কোচবিহারে রাজবংশী সম্মেলন — স্বশাসন ও ভাষার মর্যাদার দাবিতে গর্জে উঠল

সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজবংশী পরিষদের সভাপতি হরিদেব বর্মন, সমাজকর্মী মৌসুমী রায়, ও বিভিন্ন জেলার সংগঠকরা। বক্তাদের বক্তব্যে স্পষ্ট শোনা গেল ক্ষোভের সুর। হরিদেব বর্মন বলেন, “দশকের পর দশক ধরে রাজবংশী সমাজকে উন্নয়নের ধারার বাইরে রাখা হয়েছে। এবার আমরা নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করব।”সম্মেলনের শুরুতে ‘রাজবংশী সংস্কৃতি মঞ্চ’-এর তরফে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য ও লোকগান পরিবেশন করা হয়। পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার জন্য প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল।

📍নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, কোচবিহার, ২ নভেম্বর ২০২৫

উত্তরবঙ্গের রাজবংশী সমাজ আজ আবারও একবার একজোট হয়ে গর্জে উঠল। কোচবিহারের শহীদ ভগৎ সিং ময়দানে আজ রবিবার অনুষ্ঠিত হলো “রাজবংশী উন্নয়ন সম্মেলন”, যেখানে হাজির ছিলেন প্রায় ২০,০০০-এরও বেশি মানুষ। রাজবংশী উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে মূল দাবিগুলির মধ্যে ছিল — উত্তরবঙ্গে স্বশাসিত অঞ্চল গঠন, রাজবংশী ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে সমাজের বিশেষ অংশগ্রহণ।

সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজবংশী পরিষদের সভাপতি হরিদেব বর্মন, সমাজকর্মী মৌসুমী রায়, ও বিভিন্ন জেলার সংগঠকরা। বক্তাদের বক্তব্যে স্পষ্ট শোনা গেল ক্ষোভের সুর। হরিদেব বর্মন বলেন, “দশকের পর দশক ধরে রাজবংশী সমাজকে উন্নয়নের ধারার বাইরে রাখা হয়েছে। এবার আমরা নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করব।”

সম্মেলনের শুরুতে ‘রাজবংশী সংস্কৃতি মঞ্চ’-এর তরফে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য ও লোকগান পরিবেশন করা হয়। পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার জন্য প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে রাজবংশী সমাজ আবারও তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক দাবি নতুন করে সামনে আনল। অনেকের মতে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এই সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এক রাজবংশী যুবক বলেন, “আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ভাষা, আমাদের ইতিহাসের মর্যাদা দিতে হবে। আমরা আর উপেক্ষিত হতে চাই না।”

সবমিলিয়ে, আজকের এই সম্মেলন উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক আবহে নতুন আলোড়ন তুলেছে। রাজবংশী সমাজের দাবিগুলো এদিন স্পষ্টভাবে প্রতিধ্বনিত হলো কোচবিহারের আকাশে —
“আমাদের ভাষা, আমাদের অধিকার, আমাদের উত্তরবঙ্গ।”