কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে হঠাৎ গাড়ি ঢুকে পড়ল কী করে, উঠছে প্রশ্ন। মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের গাফিলতির অভিযোগ উঠছে আবারও।বুধবার বর্ধমানে প্রশাসনিক সভা ছিল। সেখানে পৌঁছতে হাওড়ার ডুমুরজলা থেকে এদিন হেলিকপ্টারে চেপে রওনা দেন মমতা। কিন্তু ফেরার সময় আবহাওয়া খারাপ থাকায়, বৃষ্টি হওয়ায় হেলিকপ্টার উড়তে পারেনি।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ নন্দীগ্রামে মমতাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছিলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো।বর্ধমান থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি। মাথাতে চোটও লাগে। শোনা যায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার গতিবেগে একটি গাড়ি আচমকা মমতার কনভয়ে ঢুকে যায়। তাতেই বিপত্তি। দ্রুত গতিতে আসা গাড়ির হাত থেকে বাঁচতে ব্রেক কষতে বাধ্য হন মমতার গাড়ির চালক। তাতেই মাথায় আঘাত লাগে মমতার। রক্তও ঝরে। প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে নন্দীগ্রামে ছিলেন মমতা। সেখানে মমতাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছিলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো। তবে কী বর্ধমানের ঘটনার নেপথ্যেও এরকমই কোনও কারণ আছে? ফের আঘাত পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্ধমানে প্রশাসনিক সভা থেকে ফিরছিলেন। সেই সময় তাঁর কনভয়ে একটি গাড়ি ঢুকে যায়। সেই সময় জোরে ব্রেক কষায় মাথায় আঘাত পান মমতা।
তবে সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে হঠাৎ গাড়ি ঢুকে পড়ল কী করে, উঠছে প্রশ্ন। মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের গাফিলতির অভিযোগ উঠছে আবারও।বুধবার বর্ধমানে প্রশাসনিক সভা ছিল। সেখানে পৌঁছতে হাওড়ার ডুমুরজলা থেকে এদিন হেলিকপ্টারে চেপে রওনা দেন মমতা। কিন্তু ফেরার সময় আবহাওয়া খারাপ থাকায়, বৃষ্টি হওয়ায় হেলিকপ্টার উড়তে পারেনি। ফলে গাড়িতে চেপেই ফেরার রাস্তা ধরেন। সেই সময়ই আঘাত পান তিনি। জানা গিয়েছে, সভামঞ্চ থেকে ২০০ মিটার দূরে, গাড়ি যখন জিটি রোডে উঠছে, সেই সময় অন্য দিক থেকে একটি গাড়ি তাঁর কনভয়ে হঠাৎই ঢুকে পড়ে।স্থানীয় সূ্ত্রে জানা গিয়েছে, মমতা যে গাড়িতে ছিলেন, সেই গাড়ির সামনেই আচমকা অন্য একটি গাড়ি চলে আসে। তাতে তড়িঘড়ি সজোরে ব্রেক কষেন চালক। গাড়ির একেবারে সামনে, চালকের পাশের আসনেই বসেছিলেন মমতা। আচমকা ব্রেক কষায় মাথার পাশে চোট পান।
হাতেও সামান্য চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে কনভয় দাঁড়িয়ে যায়। একটু ধাতস্থ হয়ে ফের কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয়। মমতার চোট কতটা গুরুতর, তা এখনও জানা যায়নি। তবে মাথায় রুমাল চাপা দিয়ে থাকতে দেখা যায় মমতাকে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রচুর নিরাপত্তা পান। তাঁর কনভয়ে আঁটোসাটে নিরাপত্তা থাকে। পাশাপাশি বাড়তি পুলিশও মোতায়েন থাকে। তার পরও এমন ঘটনা ঘটল কী করে, প্রশ্ন উঠছে। মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় বড় ধরনের গাফিলতির অভিযোগ উঠছে আবারাও। এ নিয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও বিবৃতি মেলেনি। তবে বার বার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ঘটনা ঘটায় প্রশ্ন উঠছেই। কেন আগে থেকে রাস্তায় নজরদারি চালানো হল না, কেন ওই গাড়ি কারও চোখে পড়ল না, উঠছে প্রশ্ন।এর আগে, ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে চোট পান মমতা। তার পর কলাইকুণ্ডায় আবারও আঘাত পান কিছু দিন আগে। সেই আঘাত এতটাই গুরতর ছিল যে হাসপাতালেও ভর্তি হতে হয় মমতাকে। শুধু তাই নয়, চিকিৎসার পর সংক্রমণও হয়ে যায় ক্ষতে। তাতে কলকাতার এসএসকেএম হাসাপাতালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর আগে, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেও অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবক ঝুকে পড়েন।
হাতে রড নিয়ে সারারাত মমতার কালীঘাটের বাড়িতেই ঘাপটি মেরে ছিলেন ওই যুবক। সেই সময়ও কড়া নিরাপত্তার বলয় টপকে ওই যুবক কী করে ঢুকে গেলেন ওঠে প্রশ্ন। তার পর মমতার বাড়ির চারিদিকের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়। তার পর আবার এই ঘটনা।“অনেকে অনেক সময় অন্য কারও গাড়ি ব্যবহার করে। কারও কারও বলে অপব্যবহারও করে। তোমরা তো দেখেছ বিএসএফের ড্রেস পরে আমার বাড়ি চলে গিয়েছিল। আমার মনে হয় পুলিশ তদন্ত করুক। আমি এখনই কোনও কথা বলতে চাই না।” এরপরই এদিন দুর্ঘটনার বিবরণও নিজের মুখেই দেন মমতা। বলেন, “একটা গাড়ি প্রায় ২০০ স্পিডে যাচ্ছিল। পুরো মরেই যেতাম ওখানে। আমার ড্রাইভার সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক কষে। তখনই পুরো ড্যাশবোর্ডটা এসে আমার মাথায় লেগেছে। তখনই মাথায় লাগে। কিছুটা রক্তও পড়েছে। ফুলেও আছে। তাই নিয়ে আমি কাজ করে গেলাম। আমার গাড়ির কাচটা যদি বন্ধ থাকে তাহলে ড্যাশবোর্ড কাচ সমেত আমার সারা শরীরে যুক্ত হয়ে যেত। গাড়িটা কিন্তু চুরমার হয়ে যেত। ব্রেকটা কষেছিল বলেই কোনওমতে মানুষের আশীর্বাদে বেঁচে গিয়েছি। মাথাটা এখনও টনটন করছে। তবে সুত্রের খবর যে ”তাঁর কনভয়ে একটি গাড়ি ঢুকে যায়। সেই সময় জোরে ব্রেক কষায় মাথায় আঘাত পান মমতা।
বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই NEWS UAP পেজ এর ওয়েবসাইটে।
