সিকিমে ১৪টি ব্রিজ পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলে সিকিম সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে। সেনা জওয়ানদের পাশাপাশি জওয়ানদের বেশকিছু অস্ত্রশস্ত্রও নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। জানা যাচ্ছে, সেনা জওয়ানদের ১৭টি ইনসাস এবং ৩১টি মেশিনগান নিখোঁজ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই হড়পা বান ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে সেনার বেশ কয়েকটি গাড়িও।তিস্তার হড়পা বানে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বিস্তীর্ণ অংশ ভেঙে পড়েছে।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ সিকিমের হড়পা বানে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ অন্তত ১০২ জন। এর মধ্যে রয়েছে ২২ সেনা জওয়ানও। তিস্তা নদীতে হড়পা বান আসায় দার্জিলিংয়েও রাস্তাঘাট চলে গিয়েছে জলের তলায়। বহু মানুষ আটকে রয়েছে সিকিমে। সেখানকার সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকে রয়েছেন সিকিমে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাংকে ফোন করে সিকিমের পরিস্থিতি
মে ১৪টি ব্রিজ পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলে সিকিম সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে। সেনা জওয়ানদের পাশাপাশি জওয়ানদের বেশকিছু অস্ত্রশস্ত্রও নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। জানা যাচ্ছে, সেনা জওয়ানদের ১৭টি ইনসাস এবং ৩১টি মেশিনগান নিখোঁজ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই হড়পা বান ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে সেনার বেশ কয়েকটি গাড়িও।তিস্তার হড়পা বানে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বিস্তীর্ণ অংশ ভেঙে পড়েছে। ইতিমধ্যে তিস্তায় লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। বুধবার সকালে ২৩ জন জওয়ান নিখোঁজ থাকলেও পরে এক জন জওয়ানের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তিনি আহত হলেও তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।জানা যাচ্ছে, উত্তর সিকিমের লাচুং-লাচেনে আটকে প্রায় ৩ হাজার পর্যটক। তাঁর মধ্যে রয়েছেন বাঙালীরাও। আবহাওয়ার উন্নতি হলে চপার নামানোর পরিকল্পনা সিকিম প্রশাসনের। কোন পথে যোগাযোগ জানাচ্ছেন ট্যুর অপারেটরেরা

সমস্ত রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।বুধবার সকালে সিকিমের গ্লেসিয়ার লেক লোহনাক লেকে ক্লাউডবার্স্টের ঘটনা ঘটে। যার জেরে হড়পা বান দেখা দেয় তিস্তা নদীতে। সিকিমের চুংথাংয়ে একটি নদীবাঁধ সম্পূর্ণ রূপে ভেঙে পড়েছে। ওই এলাকা প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। সিকিম সরকার ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে বিপর্যয় ঘোষণা করেছে। তিস্তানদীর হড়পা বান ভাসিয়ে দিয়ে সেনার ছাউনিও।এর জেরে বেশ কয়েক জন সেনা জওয়ান নিখোঁজ হয়েছেন। এই হড়পা বানের জেরে সিকি। হেল্প লাইনে আসা তথ্যের ভিত্তিতে কোন কোন জেলার পর্যটকেরা আটকে তারও তথ্য তুলে ধরেছেন পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত ট্যুর অপারেটরেরা। সামনে পুজো। তারপর টুকটাক ছুটিছাটাও রয়েছে। পাহাড়ের টানে বহু পর্যটক ছুটে গিয়েছিলেন সিকিমে। কিন্তু বিপদ যে এভাবে ধেয়ে আসবে তা ঠাউর করতে পারেননি কেউই। হড়পা বানে তছনছ উত্তর সিকিমের একাংশ। নিখোঁজ সেনা থেকে সাধারণ মানুষ। আটকে বহু পর্যটক। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, জানা যাচ্ছে, উত্তর সিকিমের লাচুং-লাচেনে আটকে প্রায় ৩ হাজার পর্যটক।
তাঁর মধ্যে রয়েছেন বাঙালীরাও। আবহাওয়ার উন্নতি হলে চপার নামানোর পরিকল্পনা সিকিম প্রশাসনের। কোন পথে যোগাযোগ জানাচ্ছেন ট্যুর অপারেটরেরা। হেল্প লাইনে আসা তথ্যের ভিত্তিতে কোন কোন জেলার পর্যটকেরা আটকে তারও তথ্য তুলে ধরেছেন পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত ট্যুর অপারেটরেরা। জানা গিয়েছে, প্রশাসন এবং ট্যুর অপারেটরদের তরফে ভোলা হেল্পলাইন নম্বরে বহু পর্যটকের পরিবার পরিজন সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন।

সেই তথ্য়ের ভিত্তিতে এলাকাগুলিতে আটকে থাকা পর্যটকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হবে। যেহেতু বিদ্যুৎ সংযোগ ও মোবাইল পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়েছে সেই কারণে বুধবার রাত্রি পর্যন্ত আটকে থাকা পর্যটকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা সম্ভব হয়নি।ট্যুর অপারেটরদের সংগঠনের নেতা সম্রাট সান্যাল জানিয়েছেন যে, পর্যটকদের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে তাঁরা আটকে রয়েছেন। তাঁদের নামিয়ে আনতে সিকিম এবং বাংলা প্রকাশকদের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি তাতে এই মরসুমে সিকিমে পর্যটন কার্যত বন্ধের মুখে।আর এই ঘটনার দায় এনএইচপিসি কর্তৃপক্ষের ঘাড়ে চাপাচ্ছেন সম্রাটবাবু। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি ম্যান মেড। তিনি বলেন, “তিস্তায় একাধিক ড্যাম,হোটেল,গাড়ির চাপ,টানেল ইত্যাদির কারণে মাটি তার ধারণ ক্ষমতা হারাচ্ছে।” তাঁর বক্তব্য, করোনা পরবর্তীকালে ফের আরও একবার কার্যত বিপুল ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছেন পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ত্রিশ হাজার মানুষ। বিগত সময়ে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষেত্রে সরকার কীসের ভিত্তিতে ছাড়পত্র দিয়েছিল তা খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছেন তিনি।
বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই NEWS UAP পেজ এর ওয়েবসাইটে।
