বেআইনি বাজি কারখানার বিস্ফোরণে

ভবয়াবহ বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে । মৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাজি কারখানার মালিকের ছেলে রবিউল আলি-ও।বিস্ফোরণের পরেই আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বারাসত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় মোট ৯ জনকে।

রিঞ্জয় মিত্র, নিউ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্কঃ সকাল ১০টা নাগাদ বেআইনি বাজি কারখানায় ভবয়াবহ বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে । রবিবার সকালে কেঁপে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের নীলগঞ্জ এলাকা। সকাল ১০টা নাগাদ বেআইনি বাজি কারখানায় ভবয়াবহ বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে, রবিবার সকালে কেঁপে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের নীলগঞ্জ এলাকা। সকাল ১০টা নাগাদ বেআইনি বাজি কারখানায় ভবয়াবহ বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে ।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাজি কারখানার মালিকের ছেলে রবিউল আলি-ও।বিস্ফোরণের পরেই আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বারাসত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় মোট ৯ জনকে। হাসপাতালে নিয়ে আসার পরই মৃত্যু হয় রবিউল-এর। এলাকাবাসীর দাবি, রবিউলের বাবা কেরামত আলি-ই কারখানার মালিক। হাসপাতালে যাঁরা চিকিৎসাধীন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ৪৯ বছরের সামসুর আলি, বছর ৫৫-র সহিদুল শেখ, ৮ বছরের জয়নাথ শেখ, ৫০ বছর বয়সি সাকিনা বিবি, বছর ২০-র জসমিনা খাতুন ও মাসুমা খাতুন, ১ বছর বয়সি শানাউল ইসলাম ও ৪৭ বছর বয়সি আসুরা বিবি। এদের মধ্যে সামসুর আলির অবস্থা শঙ্কটজনক, তিনি আইসিইউ-তে ভর্তি। বুকের সিংহভাগ আগুনে পুড়ে গিয়েছে।

বারাসতের বিস্ফোরণে হতাহতের সংখ্যা এগরার ঘটনাকে ছাপিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ এলাকায় পৌঁছেছে সিআইডি-র বম্ব স্কোয়াড৷ স্থানীয় সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের তীব্রতায় উড়ে যায় সংশ্লিষ্ট বাড়ির ছাদ৷ চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় মৃতদেহ৷ পাশের বাড়ির চিলেকোঠা থেকে, গাছের ডাল, সব জায়গা থেকেই উদ্ধার হচ্ছে ক্ষতবিক্ষত দেহ৷ আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই ঘটনায়৷ স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ তুলেছেন বহু দিন ধরেই বেআইনি ভাবে এই বাজি কারখানা চলছিল৷রবিবার দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামে একটি বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, সেই বাড়িতে বেআইনি ভাবে বাজি তৈরি হত। কেরামত আলি-ই কারখানা চালাত। কারখানায় মজুত বাজিতে আগুন লাগতেই বিস্ফোরণ হয়। অভিঘাত এতটাই বেশি ছিল যে, ওই দোতলা বাড়িটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে আশপাশের একাধিক পাকা বাড়িও। স্থানীয়দের দাবি, বিস্ফোরণের অভিঘাতে দোতলা বাড়িটির ছাদের একটি অংশ গিয়ে পড়ে পাশের বাড়ির ছাদে। ফলে সেই বাড়িটিও আংশিকভাবে ধসে পড়ে।

ঘটনার পরে শ্লোগানও তোলেন এলাকার বিক্ষুব্ধ বাসিন্দারা৷ আঙুল তোলেন এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের বিরুদ্ধে৷ ঘটনার পর পরই এদিন ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশ সুপার এবং ডিআইজি৷ পুলিশ সুপার বলেন, ‘‘এই ঘটনায় যাঁরা যুক্ত আমরা ব্যবস্থা নেব। এখনও পর্যন্ত ২ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ ক’জন মারা গিয়েছে হাসপাতালে থেকে জেনে তারপর বলব৷ ঘটনা একটা ঘটেছে৷ তাতে আইন শৃঙ্খলা আমরা দেখেছি..৷’’ দমকলবাহিনী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত ৫ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে৷ তবে স্থানীয়দের বক্তব্য মৃতের সংখ্যা ১২ ছাড়িয়েছে৷বেআইনি বাজি কারখানায় ভবয়াবহ বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থাকা এই বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ তাঁদের দাবি, পুলিশ প্রশাসন থেকে স্থানীয় নেতারা, এই বেআইনি বাজি কারখানা সম্পর্কে জানতেন সকলেই৷ বারাসতের বিস্ফোরণের ঘটনায় আইএসএফ ‘যোগ’ টানলেন সারা বাংলা আতসবাজি সমিতির চেয়ারম্যান বাবলা রায়৷

বললেন, ‘‘এটা আতসবাজি তৈরির কারখানা নয়। এখানে আলু বোমা তৈরি হত।’’ রবিবার সকাল ১০ টা নাগাদ ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বারাসতের নীলগঞ্জ এলাকা৷ ভেঙে পড়ে ঘটনাস্থলে থাকা বড়ির ছাদও৷ স্থানীয় সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১২ জনের দেহ৷ আহত বহু৷ ৩ মহিলা ও ৩ শিশু বারাসত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ পাশের বাড়ির চিলেকোঠা থেকে পেয়ারা গাছের ডাল চতুর্দিকে ঝুলছে ক্ষতবিক্ষত দেহ৷ বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থাকা এই বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ তাঁদের দাবি, পুলিশ প্রশাসন থেকে স্থানীয় নেতারা, এই বেআইনি বাজি কারখানা সম্পর্কে জানতেন সকলেই৷ কিন্তু কেউ কোনও পদক্ষেপ করেননি৷ এলাকাবাসীর কথায়, ‘খুদে’ নামের ওই ব্যবসায়ী, যার বাড়িতে এদিন বিস্ফোরণ হয়েছে, তাঁকে তাঁরা বহু আগে থেকেই এ নিয়ে সাবধান করেছিলেন, কিন্তু, কারও কথাই নাকি তিনি কানে তোলেননি৷ যে বাড়িতে এদিন বিস্ফোরণ হয়েছে সেখানে মহিলা-শিশু মিলিয়ে তিন পরিবারের বাস ছিল বলে জানা গিয়েছে৷

অন্যদিকে, বিস্ফোরক দাবি করেছেন সারা বাংলা আতসবাজি সমিতির চেয়ারম্যান বাবলা রায়৷ গোটা ঘটনায় এক আইএসএফ কর্মীর যোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি৷ তাঁর দাবি, মুর্শিদাবাদের এক আইএসএফ কর্মী এবং এই ‘খুদে’ মিলে এই বেআইনি কারখানা চালাত৷ ঘটনার সময় খুদের শ্রমিকেরা বসে খাওয়া-দাওয়া করছিল বলে দাবি৷ বাবলা রায়ের দাবি, ‘‘এটা আতসবাজি তৈরির কারখানা নয়। পটাসিয়াম ক্লোরাইড এখানে ব্যবহার হত৷ আলু বোম তৈরি হত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *