মোট ৫০টি বাস নির্দিষ্ট করা হয়েছে এর জন্য৷ এই বাসে করেই নেতা-সমর্থকরা পৌঁছবেন দিল্লিতে৷ সেই বাসের যাত্রা পথে দিল্লিতে পৌঁছবেন জব কার্ড হোল্ডাররা৷ সেখানেই প্রতিবাদ হবে৷ তবে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করবেন না কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং৷বাসের যাত্রীদের জন্য খাবার, ওষুধ, মেডিক্যাল কিটের যথেষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে বলেই তৃণমূল সূত্রের খবর।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ আজ সকাল সাড়ে ন’টা থেকে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে জমায়েত শুরু হয়৷ এর পর একটার পর একটা বাস ছাড়বে৷ প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছিল, মোট ৫০টি বাস ছাড়বে৷ সেই মতোই পরিকল্পনা করা হয়েছে৷ মোট চার থেকে পাঁচ হাজার লোক দিল্লিতে যাওয়ার কথা রয়েছে৷ প্রতিটি বাসে থাকবে মেডিক্যাল কিট৷ এ ছাড়াও থাকবে জল, শুকনো খাবার৷ এ ছাড়াও যাত্রা পথের মাঝে নির্দিষ্ট জায়গায় বাস দাঁড়াবে, খাওয়া দাওয়ার জন্য৷
তবে দিল্লি যাওয়ার পথে বিজেপি শাসিত রাজ্যের মধ্যে দিয়ে বাস নিয়ে যেতে হবে৷ সেই প্রেক্ষিতে পথেই তৃণমূলের প্রতিবাদীদের আটকানোর সম্ভাবনা থাকতে পারে৷ সেই বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছে, ‘যদি কোনও বিজেপি শাসিত রাজ্যে যদি বাস আটকানো হয়, তা হলে এই ঘটনার উত্তর রাজনৈতিক ভাবেই দেওয়া হবে৷’ অর্থাৎ রাজনৈতিক লড়াইয়ের উত্তাপ আরও বাড়িয়েই রাখলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷প্রাথমিক ভাবে খবর পাওয়া গিয়েছে আসানসোল, ধানবাদ থেকে আগ্রা হয়ে দিল্লি পৌঁছবে বাসটি৷ দিল্লিতে বেশ কিছু অতিথিশালা ও পান্থনিবাসগুলিতে তৃণমূলের সভ্যসমর্থকদের থাকার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে ৷
রবিবার দিল্লিতে সকালেই পৌঁছে যাচ্ছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বও৷ সেখানেই চূড়ান্ত হবে আন্দোলনের রূপরেখা৷ট্রেন না পেয়ে এ বার দিল্লির অভিযানে বাসে করে যাচ্ছে তৃণমূল৷ মোট ৫০টি বাস নির্দিষ্ট করা হয়েছে এর জন্য৷ এই বাসে করেই নেতা-সমর্থকরা পৌঁছবেন দিল্লিতে৷ সেই বাসের যাত্রা পথে দিল্লিতে পৌঁছবেন জব কার্ড হোল্ডাররা৷ সেখানেই প্রতিবাদ হবে৷ তবে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করবেন না কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং৷বাসের যাত্রীদের জন্য খাবার, ওষুধ, মেডিক্যাল কিটের যথেষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে বলেই তৃণমূল সূত্রের খবর। বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মীরা আগেই এসে উপস্থিত হয়েছিলেন নেতাজি ইন্ডোরে। আজ সেখান থেকেই ছাড়ছে বাস।
রেলের কাছে বিশেষ ট্রেন চেয়েও পায়নি তৃণমূল। তাই শেষ মুহূর্তে বাসই ভরসা। শনিবার সকালেই ৫০টি বাস প্রস্তুত করে ফেলেছে রাজ্যের শাসক দল। ভলভো সংস্থার স্লিপার বাসগুলিতে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক ও জন কার্ড হোল্ডারদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৫ হাজার লোককে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে বাসগুলি ছাড়ছে। এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় বাসগুলি ছাড়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে তা সম্ভব হয়নি। দেরী হয়েছে অনেকটাই। তবে তাতে উদ্যম কমেনি কর্মীদের মধ্যে। তাঁরা বলছেন, অধিকার পাওয়ার জন্য তো কষ্ট করতেই হবে।
কলকাতা থেকে ছেড়ে বাসগুলি বিহার, উত্তর প্রদেশ পেরিয়ে দিল্লি পৌঁছবে। বাসের যাত্রীদের জন্য খাবার, ওষুধ, মেডিক্যাল কিটের যথেষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে বলেই তৃণমূল সূত্রের খবর। বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মীরা আগেই এসে উপস্থিত হয়েছিলেন নেতাজি ইন্ডোরে। বাসে যেতে কষ্ট হবে না? এই প্রশ্নের উত্তরে এক যাত্রী বলেন, “পেটের খিদে আছে তো, মানুষ নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এটুকু কষ্ট তো করবেনই।”তৃণমূলের একাংশের আশঙ্কা, বিজেপি শাসিত উত্তর প্রদেশে গেলে বাধার মুখে পড়তে হবে পারে বাসগুলিকে। তবে সে নিয়ে ভাবিত নন কর্মীরা। আগামী ২ ও ৩ অক্টোবর রাজধানীতে কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূলের। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বে সেই কর্মসূচি হওয়ার কথা। আজ দুপুরেই কর্মীদের ভার্চুয়াল বৈঠকে বার্তা দেবেন অভিষেক। মূলত কর্মসূচি নিয়েই তিনি কথা বলবেন বলে জানা গিয়েছে।
( আরও অনেক খবর পড়তে আমাদের এই NEWS UAP পেজ এ চোখ রাখুন)
