সাধারণ মানুষ ভাবছেন কী হচ্ছে? সবাই শেষমেশ কী হয়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে। আপনাদের কিছু করতে হবে।”এরপরই সিবিআইয়ের আইনজীবী আদালতে বলেন, ”আমরা তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। মঙ্গলবার সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে সবকিছু জানাব। এই তদন্তের অগ্রগতি সাধারণ মানুষ দেখতে পাবেন। আজকের দিনটি ধ্বংসের নয়।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রাথমিক দুর্নীতিতেও পার্থ-যোগ! বিস্ফোরক সিবিআই, মঙ্গলবার তোলপাড় ফেলা রিপোর্ট পেশ। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তথ্য এবং নথি নষ্ট করতে কীভাবে মন্ত্রী এবং সচিবের উপর প্রভাব খাটানো হয়েছে, এই নিয়েই মঙ্গলবার সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট জমা দেবে সিবিআই। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এমনটাই জানালেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, শুধু এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির মামলা নয়, প্রাথমিকের নিয়োগেও প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য কী ভাবে জড়িত, তা নিয়ে রিপোর্ট দিয়ে জানাব।এরপরই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ”সুপ্রিম কোর্টে মামলা বিচারাধীন থাকায় তদন্তের গতি কিছুটা শ্লথ হয়েছে।
সাধারণ মানুষ ভাবছেন কী হচ্ছে? সবাই শেষমেশ কী হয়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে। আপনাদের কিছু করতে হবে।”এরপরই সিবিআইয়ের আইনজীবী আদালতে বলেন, ”আমরা তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। মঙ্গলবার সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে সবকিছু জানাব। এই তদন্তের অগ্রগতি সাধারণ মানুষ দেখতে পাবেন। আজকের দিনটি ধ্বংসের নয়। আজকের দিনে স্বামী বিবেকানন্দ শিকাগোয় বক্তৃতা করেছিলেন।”গরু পাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের করা মামলা সংক্রান্ত সমস্ত নথি আসানসোল সিবিআই আদালত থেকে ১১ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে ১৯ সেপ্টেম্বর নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। জি-২০ সম্মেলন দিল্লিতে হচ্ছিল বলে ইডি দিল্লিতে কোনও কাজ সেভাবে করে উঠতে পারেনি। সেজন্য তারা আবেদন করেছিল।
তাদের আবেদনের ভিত্তিতেই এই নির্দেশ দিলেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী।৬ সেপ্টেম্বর বুধবার আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের মামলা দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার জন্য রায়দান হয়েছিল। সেদিন বলা হয়েছিল ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মণ্ডলের যাবতীয় তথ্য যা, আসানসোল আদালতে রয়েছে তা দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হবে। কিন্তু জি-২০ সম্মেলন দিল্লিতে হওয়ার জন্য দিল্লির কোনও কাজ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট করতে পারেনি।সেই জন্য তারা আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতকে আবেদন করে, সাত দিন তাদের সময় দেওয়া হোক।
দিল্লিতে সমস্ত ফাইল নিয়ে যাওয়ার জন্য। সেই আবেদনের ভিত্তিতে আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী চলতি মাসের ১৯ তারিখ সমস্ত ফাইল দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।অর্থাৎ গরু পাচার কাণ্ডের যে কোনও রকম শুনানি আর আসানসোল আদালতে হবে না। সব শুনানি দিল্লির রাউস এভিনিউ আদালতে হবে।৬ সেপ্টেম্বর বুধবার আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের মামলা দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার জন্য রায়দান হয়েছিল।আর মাত্র ৮ দিন! ‘সব’ চলে যাচ্ছে দিল্লি, অনুব্রত মণ্ডলের কোনও আবেদনেই কাজ হল না!
