তার বাড়ি ত্রিপুরার ধর্মনগরের চুরাইবাড়ি এলাকায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ ধূপগুড়ির হরিমন্দির সংলগ্ন এলাকায় নাকা তল্লাশি শুরু করে।সেই সময় গয়েরকাটার দিক থেকে অসম নম্বরের একটি লরি আসলে তাকে আটক করা হয়।প্রথমে লরিতে তল্লাশি চালাতে গেলে ধানের তুষের বস্তা মেলে।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রায় ৫৬৩ কার্টুন অবৈধ মদ। গ্রেফতার করা হয়েছে লরি চালক বাপি দাসকে। তার বাড়ি ত্রিপুরার ধর্মনগরের চুরাইবাড়ি এলাকায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ ধূপগুড়ির হরিমন্দির সংলগ্ন এলাকায় নাকা তল্লাশি শুরু করে।সেই সময় গয়েরকাটার দিক থেকে অসম নম্বরের একটি লরি আসলে তাকে আটক করা হয়।প্রথমে লরিতে তল্লাশি চালাতে গেলে ধানের তুষের বস্তা মেলে। পরে ধানের তুষের আড়ালে মদের হদিশ পাওয়া যায়।এরপর পুলিশ কর্মীরা তুষের বস্তা সরালে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদের কার্টুনের হদিশ পায়। জানা গিয়েছে মদ গুলির কার্টুনে অরুণাচল প্রদেশ এবং অসম রাজ্যের নাম উল্লেখ রয়েছে।গৌহাটি থেকে এই লরি নিয়ে আসা হচ্ছিল।পুলিশ সূত্রে খবর, লরির চালককে গ্রেফতার করে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।আজ লরি চালককে আদালতে তোলা হবে।লরিতে তুষের বস্তার আড়ালে বেআইনি মদ পাচার! উদ্ধার ভিন রাজ্যের বিপুল পরিমাণঅবৈধ মদ। গ্রেফতার এক। নাকা তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ সহ লরি আটক করল ধূপগুড়ি থানার পুলিশ।
বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই NEWS UAP পেজ এর ওয়েবসাইটে।
………………………………………………………………………………………………….
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে পড়ে গেল দমকল বিভাগের গাড়ি। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে রতুয়া-সামসি রাজ্য সড়কের টেটিয়া এলাকায়। ঘটনায় আহত হয়েছেন দমকলের দুই কর্মী। এদের মধ্যে একজন দমকল বিভাগের গাড়ি চালক। অন্যজন ফায়ার অ্যাটেনডেন্ট। দুর্ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রতুয়া থানার পুলিশ ও দমকল বিভাগের আধিকারিকেরা। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঁচল দমকল বিভাগের ওই গাড়িটিতে গত বুধবার চাঁচল দমকল বিভাগের দুই কর্মী কলকাতা হেডকোয়ার্টার গিয়েছিলেন অফিসের কাজে।শুক্রবার সকালে কলকাতা থেকে চাঁচল ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে পড়ে যায় ওই গাড়িটি। ঘটনায় গাড়িতে থাকা দুই কর্মী আহত হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসার জন্য রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনায় দমকল বিভাগের ওই গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মালদহ থেকে দমকল বিভাগের ক্রেন আনিয়ে গাড়িটিকে নয়ানজুলি থেকে তোলার ব্যবস্থা হয়।কর্মীরা ওই ‘ইউটিলিটি ভ্যান’ নিয়ে হেডকোয়ার্টারে গিয়েছিলেন। ওই গাড়িটিকে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনে ব্যবহার করা হত। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
