ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ চামরাজানগর তালুকের লক্ষ্মীপুরের কৃষ্ণশেঠির ছেলে রাজেশ ও নাগেশ আপাতত যাবতীয় আলোচনার কেন্দ্রে। কৃষক পরিবারের এই দুই সন্তান খুব বেশি দিন চাষ করছেন, এমন নয়। এসএসএলসি-তে আসার সময়ই অবশ্য তাঁরা পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন। পরে বাবা-মায়ের সঙ্গে কৃষিকাজে যোগ দেন।টমেটো চাষ করে কোটিপতি হয়েছেন অনেকেই। গত দু’এক মাসে এমন অনেক ঘটনার নজির উঠে এসেছে সারা ভারতে। একদিকে টমেটোর মাত্রাছাড়া দামে নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের।
অন্যদিকে সেই টমেটো বিক্রি করেই লাভের মুখ দেখা চাষি— এই দুইয়ে মিলে গত কয়েক মাসে সংবাদ শিরোনামে থেকেছে টমেটো।আবারও এমন চাষিদের কথা জানা গেল, যাঁরা টমেটোর ফলন থেকে রোজগার করেছেন কোটি টাকা। এবার জানা গেল কর্ণাটকের চামরাজানগর তালুকের দুই ভাইয়ের কথা। তাঁরাও টমেটো চাষ করেই হয়েছেন কোটিপতি। পারিবারিক ১২ একর জমিতে টমেটো চাষ করা এই দুই ভাইয়ের জন্য সৌভাগ্যের দরজা খুলে দিয়েছে।তাঁদের বাবা-মাও নিজেদের আড়াই একর জমিতে টমেটো চাষ করতেন। সেই থেকেই তাঁরাও টমেটো চাষে আগ্রহী।
নিজেদের ছোট জমিতেই শুরু করেছিলেন টমেটো চাষ। তা থেকে সামান্যই লাভ হতো। মাঝে মাঝে লোকসানও হয়েছে।কিন্তু এবার তিনি সাহস করে নিজের আড়াই একর জমি লিজ নিয়ে ফেলেছিলেন রাজেশ। ১২ একর জমিতে টমেটো চাষ করেছেন। রোগ, কীটপতঙ্গ, কৃষি শ্রমিকদের সমস্যা ইত্যাদি— হাজারো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাম্পার ফসল ফলিয়েছেন দুই ভাই।একটা সময় পর্যন্ত কৃষি অর্থনীতিকে অবহেলাই করা হয়েছে এই দেশে। কৃষকের রোজগার কম বলে মনে করা হত। অথচ, সেই উপার্জন বৃদ্ধির দিকে তেমন ভাবে নজর দেওয়া হয়নি। ক্রমশ বদলাচ্ছে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। আর এই বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে কৃষিজ ফসল থেকেই রোজগার হচ্ছে কোটি টাকা।এখন দাম টমেটোর দাম প্রতি কেজি ৮০ টাকা। এই সময়ও কর্ণাটকের এই দুই ভাই ৬ থেকে ৮ হাজার বাক্স টমেটো পাওয়া যাবে বলে আশা করা করছেন।
