নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, মালদা:১লা নভেম্বর২০২৫:
শীতের আগমনের আগেই মালদা জেলার বিভিন্ন ব্লকে শুরু হয়েছে আগাম আলু চাষ। ইতিমধ্যেই চাষিরা জমি তৈরি করে বীজ আলু রোপণ শুরু করেছেন। জেলার ইংরেজবাজার, হরিশচন্দ্রপুর, চাঁচল ও গাজোল ব্লকে আলু চাষের জমি এবার বেড়েছে বলে জানা গেছে।
চাষিদের দাবি, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগের বছরের তুলনায় *উৎপাদন অনেক ভালো হবে।* গত বছর অতিবৃষ্টি ও অকাল তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে ফসল নষ্ট হয়েছিল। তবে এবার আবহাওয়া অনুকূল এবং পর্যাপ্ত সেচ সুবিধা থাকায় চাষিরা আশাবাদী।
একজন চাষি জানান, “গত বছর ক্ষতি হয়েছিল, কিন্তু এবার আবহাওয়া ভালো। সার ও বীজও সময়মতো পেয়েছি। আমরা আশা করছি ভালো ফলন হবে।” কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরাও জানিয়েছেন, জেলার মোট চাষযোগ্য জমির একটি বড় অংশে এবার আলু চাষ হচ্ছে, যা জেলার কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
জেলার কৃষি দপ্তর ইতিমধ্যে চাষিদের সহায়তার জন্য বিশেষ পরামর্শ শিবির শুরু করেছে, যেখানে সার ব্যবস্থাপনা, কীটনাশক ব্যবহার ও সেচ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।* মালদায় আগাম আলু চাষ শুরু
* আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা
* কৃষি দপ্তরের পরামর্শ শিবির চলছে
* চাষিদের মুখে আশার আলো
চাষিদের মুখে এখন নতুন আশার আলো—*ভালো ফলন মানেই ভালো দাম, আর ভালো দাম মানেই উৎসবের হাসি।*
জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে নতুন শিশু বিভাগ উদ্বোধন, শিশুচিকিৎসায় নতুন দিগন্ত
*নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, জলপাইগুড়ি:*
আজ সকালে জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলো একেবারে নতুন *শিশু বিভাগ (Paediatric Wing)*। স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই নতুন পরিকাঠামোয় থাকবে উন্নতমানের বেড, নবজাতক পরিচর্যা ইউনিট (NICU), আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি এবং প্রশিক্ষিত নার্স ও চিকিৎসকের বিশেষ টিম।
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, হাসপাতালের সুপার এবং বেশ কয়েকজন চিকিৎসক। জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, “নতুন এই বিভাগ চালু হওয়ার ফলে জলপাইগুড়ি ও পার্শ্ববর্তী এলাকার শিশু রোগীরা এখন থেকে আরও সহজে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। শহরের বাইরে অন্যত্র ছুটে যেতে হবে না।”
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগের পাশাপাশি জরুরি পরিষেবাও চালু থাকবে। নবজাতক ও শিশুদের জন্য থাকবে ২৪ ঘণ্টা মেডিকেল সাপোর্ট ও পর্যাপ্ত অক্সিজেন সুবিধা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মতে, এতদিন শিশুচিকিৎসার জন্য শিলিগুড়ি বা কলকাতার দিকে যেতে হত, যা এখন অনেকটাই কমবে। নতুন বিভাগ চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে।
* জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে নতুন শিশু বিভাগ চালু
* আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ টিম
* শিশুদের চিকিৎসা এখন আরও সহজলভ্য
* প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে প্রকল্প
