টম্যাটো রফতানি করতে রাজি হয়েছে

ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, নেপালের কৃষি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শবনম শিবকোটি বলেছেন, ‘নেপাল ভারতে টম্যোটো পাঠাতে প্রস্তুত। বিনিময়ে, ভারত সরকারকে বাজারে প্রবেশের সুবিধা দিতে হবে এবং কিছু প্রয়োজনীয় পণ্য তাদের দেশেও পাঠাতে হবে। টম্যাটোর পরিবর্তে চাল ও চিনি রফতানি করার আহ্বান জানিয়ে সরকারকে চিঠি দিয়েছে নেপাল।প্রতিবেশী দেশটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি ভারত থেকে চাল কিনতে চেয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, সম্প্রতি ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম কমাতে বাসমতি ছাড়া সাধারণ চাল রফতানি নিষিদ্ধ করেছিল।পকেট ভরে টাকা নিয়ে যান আর মুঠো করে টম্যাটো নিয়ে আসুনের দিন বোধহয় শেষ হতে চলল৷ প্রতিবেশী দেশ নেপাল ভারতে টম্যাটো রফতানি করতে রাজি হয়েছে৷ টম্যাটোর দাম বাড়ার মধ্যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত।

নেপাল থেকে প্রচুর পরিমাণে টম্যাটো আমদানি করা হচ্ছে। কিন্তু টম্যেটোর বদলিতে তারা যা চেয়েছে সেই সামগ্রী রফতানির উপর আগে থেকে মোদি সরকারের নিষেধাজ্ঞা জারি করা রয়েছে৷প্রতিবেশী দেশটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি ভারত থেকে চাল কিনতে চেয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, সম্প্রতি ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম কমাতে বাসমতি ছাড়া সাধারণ চাল রফতানি নিষিদ্ধ করেছিল।এই পদক্ষেপ অনেক দেশই চমকে গিয়েছিল৷ এমনকি ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিও অসুবিধায় পড়েছিল। তবে এবার নেপাল সরকারের চাহিদার উত্তরে ভারত সরকার কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা জানা যায়নি।গত কয়েক মাস ধরে ভারতে টম্যাটোর দাম আকাশ ছোঁওয়া ছিল। কোথাও তা বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, কোথাও ২৫০ টাকা, আবার কোথাও ৩০০ টাকা প্রতি কিলো। তবে ভারত সরকার সম্প্রতি ভর্তুকি দিয়ে টম্যাটো বিক্রি শুরু করেছে, যার কারণে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখন দাম কেজি প্রতি টম্যেটোর দাম ৫০ টাকায় নেমে এসেছে।

আসন্ন উৎসব ও উদযাপনকে সামনে রেখে নেপাল ভারত সরকারের কাছে ১০ লক্ষ টন ধান, ১ লক্ষ টন চাল এবং ৫০ হাজার টন চিনি চেয়েছিল। একইসঙ্গে নেপালের কৃষি মন্ত্রকের যুগ্মসচিব জানিয়েছেন, ‘কিছুদিন আগে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে আমরা ভারত সরকারকে খাদ্যশস্য ও চিনি সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছিলাম। তবে ভারত সরকারের তরফ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া আমরা পাইনি।নেপালে চালের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বর্তমানে দেশে প্রতি কেজি চাল পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ টাকায়।’ নেপাল থেকে আসা টম্যাটো দেশের বাজারে পাঠানো হবে যাতে এর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সবচেয়ে বেশি টম্যাটো পাঠানো হবে উত্তরপ্রদেশে। নেপালের কাঠমান্ডু, ললিতপুর ও ভক্তপুরে সবচেয়ে বেশি টম্যাটোর ফলন হয়। এই এলাকা দিয়ে ভারতে চলছে অবৈধ টম্যাটো ব্যবসা। কিন্তু পুরো বিষয়টিতে সরকার হস্তক্ষেপ করছে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *