fake identityভুয়া পরিচয়পত্র দেখিয়ে ব্যাঙ্ক লোন ও জমি ক্রয়;

 শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি নাগরিক

নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্ক,১০ই জুন,২০২৬ঃশিলিগুড়ি: ভুয়া আধার ও প্যান কার্ড ব্যবহার করে ভারতীয় নাগরিক সেজে ব্যাঙ্ক লোন নেওয়া ও জমি কেনার অভিযোগ উঠল এক বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার রাতে শিলিগুড়ির ডন বসকো কলোনিতে অভিযান চালায় ভক্তিনগর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় সুরেশ সিংঘানিয়া নামে বাংলাদেশের রংপুরের এক বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক চার দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
জালিয়াতির কৌশল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত ওই ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় এক আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছিলেন। গোপন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ তার কাছে থাকা যাবতীয় নথি যাচাই করতে শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে যে, এদেশের আত্মীয়দের মাধ্যমেই সে তার নামে জাল আধার কার্ড, প্যান কার্ড ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছিল। এমনকি ওই ভুয়া নথির ভিত্তিতেই সে ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে জমি কিনেছিল বলেও অভিযোগ।
তদন্তে পুলিশ সোমবার রাতে গ্রেপ্তারের পর তাকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির ভিসা বৈধ থাকলেও, ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির পুরো বিষয়টি একটি বড় জালিয়াতি চক্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট কীভাবে খোলা হলো, লোন নেওয়ার প্রক্রিয়া কী ছিল এবং কোথা থেকে জাল নথিপত্র তৈরি করা হয়েছিল, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে ভক্তিনগর থানা। এই চক্রের সঙ্গে আরও স্থানীয় কারা জড়িত রয়েছে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

কাউন্সিলারের “সন্ধান চাই” পোস্টার ঘিরে শোরগোল গঙ্গারামপুরে;

রাজনৈতিক মহলে তুঙ্গে জল্পনা

গঙ্গারামপুর: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলার দীপা দাস সরকারকে নিয়ে এলাকায় তৈরি হলো চাঞ্চল্যকর বিতর্ক। ওয়ার্ডের বিভিন্ন দেয়ালে কাউন্সিলারের ছবি ও নাম সম্বলিত “সন্ধান চাই” লেখা পোস্টার সাঁটানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও রাজনৈতিক মহলে জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ওই পোস্টারগুলি নজরে আসে। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে কাউন্সিলার এবং তাঁর স্বামীকে ওয়ার্ডের এলাকায় সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান বা জনসংযোগের ক্ষেত্রে তাদের অনুপস্থিতি এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে। সেই ক্ষোভ থেকেই এই ধরনের পোস্টার দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন কাউন্সিলার দীপা দাস সরকার। তিনি বলেন, “আমি এলাকাতেই রয়েছি। নিয়মিত পুরসভার দপ্তরে যাচ্ছি এবং মানুষের কাজ করছি। আমার সাথে যোগাযোগের পথ খোলা রয়েছে, কেউ খোঁজ করতে চাইলে সহজেই যোগাযোগ করতে পারবেন।” পোস্টারের বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হলেও, কারা বা কোন উদ্দেশ্যে এই পোস্টার লাগিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। বিরোধী দলগুলো এই সুযোগে শাসকদলকে নিশানা করতে শুরু করেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং প্রশাসন এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয় কি না, সেদিকেই নজর এলাকাবাসীর।