কলকাতার মেয়রের কথায়, বিরোধীরা সর্বক্ষেত্রেই দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে। ফিরহাদের কথায়, বিরোধীরা কোথায় কী কাজ করা দরকার তা নিয়ে কোনও কথা বলে না। বরং বিভিন্ন সময় শাসকদলের প্রতিনিধিদের চোর বলে কটাক্ষ করতে ব্যস্ত। সংবাদমাধ্যমের নজর কাড়তে, সস্তার জনপ্রিয়তা কুড়োতে বিরোধীরা এসব করে চলেছে বলে মন্তব্য করেন ফিরহাদ।
নিউজ ইউএপি ডিজিটাল ডেস্কঃ ফিরহাদ হাকিম বলেন, “একটা দমবন্ধ পরিবেশ তৈরি হয়ে গিয়েছে। কখনও এজেন্সিকে দিয়ে ডাকছে। পরে সেটা নিয়েই হাইলাইট করছে। কেস হওয়ার পর ছাড় পেলে এত বছরের যে সামাজিক অসম্মান, তার দাম কে ফেরত দেবে? শুধু খুঁচিয়ে দিয়ে সামাজিক অসম্মান করছে। রাজীব গান্ধীর মতো অবস্থা। বোফর্সের চোর, বোফর্সের চোর! পরে দেখা গেল তা নয়। অথচ মানুষটা বেঁচে নেই শোনার জন্য যে উনি নির্দোষ।”কলকাতা পুরনিগমে অধিবেশন চলাকালীনই তুমুল ঝামেলা।
শনিবার সেই ঝামেলা নিয়ে বলতে গিয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিম তুলে আনলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রসঙ্গ। কলকাতার মেয়রের কথায়, বিরোধীরা সর্বক্ষেত্রেই দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে। ফিরহাদের কথায়, বিরোধীরা কোথায় কী কাজ করা দরকার তা নিয়ে কোনও কথা বলে না। বরং বিভিন্ন সময় শাসকদলের প্রতিনিধিদের চোর বলে কটাক্ষ করতে ব্যস্ত। সংবাদমাধ্যমের নজর কাড়তে, সস্তার জনপ্রিয়তা কুড়োতে বিরোধীরা এসব করে চলেছে বলে মন্তব্য করেন ফিরহাদ।
এদিন কলকাতা পুরনিগমের অধিবেশন চলাকালীন বিজেপি কাউন্সিলর ও তৃণমূলের কাউন্সিলরদের মধ্যে ঝামেলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিজেপির সজল ঘোষ ও তৃণমূলের অসীম বসুকে শোকজ করেছেন মালা রায়। তিনি বলেন, “বিরোধী দলের যে ভূমিকা, আমি অন্তত এবার নির্বাচিত হয়ে আসার পর থেকে খুব নগণ্য দেখেছি। কোনও কিছু জানতেও চান না, প্রশ্নও জমা দেন না, প্রস্তাবও জমা দেন না।
”ফিরহাদ হাকিমের কথায়, এই ধরনের কথাবার্তায় সামাজিক অসম্মান ঘটে। পারিবারিক সম্মানও ক্ষুণ্ণ হয়। মেয়র বলেন, “এত বছর ধরে সামাজিক অসম্মান। ছেলেপুলের বিয়ে হবে না ভাল জায়গায়। কোন অপরাধে? মানুষ সেবার নেশা ছোটবেলা থেকে, সেটাই সর্বনাশ করেছে আমাদের?”এদিন কলকাতা পুরনিগমের অধিবেশন চলাকালীন বিজেপি কাউন্সিলর ও তৃণমূলের কাউন্সিলরদের মধ্যে ঝামেলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিজেপির সজল ঘোষ ও তৃণমূলের অসীম বসুকে শোকজ করেছেন মালা রায়। তিনি বলেন, “বিরোধীরা তো অধিবেশনে কিছু জানতেও চান না, প্রস্তাবও জমা দেন না।”
