পপলি মিত্র,নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন আর কয়েক ঘণ্টা পর। অথচ তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘর খাঁ খাঁ করছে । না আছে কোন নেতা না আছে কোন কর্মী। রয়েছে বলতে কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী। রাজনৈতিক মহলের লোকজনের দাবি, গত বিধানসভা ভোটের আগেও যে বাড়িতে দলের হেভিওয়েটদের আনাগোনা লেগেই থাকত। সেই বাড়ি আজ এক প্রকার জন-হীন পড়ো বাড়ির মত।
এই প্রথম অনুব্রতহীন বীরভূম জেলায় পঞ্চায়েত নির্বাচন হচ্ছে৷ ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে পুলিশকে বোমা মারতে বলে ও নির্দল প্রার্থীদের বাড়ি ভেঙে দিতে বলে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে অনুব্রতর দাওয়াই ছিল ‘চড়াম চড়াম’ ও ‘গুড়-বাতাসা’। অনুব্রতর দাপটে মনোনয়ন পত্রই জমা দিতে পারেনি বিরোধীরা৷ সম্পূর্ণ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় বীরভূম জেলা পরিষদ দখল করেছিল তৃণমূল-কংগ্রেস।
মণ্ডল৷ এই প্রথম অনুব্রতকে ছাড়াই কোন নির্বাচন হচ্ছে৷ এই প্রথম কোন নির্বাচনের আগে খাঁ খাঁ করছে বোলপুরের নীচুপট্টীতে তাঁর বসত বাড়ি৷ দু’জন পুলিশ কনস্টেবল মোতায়েন রয়েছে৷ শূন্য অনুব্রতর চেয়ার৷ প্রতি নির্বাচনের আগে থেকে এই বাড়ি দলীয় নেতা-কর্মীদের ভিড়ে থিক থিক করত৷ যে কোন নির্বাচনের ব্লু প্রিন্ট তৈরি হত এই বাড়ি থেকে৷ সকলে অপেক্ষা করত এবার কি দাওয়াই দেন অনুব্রত। কিন্তু, রাত পোহালেই ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে কার্যত শুনশান অনুব্রতর বাড়ি৷গরু পাচার মামলায় তিহাড় জেলে বন্দি অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল৷
