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর সংখ্যক মোবাইলের ডিসপ্লে। যার আনুমানিক বাজারদর কয়েক লক্ষ টাকা।
বিএসএফ সূত্রের খবর, ধৃত চালকের নাম মহঃ মমিনুর রহমান। সে বাংলাদেশের লালমনিহাট জেলার পাট গ্রাম থানার বুড়িমারী ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা। এদিন চালককে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় বিএসএফের ক্যাম্পে। সেখানে ধৃত চালককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন বিএসএফ আধিকারিকরা। সীমান্তে ট্রাকটিকেও আটক করেছে বিএসএফ। এদিনের ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এত বিপুল সংখ্যক ডিসপ্লে ওই ট্রাকচালকের হাতে এল কীভাবে, সবকিছু নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে বিএসএফ।
দূষণ বাড়ছে ছোট নদীতে, ক্ষোভ বাসিন্দাদের
নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, ১৫ই অক্টোবর :- শিলিগুড়ি: দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব শেষ হয়ে গিয়েছে। শিলিগুড়িতে মহানন্দা সহ প্রধান নদীগুলি পরিষ্কার করা হলেও ছোট নদীগুলির ওপর নজর দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ। প্রতি বছরের মতো এবারেও তাই ঘটেছে। নদীতে জলস্রোত কমে আসায় প্রতিমার কাঠামো, কলা গাছ থেকে শুরু করে বিভিন্ন জিনিসপত্র আটকে রয়েছে। এর ফলে নদীতে দূষণ ও দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এখনই এই সব নদীগুলি পরিষ্কার করার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার বলেন, ‘পুরো বিষয়টি দেখে পদক্ষেপ করা হবে। আমরা পরিষ্কার করে দেব।’
মহিষমারি, চামটা, পঞ্চনই নদী সংলগ্ন এলাকায় গেলেই কলা গাছ, পুজোয় ব্যবহৃত নানা জিনিস ও প্রতিমার কাঠামো ভেসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এই সব আবর্জনা জমে থাকার ফলে নদীর গতিপথ আটকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এখনই যদি আবর্জনা পরিষ্কার না করা হয়, তাহলে সমস্যা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন এলাকার বাসিন্দারা।
শিলিগুড়ির চম্পাসারির বাসিন্দা রাজু মাহাতো বলেন, ‘এলাকায় থাকা ছোট ছোট পুজোগুলোর বিসর্জন মাহিষমারি নদীতে হয়। এরপর নদী পরিষ্কার করা উচিত। ঠিকমতো যদি পরিষ্কার না করা হয়, তাহলে তার প্রভাব নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের ওপর পড়ে।’
এই বিষয়ে একই অভিমত পোষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা অভি পাল। তিনি বলেন, ‘বড় নদীগুলির পাশাপাশি ছোট নদীগুলির দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। এই সব নদীর দূষণের ওপর কারোর তেমন নজর নেই।’ প্রশাসনের আবর্জনা পরিষ্কারের ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করেন এলাকার বাসিন্দারা।
https://youtu.be/d1RqDHa4S2w?si=mh0XbWDaVwN_zZc3
https://www.facebook.com/share/v/17DijMK5Nx/
