আমি কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই এই আক্রমণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আমি অক্লান্তভাবে দলের জন্য কাজ করে চলেছি। কিন্তু, আমার দুর্ভাগ্য দল আমার কাজকে কোনও স্বীকৃতি দিল না।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে নিয়ে বলেছেন, “আমি বিজেপির বর্তমান অবস্থা দেখে আর কাজ করতে প্রস্তুত নই। অতীতে আমি ১২টি অঞ্চলে কাজ করেছি। তবে এবার, আমি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ডঃ নির্মল রায়ের পক্ষে কাজ করব এবং ১০,০০০-১৫,০০০ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করব।”ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের আগে প্রয়াত বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপদ রায়ের আত্মীয়, প্রাক্তন ধূপগুড়ি বিজেপি মন্ডলের সভাপতি গৌরাঙ্গ দাস সরকার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। যোগ দিয়ে গৌরাঙ্গ দাসের দাবি, তৃণমূলের উন্নয়ন দেখে তিনি যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ২০২১ সালে বিজেপির জয়ের পিছনে এই নেতার অনেক বড় হাত ছিল। অন্তত ১২টি এলাকা রয়েছে এই নেতার হাতে।আর এই স্থানীয় স্তরের দলবদল ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক মহল।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবারই, ধূপগুড়িতে বিজেপি বনাম বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের ছবি দেখা গিয়েছিল। নেতাদের উপস্থিতিতেই অশান্তি ছড়ায় তাদের প্রার্থীর মনোনয়ন পেশের ব়্যালিতে, এমনটাই কটাক্ষ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। ধূপগুড়িতে প্রচার কর্মসূচি তথা মনোনয়ন পেশের ব়্যালি চলাকালীন দলেরই প্রাক্তন জেলা সহ-সভাপতি অলোক চক্রবর্তীর উপর হামলা চালান বিজেপি জেলা সভাপতি ও তাঁর অনুগামীরা। এমনটাই অভিযোগ করছে তৃণমূল কংগ্রেস।তাদের বক্তব্য, দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, অলোক যখন দলের প্রার্থীকে পুষ্পস্তবক প্রদান করছিলেন, তখনই এই ঘটনা ঘটে। বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা এবং একাধিক বিধায়কের উপস্থিতিও বিজেপির বিক্ষুদ্ধদের আটকাতে পারেনি।
এই হামলার তীব্র নিন্দা করে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই ঘটনা থেকেই বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি একসঙ্গে কাজ করতে পারে না।আহত বিজেপি নেতা অলোক চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বিজেপি নেতৃত্বের মনোনীত প্রার্থীর দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেই আমি এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু, বর্তমান জেলা সভাপতির মাধ্যমে আমার উপর নৃশংস হামলা চালানো হয়। আমাদের দেশের গণতান্ত্রিক রীতিনীতির তোয়াক্কা না করেই জেলা সভাপতি পদে পরপর তিনবার নিযুক্ত হয়েছেন তিনি। যেভাবে বর্তমান জেলা সভাপতির হাতে প্রাক্তন জেলা সহসভাপতি আক্রান্ত হলেন, তা ভয়ঙ্কর এবং নিন্দনীয়।আক্রান্ত অলোক চক্রবর্তী আরও বলেন, ‘‘এই জেলা সভাপতি যদি পদে থাকেন, তাহলে বিজেপি লোকসভা ভোটে হারবে। ওরা আমাকে লাথি মেরেছে এবং হেঁচড়ে নিয়ে গিয়েছে।
আমি কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই এই আক্রমণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আমি অক্লান্তভাবে দলের জন্য কাজ করে চলেছি। কিন্তু, আমার দুর্ভাগ্য দল আমার কাজকে কোনও স্বীকৃতি দিল না।’’ অলোক চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বিজেপি নেতৃত্বের মনোনীত প্রার্থীর দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেই আমি এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলাম তবে আর নয় আমার ভুল বুঝতে পেরেছি তাই এই সিদ্ধান্ত নিলাম।
