নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্কঃ টেবিলে আর দুটো করে প্লেট থাকবেনা… একজনের জন্য বানানো গ্রীন টি আর দুজনে মিলে ভাগ করে খাওয়া হবেনা…
টাওয়াল শেয়ার হবেনা, সান স্ক্রীন ভাগাভাগি হবেনা….
কিছুই আর একসাথে হবেনা…
তবুও জানি এমতাবস্থায় আমাকে সব কিছু সামলানোর জন্য তুমি ইতিমধ্যেই প্রস্তুত করে দিয়েছো, গ্যাস বুকিং থেকে মেডিক্লেম পেমেন্ট সবটাই শিখিয়ে দিয়েছো..লেখার হাত আমার বরাবরই কাঁচা, এইটা তো তোমার কাজ ছিলো..তাও নিজে একটু চেষ্টা করলয়মেন তবুও এটাই শ্রেয়, কারণ আমরা দুজন দুজনের সাথে ভালো নেই…..প্রেম, বন্ধুত্ব, বিয়ে এইসব নিয়ে এক বর্ণময় অধ্যায় এর ইতিটা নয় এইভাবেই হোক..
ভালো থাকো জিতু কমল – কত মর্ম স্পর্শী এই চিঠি নবনীতার। ইন্ডাস্ট্রির কেউ দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেননি তাঁদের বিচ্ছেদ হতে পারে। অভিনেতা জিতু কমল এবং তাঁর স্ত্রী নবনীতা দাসের বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার থেকে সরগরম টলিপাড়া। সেদিন আচমকাই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচ্ছেদের খবর জানান নবনীতা। পারস্পরিক নির্ভরতার কথা উল্লেখ করলেও দু’জনের কেউই স্পষ্ট করে বলেননি সম্পর্ক থেকে সরে আসার কারণ। নবনীতার কথায় উঠে এসেছে মতবিরোধের হাল্কা আভাস৷ বাংলা বিনোদন দুনিয়ার সম্পর্ক ভাঙনের তালিকায় নতুন সংযোজন এই জুটি।
বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করার পর থেকে একাধিক পোস্ট করেছেন তাঁরা। চর্চিত তাঁদের সেই পোস্টগুলি। ভাইরাল হয়েছে পুরনো ভিডিও। তার মধ্যে একটি রিয়্যালিটি শো ‘ইস্মার্ট জোড়ি’-র। গত বছর জনপ্রিয় হয়েছিল স্টার জলসার এই শো। সেখানে অন্য জুটিদের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন জিতু এবং নবনীতা। শেষ পর্যন্ত জয়ী হতে না পারলেও দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন তখনকার এই দম্পতি‘ইস্মার্ট জোড়ি’-র সঞ্চালক ছিলেন জিৎ৷
অনুষ্ঠানে তাঁদের শেষ লগ্নে সঞ্চালকের কাছে অনুরোধ জানান জিতু৷ তিনি স্ত্রীকে নিয়ে একটি বিশেষ গেম খেলতে চান৷ শো-এর নিয়ম অনুযায়ী সেই গেমে স্বামী স্ত্রীকে মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে কিছুটা ঝুঁকে৷ এর পর সঞ্চালকের নির্দেশ মতো স্পর্শ করতে হবে হাত, পা, মাথা-সহ নিজের দেহের নানা অংশ৷ এর মধ্যেই আচমকা সঞ্চালক বলবেন ‘সবুজ’! তখন দ্রুত নিয়ে নিতে হবে দুজনের মাঝে মেঝেতে রাখা সবুজ রঙের এক বাক্স৷ যিনি নিতে পারবেন, তিনিই জয়ী৷ জিতু নবনীতার মধ্যে বাক্স পেয়ে যান নবনীতা তবে দুই জনেই ভালো কাজ করুক ভালো থাকুক এটাই চায় টলিপাড়া
