নিউজ ইউ এ পি ডিজিটাল ডেস্ক, ৪ঠা অক্টোবর,কালিম্পংঃ কালিম্পং থেকে গ্যাংটক যাওয়ার পথে গভীর খাদে গাড়ি পড়ে মৃত্যু হল ৪ জনের। জখম আরও ৩ জন। শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের মেল্লি কিরণি এলাকায়। জানা গিয়েছে, যাত্রী বোঝাই করে গাড়িটি পাথরঝোরা থেকে গ্যাংটক যাচ্ছিল। যাওয়ার পথে কালিম্পং থানা এলাকার ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের মেল্লি কিরণি এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কমপক্ষে ৫০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায় গাড়িটি। এই ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহতেরা হলেন গাড়ির চালক কমল সুব্বা, সমীর সুব্বা, জানুকা দর্জি এবং নীতা গুরুং। এরা প্রত্যেকেই বোজোঝাড়ি এলাকার বাসিন্দা। এই দুর্ঘটনায় তিনজন গুরুতর জখম হয়েছেন সুনীতা থাপা, সান্দ্রিয়া রাই এবং সামিউল দর্জি। হতাহতদের উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে মেল্লি সিকিম হাসপাতালে। সেখানেই আহতদের চিকিৎসা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অপরদিক থেকে আসা অন্য একটি গাড়ির জোরাল আলোর ফলে এই অঘটন ঘটে। যদিও পুলিশের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পেটিকোট পরে তাণ্ডব পুলিশকর্মীর, পাকড়াও করে মানসিক হাসপাতালে পাঠালো পরিবার
পলাশবাড়ি: কখনও মহিলাদের পেটিকোট পরে এলাকায় ঘুরে বেরাচ্ছেন। কখনও কাউকে ধরে মারধর করছেন। আবার কখনও প্রতিবেশীর বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালাচ্ছেন পেশায় এক পুলিশকর্মী। গত কয়েকদিন ধরেই ওই পুলিশকর্মীর এমন আচরণে আতঙ্ক ছড়িয়েছে আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের পূর্ব কাঁঠালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পারপাতলাখাওয়া মৌজার বালাসিপাড়ায়। শনিবার সকালে এলাকার এক মন্দিরে ঢুকে তাণ্ডব শুরু করলে, তাঁকে আটক করে সোনাপুর ফাঁড়ির পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা।
জানা গিয়েছে, ওই পুলিশকর্মী নিখিল রায়ের বাড়ি শালকুমারহাটের মহাকালধাম এলাকায়। তবে গত দশ বছর ধরে তিনি বালাসিপাড়ায় শ্বশুর বাড়িতেই থাকেন। আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশ সুপারের অফিসে হোমগার্ড হিসেবে তিনি কর্মরত। কিন্তু এবার পুজোর সময় থেকেই তার মানসিক সমস্যা শুরু হয় বলে পরিবার সূত্রের খবর। গত শুক্রবার তিনি পেটিকোট পরে বালাসিপাড়া থেকে চলে যান শালকুমারহাটে। পরে পরিজনরা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসেন৷
এদিন সকালে মানসিক বিকারগ্রস্ত ওই পুলিশকর্মী প্রতিবেশী জন্তনা বর্মনের বাড়িতে ঢুকে পড়েন। ওই বাড়ির কালীমন্দিরের ভেতরে ঢুকে তাণ্ডব শুরু করেন। পরে জন্তার ছেলে বিনয় বর্মন মন্দিরে ঢুকলে তাকে ফল কাটার ছুড়ি দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। বিনয়ের হাতে কিছুটা চোটও লাগে। এরপর এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে মন্দিরেই ওই পুলিশকর্মীকে তালাবন্দি করে রাখেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় সোনাপুর ফাঁড়ির পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়৷ এ নিয়ে স্থানীয়রা অবশ্য পুলিশের কাছে সেভাবে লিখিত অভিযোগ করেননি। পরে পুলিশের সহযোগিতায় তার পরিবারের লোকজন পুলিশকর্মীকে তুফানগঞ্জ মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যান।
