মৃত্যুপুরি যেন তিস্তা

তিস্তা ব্রিজ সংলগ্ন তীরবর্তী এলাকায় যেখানে জল দেখা দিয়েছিল এদিন সেই এলাকার জল অনেকটাই নেমে গিয়েছে। আতঙ্ক কাটতেই নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা তিস্তা নদীতে নেমে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে জলে ভেসে আসা কাঠ সংগ্রহ করছে জীবন যাপনের তাগিদে।আতঙ্ক কিছুটা কাটলেও মাঝেমধ্যেই হচ্ছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত।

নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ একের পর এক মৃত দেহ উদ্ধার হচ্ছে জলপাইগুড়ির তিস্তা নদীর অববাহিকা থেকে। বৃহষ্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত মোট ২৭ টি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, যে গুলির ময়না তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতাল মর্গে। গতকাল রাত থেকেই সহ-কর্মীদের মৃতদেহ শনাক্ত করে যথাযথ ভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় যাতে দ্রুত পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই কাজের তদারকি করতে সেনা বাহীনির উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত হয়েছেন জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে।তিস্তা যেন মৃত্যুপুরি। জল নামতেই ভয়ঙ্কর আর এক অধ্যায়।

বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই   NEWS UAP  পেজ এর ওয়েবসাইটে।

একের পর এক উদ্ধার হচ্ছে মৃতদেহ। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ১৮। শুক্রবার উদ্ধার হল আরও ৯টি মৃতদেহ। তিস্তার বিভিন্ন এলাকায় আটকে রয়েছে আরও কিছু দেহ। স্থানীয় সূত্রে এই খবর আসার পর শনিবার সকাল থেকে মৃতদেহর খোঁজে আবারও তল্লাশি অভিযান শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত খবর, উদ্ধার ২৭ টি মৃতদেহ র মধ্যে ৭ জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জন সেনা জওয়ান, ২ জন সাধারণ মানুষ। শুক্রবার ময়নাতদন্তের পর চিহ্নিত দেহ সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছে প্রশাসন। বাকি দেহগুলি সনাক্তকরণের জন্য জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।সিকিমে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর জলপাইগুড়ির গাজলডোবা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ায় জলস্ফীতি দেখা দিয়েছিল তিস্তা নদীতে। বিপদ সীমার উপরে বইছিল তিস্তা নদীর জল।

বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই   NEWS UAP  পেজ এর ওয়েবসাইটে।

সিকিমে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর জলপাইগুড়ির গাজলডোবা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ায় জলস্ফীতি দেখা দিয়েছিল তিস্তা নদীতে। বিপদ সীমার উপরে বইছিল তিস্তা নদীর জল। জলপাইগুড়ি তিস্তা সেতু সংলগ্ন এলাকায় তিস্তা নদীর যে ভয়াবহ রূপ ছিল, সেই ছবি এখন অনেকটাই বদলেছে। জল কিছুটা কমলেও নদীতে স্রোত যথেষ্ট রয়েছে। পরিস্থিতি একটু উন্নত হওয়ায় স্বস্তি মিলেছে প্রশাসন এবং তিস্তা পারের বাসিন্দাদের।তিস্তার সংরক্ষিত এলাকায় তুলে নেওয়া হয়েছে সব বিপদ সঙ্কেত, স্বাভাবিক গতিতে ফিরছে তিস্তা পাড়ের জনপদ। তিস্তা ব্রিজ সংলগ্ন তীরবর্তী এলাকায় যেখানে জল দেখা দিয়েছিল এদিন সেই এলাকার জল অনেকটাই নেমে গিয়েছে।

বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই   NEWS UAP  পেজ এর ওয়েবসাইটে।

আতঙ্ক কাটতেই নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা তিস্তা নদীতে নেমে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে জলে ভেসে আসা কাঠ সংগ্রহ করছে জীবন যাপনের তাগিদে।আতঙ্ক কিছুটা কাটলেও মাঝেমধ্যেই হচ্ছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত। বৃষ্টি চিন্তা বাড়াচ্ছে প্রশাসন এবং নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আবার জল ছাড়া হলে এলাকা প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।যদিও এখনও পর্যন্ত জলপাইগুড়ি তিস্তা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় প্রশাসনের কড়া নজরদারি রয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা নদীতে শুক্রবার দিনভর তল্লাশি চালিয়ে ৯টি মৃতদেহ উদ্ধার করল পুলিশ। এই নিয়ে গত ৩ দিনে মোট ২৭টি দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। সিকিমে বিপর্যয়ের পর জলপাইগুড়ি তিস্তা নদীতে মৃতদেহের ছড়াছড়ি। জলস্তর কমতেই একের পর এক দেহ উদ্ধার করছে পুলিশ। জেলার তিস্তা পারে থাকা মাল থানা, ময়নাগুড়ি থানা এবং সদর ব্লকের কোতোয়ালি থানা এলাকা মিলিয়ে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত মোট ২৭ টি দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে প্রতিদিনের খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন এই   NEWS UAP  পেজ এর ওয়েবসাইটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *