বিপদ মানে, টাইপ টু ডায়াবেটিস।প্রথমত, গবেষণায় ধরা পড়েছে, বায়ুদূষণের পরিমাণ বাড়লে ওই এলাকার মানুষের রক্তে শর্করার পরিমাণও বাড়ে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়লে তার পরিণতি অবশ্যই ডায়াবেটিস। এখানে প্রশ্ন উঠতেই পারে, দূষণের সঙ্গে ডায়াবেটিসের কী সম্পর্ক?
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ ধোঁয়া, দূষণ মানে শুধু শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি নয়। দূষণ থেকে খুব কম সময়ে আপনি-আমি ডায়াবেটিসের কবলেও পড়তে পারি। এমনটাই বলছেন চিকিৎসকেরা। দেশের একাধিক শহরে গবেষণা চালিয়ে তৈরি গবেষণাপত্রে এই দাবি করা হয়েছে। সাত বছর ধরে দিল্লি ও চেন্নাইয়ে ১২ হাজার মানুষের উপর এই গবেষণাটি চালানো হয়। ইতিমধ্যেই গবেষণাপত্রটি এক আন্তর্জাতিক জার্নালেও প্রকাশিত হয়েছে। এই রিপোর্টেই বাড়ছে উদ্বেগ।আর দিন দশেক পরেই কালিপুজো। দীপাবলি। অর্থাত্ একাধিকে আলোর উত্সব, শক্তির আরাধনা।
বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই NEWS UAP পেজ এর ওয়েবসাইটে।
আলোর রোশনাইয়ের পাশাপাশি বাজি আর ধোঁয়া। তাতেই সিঁদুরে মেঘ। থাকতে হবে স্বাস্থ্য সচেতন। খোলা জায়গায়, বাজির ধোঁয়ার মধ্যে কিছুক্ষণ কাটানো মানেই কিন্তু বিপদের সম্ভাবনা। বিপদ মানে, টাইপ টু ডায়াবেটিস।প্রথমত, গবেষণায় ধরা পড়েছে, বায়ুদূষণের পরিমাণ বাড়লে ওই এলাকার মানুষের রক্তে শর্করার পরিমাণও বাড়ে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়লে তার পরিণতি অবশ্যই ডায়াবেটিস। এখানে প্রশ্ন উঠতেই পারে, দূষণের সঙ্গে ডায়াবেটিসের কী সম্পর্ক? এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকেরা বলছেন, দূষিত বাতাসের মধ্যে বিভিন্ন ধূলিকণা থাকতে পারে। এর মধ্যে সুক্ষতিসুক্ষ ধূলিকণা নাক, মুখ দিয়ে শরীরে ঢোকে। মূলত পিএম ২.৫ তার থেকে ছোট ধূলিকণাই এক্ষেত্রে ঘাতকের কাজ করছে। এই ধূলিকণা ঢুকলে শরীরে একটা অবস্থা তৈরি হয়, যখন রক্তের ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা উপাদানগুলো কাজ বন্ধ করে দেয়। এর অবধারিত পরিণতিই ডায়াবেটিস।এদিকে আবার দিল্লি, চেন্নাইয়ের পাশাপাশি কলকাতাও অন্যতম দূষিত শহরের তালিকায় উঠে এসেছে।
দূষিত পরিবেশ থেকে কী কী অসুখ, হতে পারে, তা সকলের মোটামুটি জানাই ছিল। এবার এল নতুন তথ্য, যা আগে কখনও শোনাই যায়নি। এই গবেষকদলের অন্যতম সদস্য সিদ্ধার্থ মণ্ডল প্রেসিডেন্সির প্রাক্তনী। তাঁরা দেখেছেন, ভারতীয়দের যা গঠন, তাতে ডায়াবেটিস আরও বেশি করে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। ভারতীয়দের বরং আরও বেশি করে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। অথচ ঘটে ঠিক উলটোটা। ডায়াবেটিস নিয়ে ভারতীয়রা একেবারেই উদাসীন। অন্তত ৮০ শতাংশ ভারতীয়দের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে, অন্য কোনও পরীক্ষা করার সময়। অর্থাত্ আমাদের যে ডায়াবেটিস থাকতে পারে, সেটা আমাদের চিন্তাভাবনায় আসে না। এই ফাঁক গলেই ঘাতক ডায়াবেটিস শরীরে ক্রমশ ঘাঁটি গেড়ে বসে।
বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই NEWS UAP পেজ এর ওয়েবসাইটে।
চিকিত্সকরা বলছেন, উপায় খুব সোজা। সারা বছর না হোক, শীতকালটা অত্যন্ত একটা পাতলা মাস্ক পরে থাকুন। সারা বছর হলে খুবই ভাল। কিন্তু শীতকালে দূষণের মাত্রা তুলনায় বেশি থাকে বলে শীতকালে এটা মাস্ট। কালিপুজো এবং দীপাবলির সময়ও। রিপোর্ট বলছে, টাইপ টু ডায়াবেটিস কিন্তু নিঃশব্দ ঘাতকের মতো ছড়িয়ে পড়ছে ভারতে। বিশেষত ভারতের শহরাঞ্চলে। এতে অগ্ন্যাশয়ের ইলসুলিন উত্পাদনকারী কোষগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না ঠিকই। কিন্তু, এই ধরনের ডায়াবেটিস ইনসুলিনকে কাজ করতে দেয় না। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অত্যাধিক হারে বেড়ে যায়।
বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই NEWS UAP পেজ এর ওয়েবসাইটে।
