পপলি মিত্র, নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ উত্তরবঙ্গ সফরে এসে কপ্টারকাণ্ডে হাটু ও কোমরে চোট পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তড়িঘড়ি তাকে বিশেষ বিমানে উড়িয়ে নিয়ে আসা হয় কলকাতায়। এসএসকেএমে তাঁর স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভর্তি না হয়ে বাড়িতেই ফিজিওথেরাপি করান।বাঁ পায়ের হাঁটুতে জল জমেছে বলে খবর মিলেছে।অস্ত্রপচারের মাধ্যমে হাঁটুর জল বের করা হবে বলে সূত্রের খবর।
গত ২৭ জুন ক্রান্তি থেকে বাগডোগরা আসার পথে প্রবল দুর্যোগের মুখে পড়ে মুখ্যেমন্ত্রীর কপ্টার। পাইলটের তৎপরতায় সেবকের কাছে বায়ুসেনার একটি এয়ারবেসে জরুরি অবতরণ করে কপ্টারটি। এই ঘটনার উল্লেখ করেই মমতা বলেছেন, আর ৩০ সেকেন্ড দেরি হলে হয়তো কপ্টারটি ক্র্যাাশ করে যেত। কপ্টারটি অবতরণের পর উঁচু থেকে মাটিতে নামতে গিয়ে সেদিন কোমরে ও পায়ে চোট পেয়েছিলেন। কলকাতায় ফিরে তিনি সোজা চলে যান এসএসকেএমে। টানা এক সপ্তাহ ডাক্তাররা ফিজিওথেরাপি করে তাঁকে স্থিতিশীল জায়গায় নিয়ে এসেছেন। সব ঠিকঠাক থাকলে তাঁর একটি ছোট অপারেশন হবে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি সুস্থই আছে্ন, উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। ডাক্তারদের নির্দেশ মেনেই প্রচার বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। ছোট অস্ত্রোপচারটির প্রয়োজন।
এদিকে মখ্যমন্ত্রীর হাঁটু থেকে জল বের করতে চিকিৎসার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি মেডিক্যা ল বোর্ড তৈরি হয়েছে। বুধবার সকালে তাঁরা একপ্রস্থ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নিয়েছেন। এই দলে রয়েছেন, অধিকর্তা ডা. মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিজিক্যা ল মেডিসিন অ্যা ন্ড রিহ্যা্বিলিটেশন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দুই চিকিৎসক। তারাই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। প্রয়োজনে অর্থোপেডিকের বিভাগীয় প্রধান-সহ দুই চিকিৎসককে থাকতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য এসএসকেএমের সাড়ে ১২ নম্বর কেবিনে যাবতীয় বন্দোবস্ত করা হয়েছে।
