বিদেশ এখন শিলিগুড়ির সুগন্ধি মোমবাতি

এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিলিগুড়ি এবং কালিম্পংয়ের একটি গ্রামে মোট ২০ জন মহিলাকে এই সুগন্ধি মোমবাতি তৈরি শেখানো হয়। লাড্ডু, বরফি, ডোনাটের মত অদ্ভুত দেখতে এই মোমবাতিগুলি দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। একই সঙ্গে গোলাপ, চামেলী সহ আরও পাহাড়ি নানান ফুল দিয়ে তৈরি অসাধারণ দেখতে এই মোমবাতিগুলি নজর কাড়ছে সকলের। সংস্থার সম্পাদক সোহিনী গুপ্তা বলেন, আমরা বহুদিন ধরেই মহিলাদের স্বনির্ভর করতে নানান ধরনের কাজ করে আসছি

নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ  এই মোমবাতিতা চট করে নিভে যায় না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মোমবাতির নকশায় নতুনত্ব এসেছে, বদলেছে এর গুণগত মান। এই নতুন ধরনের মোমবাতি তৈরি করে সকলকে চমকে দিয়েছেন শিলিগুড়ির মহিলারা। তাঁদের তৈরি এই মোমবাতি এখন পাড়ি দিচ্ছে দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও। ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়া, গোয়া, কলকাতা, দুবাই সহ বিভিন্ন জায়গায় পাড়ি দিয়েছে এই মোমবাতি।

‘টেগোর অ্যাপ্রিসিয়েশন সোসাইটি’ ও ওয়েস্ট বেঙ্গল এসসি-এসটি-ওবিসি ডেভেলপমেন্ট ও ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের উদ্যোগে সমাজের অনগ্রসর শ্রেণির মহিলাদের স্বনির্ভর করতে ‘লাক্সারি ক্যান্ডেল মেকিং প্রোগ্রাম’ শুরু করা হয়েছে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিলিগুড়ি এবং কালিম্পংয়ের একটি গ্রামে মোট ২০ জন মহিলাকে এই সুগন্ধি মোমবাতি তৈরি শেখানো হয়। লাড্ডু, বরফি, ডোনাটের মত অদ্ভুত দেখতে এই মোমবাতিগুলি দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। একই সঙ্গে গোলাপ, চামেলী সহ আরও পাহাড়ি নানান ফুল দিয়ে তৈরি অসাধারণ দেখতে এই মোমবাতিগুলি নজর কাড়ছে সকলের। সংস্থার সম্পাদক সোহিনী গুপ্তা বলেন, আমরা বহুদিন ধরেই মহিলাদের স্বনির্ভর করতে নানান ধরনের কাজ করে আসছি।

তপশিলি জাতি-উপজাতিভুক্ত মেয়েদের স্বনির্ভর করতে কুড়িজন মহিলাকে নিয়ে এই কাজ শুরু করেছিলাম। তাঁদের মধ্যে ১২ জনকে ইতিমধ্যে চাকরিও দেওয়া হয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য যাতে এই মহিলারা আমাদের এখান থেকে কাজ শিখে নিজেদের জন্য কিছু করতে পারে।সুগন্ধি মোমবাতি বানিয়ে স্বনির্ভর হওয়ার পথ দেখছেন মহিলারা। বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে তো বটেই, এখন শখের বশেও সুগন্ধি মোমবাতি দিয়ে ঘর সাজান অনেকে। স্নিগ্ধ আলোর সঙ্গে মিষ্টি সুগন্ধে ভরে ওঠে ঘর। মোমবাতির কাজ অন্ধকার মেটানো। তবে এবার যুক্ত হয়েছে সুগন্ধ। আলোর সঙ্গে ঘরের বাতাস সুগন্ধে ভরিয়ে দেয় এই মোমবাতি। সেই মোমবাতি তৈরি করেই স্বনির্ভর হচ্ছেন শিলিগুড়ির মহিলারা।

( আরও অনেক খবর পড়তে আমাদের এই পেজ এ চোখ রাখুন)

তবে খুশির খবর এই যে ,এই মোমবাতি হটাত করে নিভে যায়না,। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মোমবাতির নকশায় নতুনত্ব এসেছে, বদলেছে এর গুণগত মান। এই নতুন ধরনের মোমবাতি তৈরি করে সকলকে চমকে দিয়েছেন শিলিগুড়ির মহিলারা। তাঁদের তৈরি এই মোমবাতি এখন পাড়ি দিচ্ছে দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও। ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়া, গোয়া, কলকাতা, দুবাই সহ বিভিন্ন জায়গায় পাড়ি দিয়েছে এই মোমবাতি এখন গর্ব প্রস্তুত কারকদের। তাই এ কথা জোর দিয়ে বলাই জায় যে – সুগন্ধি মোমবাতি বানিয়ে স্বনির্ভর হওয়ার পথ দেখছেন মহিলারা। বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে তো বটেই, এখন শখের বশেও সুগন্ধি মোমবাতি দিয়ে ঘর সাজান অনেকে। স্নিগ্ধ আলোর সঙ্গে মিষ্টি সুগন্ধে ভরে ওঠে ঘর। মোমবাতির কাজ অন্ধকার মেটানো। তবে এবার যুক্ত হয়েছে সুগন্ধ। আলোর সঙ্গে ঘরের বাতাস সুগন্ধে ভরিয়ে দেয় এই মোমবাতি। সেই মোমবাতি তৈরি করেই স্বনির্ভর হচ্ছেন শিলিগুড়ির মহিলারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *