অন্যদিকে, দার্জিলিং ও কালিম্পং এলাকায় তাপমাত্রা আরও নিচে নেমেছে, ফলে সেখানে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সপ্তাহের শেষে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলায় শীতের অনুভূতি আরও বাড়বে।স্থানীয় পরিবেশপ্রেমী সংগঠনগুলির দাবি, অক্টোবরের তুলনায় এ বছর নভেম্বরের শুরুতেই তাপমাত্রা দ্রুত কমছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে স্বাভাবিক শীতের। কৃষকরাও খুশি— কারণ ঠান্ডা হাওয়া চা বাগানের নতুন পাতা গজাতে সহায়ক।ভোরবেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা গিয়েছে উলের জামা, মাফলার ও সোয়েটার পরে বেরিয়ে পড়া অফিসগামীদের। কনকনে ঠান্ডা হাওয়ায় চায়ের দোকানে বেড়েছে ভিড়। সেবক মোড়ের চা বিক্রেতা ভূপেন দাস বললেন, “আজ সকালে চা-বিক্রি গতকালের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ!”
📍নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, শিলিগুড়ি, ২ নভেম্বর ২০২৫
উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়িতে আজ রবিবার সকাল থেকেই দেখা মিলেছে আসন্ন শীতের প্রথম ইঙ্গিত। সকাল হতেই শহরের উপর নেমে আসে ঘন কুয়াশার চাদর। দৃশ্যমানতা কম থাকায় সেবক রোড, হিলকার্ট রোড ও বাঘাযতীন পার্ক এলাকায় গাড়ি চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় শিলিগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, সর্বোচ্চ ২৬.৮ ডিগ্রি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে রাতের তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নামতে পারে।
ভোরবেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা গিয়েছে উলের জামা, মাফলার ও সোয়েটার পরে বেরিয়ে পড়া অফিসগামীদের। কনকনে ঠান্ডা হাওয়ায় চায়ের দোকানে বেড়েছে ভিড়। সেবক মোড়ের চা বিক্রেতা ভূপেন দাস বললেন, “আজ সকালে চা-বিক্রি গতকালের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ!”
অন্যদিকে, দার্জিলিং ও কালিম্পং এলাকায় তাপমাত্রা আরও নিচে নেমেছে, ফলে সেখানে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সপ্তাহের শেষে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলায় শীতের অনুভূতি আরও বাড়বে।
স্থানীয় পরিবেশপ্রেমী সংগঠনগুলির দাবি, অক্টোবরের তুলনায় এ বছর নভেম্বরের শুরুতেই তাপমাত্রা দ্রুত কমছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে স্বাভাবিক শীতের। কৃষকরাও খুশি— কারণ ঠান্ডা হাওয়া চা বাগানের নতুন পাতা গজাতে সহায়ক।
সবমিলিয়ে, শিলিগুড়ি এখন শীতের আগমনী সুরে ভরে উঠেছে। মানুষ বলছে— “এবার বুঝি সত্যি সত্যিই শীত এলো উত্তরবঙ্গে!”
